শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৩ পি.এম
সিজেপির সদস্যের বাবার ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার ফলে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে।
যন্তর মন্তরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির বিক্ষোভ চলাকালীন, ককরোচ জনতা পার্টির এক সদস্যের বাবার ওপর হামলা চালানো ব্যক্তিকে প্রভাবশালী নেতার হস্তক্ষেপে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।সম্প্রতি সিজেপির বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঘটনা ঘটেছে, যা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একটি ভিডিওতে স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ নামে এক ব্যক্তিকে দেখা যায়, যিনি সিজেপির বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী নিশু আজাদের বাবার মাথায় আঘাত করেছেন। তিনি দাবি করেন যে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপের কারণে পুলিশি পদক্ষেপ থেকে বেঁচে গেছেন। ভরদ্বাজ জানান, তার হাতে থাকা কড়া (ধাতব বালা) দিয়েই আঘাত করা হয়েছিল। তিনি নিজেকে হিন্দুত্ববাদী হিসেবে পরিচয় দেন।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে ভরদ্বাজ আরো দাবি করেন, ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হলেও দিল্লি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী কপিল মিশ্রের ফোন পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে তারা বিক্ষোভকারীদের মারধর করা ব্যক্তিদের রক্ষা করেছে। তবে দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় কপিল মিশ্রের প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে যে মারধরের ঘটনায় কেউ হস্তক্ষেপ করেনি।
বিতর্কের সূত্রপাত
স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন যা ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি একজন ইনফ্লুয়েন্সার যিনি নিজেকে হিন্দুত্ববাদী বলে পরিচয় দেন।
ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, "আমরা নিশুর বাবার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছি। আপনারা জানেন যে এ ক্ষেত্রে (আইনের) কোন ধারা প্রযোজ্য- ৩০৭ নম্বর ধারা। ওর (যার মাথায় আঘাত লেগেছিল) মাথায় সাতটা সেলাই পড়েছিল, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে হয়েছিল।"
"আমাকে জেলেও যেতে হয়নি। সারা বিশ্বের জানা উচিত যে আমাকে জেলে যেতেই হয়নি। আমি তো গোটা রাত ঘুরে বেরিয়েছি।"
এই ভিডিওতে তিনি বিজেপির প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে তার পরিচয় আছে বলেও দাবি করেছেন।
তবে বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বতন্ত্র ভরদ্বাজ দাবি করেছেন যে, তিনি আত্মরক্ষার্থে হামলা করেছিলেন এবং সেই সময়ে আত্মরক্ষা না করলে গণপিটুনির শিকার হতেন।
এরপর নিশু আজাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, "স্বতন্ত্র ভরদ্বাজের একটা ভিডিও সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে, যেখানে তিনি নিজেই স্বীকার করছেন যে তিনি আমার বাবার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা উচিত ছিল, ৩০৭ ধারায় মামলা করা উচিত ছিল।"
"যখন সে তার বাবার মাথা ফাটিয়ে দেন তখন আমরা তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিলাম, কিন্তু পুলিশ কিছুই করছে না। তারা মেডিকেলের নামে ঘোরাচ্ছে। আমি দিল্লি পুলিশের কাছ থেকে ন্যায়-বিচার পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছি।"
"রাহুল গান্ধী, আপনার কাছে আমার প্রত্যাশা আছে। আমি আশা করি আপনি আমাকে ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করবেন। যাদের মনে আইনের ভয় নেই, কীভাবে অবাধে ঘুরে বেড়াতে পারে তারা? এদের জেলে থাকা উচিত।"
এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন।
তিনি লেখেন, "আমাদের যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে বিজেপি-সমর্থিত গুন্ডা স্বতন্ত্র ভরদ্বাজের হাতে সঞ্জয় নামের এক দলিত সম্প্রদায়ের ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার পর কী ঘটেছিল তা আমি আপনাদের বলছি - সঞ্জয়ের মাথা ফেটে গিয়েছিল। ক্ষত এতটাই গুরুতর ছিল যে এফআইআর-এ স্পষ্টভাবে খুনের চেষ্টার উল্লেখ থাকা উচিত ছিল। পুলিশ এই ধারা যোগ করতে রাজি হয়নি।"
তিনি আরো অভিযোগ করেন যে, গুরুতর আঘাতের মামলায় যে ধারা ব্যবহার করার কথা, তাও দেওয়া হয়নি। সৌরভ দাসের দাবি, ডিসিপি শচীন শর্মা এবং এসিপি অজয় শর্মা তাদের অনুরোধ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন, যান, আদালতের আদেশ নিয়ে আসুন।
পাশাপাশি আহত ব্যক্তির মেডিকেল রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। স্বতন্ত্র ভরদ্বাজের সঙ্গে ওইদিন আরো অনেকে ছিলেন বলে দাবি করে সৌরভ দাস অভিযোগ করেছেন যে সেই সহযোগীদের এখনো শনাক্ত করা হয়নি।
সিজেপির বিক্ষোভ
নিশু আজাদ এবং তার বাবার জন্য ন্যায়বিচার চাইতে শুক্রবার দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় এসে উপস্থিত হন সিজেপির সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। সিজেপির সমর্থকদের অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সেখানে আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিকদের বলেন, "যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলার সময় নিশুর বাবা সঞ্জয়কে মারধর করা হয়েছিল। আমরা ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে আসছি। দিল্লির পরিস্থিতি এখন এমন যে, অপরাধী প্রকাশ্যে নিজের অপরাধ স্বীকার করছে। কিন্তু বিজেপির ইশারায় দিল্লি পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা নিশু এবং তার বাবার পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা পুলিশের কাছে হত্যা মামলা দায়ের করার দাবি জানাচ্ছি।"
সিজেপির সমর্থকরা থানার বাইরে বিক্ষোভও দেখান।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশু আজাদ বলেন, "পুলিশ কর্মকর্তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্বতন্ত্রকে গ্রেফতার করা হবে। তারা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং আমরা আশা করি এতে আর দেরি হবে না। বেশ কয়েকদিন ধরে তার সমর্থকরা আমাকে গালিগালাজ করছে, ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে।"
"আমি তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-ও দায়ের করেছি। এই ঘটনা আমাকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে। আমি কয়েক সপ্তাহ স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম এবং মনে হচ্ছিল সবাই আমাকে বিচার করছে। আমি আশা করি পুলিশ এখন ব্যবস্থা নেবে এবং নিশ্চিত করবে যে আমাকে আর কোনো কষ্ট ভোগ করতে না হয়।"
পুলিশের বক্তব্য
সৌরভ দাসের পোস্টের জবাবে, নিউ দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি নিউ দিল্লি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, "২৩শে জুন, যন্তর মন্তরে সিজেপি-র প্রতিবাদ চলাকালীন গাজিয়াবাদের বাসিন্দা শ্রী সঞ্জয় কুমার (৩৮) একটা কথিত ধস্তাধস্তির সময়ে এক ব্যক্তির পরা ব্রেসলেট দ্বারা মাথায় আঘাত পান। আরএমএল হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে পরীক্ষা করে আঘাতকে সাধারণ প্রকৃতির বলে বর্ণনা করেছেন। ওই আঘাত কোনো অস্ত্রের দ্বারা হয়নি, বরং ব্রেসলেটের দ্বারা হয়েছে। মাথার খুলি ভাঙার অভিযোগ কোনো তথ্য বা মেডিকেল-লিগাল কেস সমর্থিত নয় এবং তা সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন।"
তিনি লিখেছেন, "তার (সঞ্জয়ের) জবানবন্দির ভিত্তিতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় একটা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে এবং তদন্তের সময় সুরজ কুমার (২৪) ও স্বতন্ত্র ভরদ্বাজকে (২১) আইন অনুযায়ী নোটিশ জারি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং শিগগিরই উপযুক্ত আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করা হবে।"
দিল্লি পুলিশের তরফে এই ঘটনায় কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।
এক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, "এই মামলায় কোনো অযাচিত প্রভাব বা হস্তক্ষেপের অভিযোগ তথ্যগতভাবে ঠিক নয় এবং ভিত্তিহীন। বিষয়টা কঠোরভাবে আইন ও নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী সমাধান করা হয়েছে।"
সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ দিল্লি পুলিশের পোস্টে মন্তব্য করে বলেছেন, "অপরাধী বলছে আমি অপরাধ করেছি, দিল্লি পুলিশ বলছে না, আপনি অপরাধ করেননি।"
রাজনৈতিক বিতর্ক
রাজনৈতিকবিশ্লেষণ পরিষেবা
নিশু আজাদ ন্যায়বিচার পেতে সাহায্যের জন্য রাহুল গান্ধীর কাছে আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এর পর রাহুল গান্ধীও এক্স- এ পোস্ট করেন।
রাহুল গান্ধী লিখেছেন, "নিশু, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো দরকার নেই। আমি তোমার সঙ্গে আছি। এটা স্পষ্ট যে তোমাকে নিশানা করা হয়েছে কারণ তুমি তোমার সম্প্রদায় এবং শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে কথা বলো। একদিকে অমিত শাহের দিল্লি পুলিশ শিক্ষার্থীদের উপর অমানবিক বর্বরতা চালায়। অন্যদিকে, যে অপরাধী এক দলিত মেয়ের বাবার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে, সে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।"
তিনি বলেন, "নরেন্দ্র মোদীজি এবং অমিত শাহজি আপনারা এবং আপনাদের দলের সদস্যরা কেন এমন একজন অপরাধীকে রক্ষা করছেন? এখন কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কি আপনারা অন্য কাউকে রক্ষা করে যাবেন? নিশু, তোমার লড়াই একা নয়। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।"
দিল্লি পুলিশের টুইটের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সকেত গোখলে লিখেছেন, "দিল্লি পুলিশ, তোমাদের কি কোনো লজ্জা নেই? অভিযুক্ত নিজেই ভিডিওতে খোলাখুলিভাবে বলছেন যে একজন বিজেপি মন্ত্রী তাকে বাঁচিয়েছেন এবং পুলিশ তাকে সহজেই ছেড়ে দিয়েছে। এটা অত্যন্ত হতবাক করার মতো। একজন ব্যক্তি খোলাখুলিভাবে বলছেন যে তিনি এটা করেছেন, আর দিল্লি পুলিশ বলছে যে তারা এটা করেনি।"
আম আদমি পার্টি তাদের এক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছে, "প্রধানমন্ত্রী আমাদের বড় ভাই। এই কথাগুলো বলছে একজন রাস্তার গুন্ডা, যে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও তার নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে প্রতিদিন গুন্ডামি করছে। প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের গুন্ডাদের সুরক্ষা দিচ্ছেন।"
সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব এক্সে লিখেছেন, "বিজেপি কি সরকার, নাকি অপরাধীদের উকিল?"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল অভিযোগ করেছেন যে, ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে আহসান এইচ মনসুর পাঁচটি ব্যাংককে একত্রিত করেছেন। তিনি এই অভিযোগটি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।মাসুদ কামাল বলেন, "আহসান এইচ মনসুর যখন ব্র্যাক ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন, তখন নজরুল ইসলাম মজুমদারের সঙ্গে তার একটি ঝামেলা হয়েছিল। ওই প্রতিশোধ নিতে তিনি এক্সিম ব্যাংককে দমিয়ে দিয়েছেন।"তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এক্সিম ব্যাংক একটি ভালো ব্যাংক ছিল। কিন্তু তাকে খারাপ করে পাঁচটি ব্যাংককে সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে পরিণত করা হয়েছে।"জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাসুদ কামাল আরও বলেন, "এই পাঁচটি ব্যাংকের ৭৫ লাখ গ্রাহক এখন ‘ফে ফে’ করে রাস্তায় ঘুরছে। যারা এক্সিম ব্যাংকে টাকা রাখে, তারা কি নজরুল ইসলাম মজুমদারকে চেনে? তারা কাউকে চেনে না, তারা চেনে সরকারকে, তারা চেনে রাষ্ট্রকে—যে রাষ্ট্র এই ব্যাংকগুলিকে অনুমতি দিয়েছিল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদল লংমার্চের মাধ্যমে বেহেশতের ঠিকানা খুঁজতে যাবে: গয়েশ্বর
রাজশাহী বিভাগের সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
বেহেশতে যাওয়ার জন্য টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল। সেই বেহেশতের ঠিকানা কোথায়, তা খুঁজে বের করার জন্য বিরোধীদল লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জিয়া মঞ্চের রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।বিএনপির প্রতি আস্থা রাখা জনগণের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যেসব জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ, ভুল করে অবিশ্বাস করবেন না। একটু সময় দিন। অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের সমস্যাগুলো সমাধানে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই সফল হবেন।
লংমার্চের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেহেশতে যাওয়ার জন্য যে টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল, সেই বেহেশতের ঠিকানা কোথায়, সেটি খুঁজে বের করার জন্য বিরোধীদল লংমার্চ করবে।
দেশে নতুন ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে গয়েশ্বর বলেন, ষড়যন্ত্র অদৃশ্যভাবে তৈরি হচ্ছে। যখন ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান হবে, তখন বোঝা যাবে তারা কতটা শক্তিশালী। তার আগে বোঝা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর প্রকাশ্যে আসা ‘গুপ্তরা’ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ দখল করেছে। তারা ছাত্রলীগের পদ গ্রহণ করেছিল। তবে তাদের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, বর্তমান সরকার তাদের দয়ার দান।
প্রশাসনের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী ভূত পেয়েছি। এই প্রশাসন পেশাদার হতে পারেনি। পেশাদারিত্বের অভাবে তাদের দ্বারা ভালো কাজ করানো কঠিন। অনেকেই আপা (শেখ হাসিনা) ফিরে আসবেন, সেই অপেক্ষায় রয়েছেন।’
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাহস থাকলে হাসিনা ফিরে আসুক। আমরাও চাই তিনি ফিরে আসুক। জনগণ কী করতে চায়, সেটি তখনই বোঝা যাবে। তার আগে বোঝা যাবে না।’
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়েও কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘লাখ কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেননি হাসিনা। এখনও এটি চালু করার মতো আপ টু ডেট হয়নি।’
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের হদিস করতে পারেনি। তবে কিছুদিন আগে দুটি নাম সামনে এসেছে। এর মধ্যে একজন একসময়ের প্রতাপশালী মেজর জেনারেল জিয়াউল হাসান এবং অন্যজন রোকেয়া প্রাচী। তদন্ত এগোলে হত্যাকাণ্ডের রহস্যের বিস্তারিত জানা যাবে।
তিনি অভিযোগ করেন, ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সরকারের অপকর্মের ডকুমেন্টারি উদ্ধার করে সরকারকে বিব্রত না করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি শেখ হাসিনাপ্রেমী সাংবাদিকরা নিহত রুনির বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছিলেন। এ কাজের সঙ্গে জড়িত একজন সাংবাদিক পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাও হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পশ্চিম আলগী গ্রামের ঝালোডাঙ্গা বিলে এই নৌকাবাইচের আয়োজন করা হয়।নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে বিলের দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ভিড় জমে ওঠে। কিশোর, যুবক এবং বয়োজ্যেষ্ঠরা দল বেঁধে আসেন। নৌকার দ্রুত চলাচল এবং প্রতিযোগিতার উত্তেজনায় পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন পর গ্রামীণ এই ঐতিহ্য উপভোগ করতে পেরে দর্শনার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করেন।প্রতিযোগিতায় মোট আটটি নৌকা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা এবং উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুধীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল বলেন, ‘গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মের কাছে নৌকাবাইচের সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে। আমাদের হাজার বছরের জারি, সারি, ভাটিয়ালি ও নৌকাবাইচ গ্রামীণ জনপদের ঐতিহ্য। সবাইকে এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ভাঙ্গার কুমার নদে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ বহু বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ভাঙ্গার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য নৌকাবাইচ ফিরিয়ে আনা হবে।স্থানীয় সমাজসেবক শামীম মাতুব্বরের সার্বিক সহযোগিতা এবং পশ্চিম আলগী গ্রামের যুবসমাজের উদ্যোগে এই নৌকাবাইচের আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী নৌকার মালিকসহ অংশগ্রহণকারী প্রতিটি নৌকার মালিককে একটি করে ফ্রিজ পুরস্কার দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
> জাতীয়
আইনমন্ত্রী বলেছেন, জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতি অপরিহার্য।শুক্রবার বাংলা একাডেমিতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীতআইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শুক্রবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের আলোচনা ভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার(বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী।
ডিজিটালম্যাপ দেখুন
মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, "শুধু জিন্দাবাদ স্লোগানে আগামীর প্রজন্মকে আমরা যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারব না। এর জন্য প্রয়োজন জ্ঞানের বিকাশ। আগামীর বিশ্বে বিএনপিকে এগিয়ে নিতেও প্রয়োজন জ্ঞানের বিকাশ।"
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, "এই বইমেলাটি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক হিসেবে থাকবে।"
তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের যা কিছু শ্রেষ্ঠ অর্জন তার সবই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের হাত ধরেই এসেছে। ১৯৭১ সালে গোটা জাতি যখন দ্বিধাবিভক্ত ছিল, তখন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে এ দেশের মানুষকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।"
মন্ত্রী বলেন, "স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জিয়াউর রহমান যখন ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশে রক্তের হোলিখেলা চলেছে। জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় কেরানীগঞ্জের সিদ্দিক মাস্টার বাংলাদেশে প্রথম গুমের শিকার হয়েছিলেন। কারণ তিনি শেখ মুজিবের দর্শন পছন্দ করতেন।"
তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রথম বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন সিরাজ শিকদার। সে বিষয়ে শেখ মুজিব পার্লামেন্ট উচ্চকণ্ঠে বলেছিলেন, ‘কোথায় আজ সিরাজ শিকদার’। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়ে ৩০ হাজার তরতাজা প্রাণকে জীবন দিতে হয়েছিল।"
বাণিজ্যবিষয়ক খবর
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, "খন্দকার মোশতাকের ষড়যন্ত্রে শেখ মুজিব নিহত হয়েছিলেন। সে সময় সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্যু-পাল্টা ক্যু শুরু হয়। উত্তাল সেই দিনগুলোতে যখন এ দেশের মানুষ আবারও দিশেহারা হয়ে যায় তখন জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করেছিলেন। এটাই জিয়াউর রহমানের রাজনীতি।"
মন্ত্রী বলেন, "শহীদ জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নিয়ে এ দেশের গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন করেছেন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমান এসে সকল দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছেন। মানুষের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।"
তিনি বলেন, "দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিকেরা জীবন দিয়েছেন। বিএনপির ৭০০-এর বেশি নেতাকর্মী গুম হয়েছে। ৬০ লাখের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছিল। গত জুলাই আন্দোলনে এই প্রজন্মের ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে পঙ্গু করা হয়েছে। শহীদ জিয়া যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন সে স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখতে ছাত্রদলকে গড়ে তোলা দরকার।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের জাতিসত্তার রূপকার। জিয়াউর রহমান প্রকৃত অর্থে গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশের একমাত্র স্টেটসম্যান। স্বাধীনতা-উত্তর শ্বাপদসংকুল রাজনৈতিক, সামরিক পথপরিক্রমা, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে দিশাহীন জাতিকে দেখিয়েছিলেন আলোর পথ।"
কাদের গনি বলেন, "জিয়াউর রহমান ছিলেন সত্যিকার অর্থেই আমাদের বাতিঘর। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন কৃষি, শিল্প, মানবসম্পদ উন্নয়নে স্বনির্ভরতার দিকে। দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।"
রাজনৈতিকসংবাদ পড়ুন
তিনি বলেন, "জিয়াউর রহমান এ দেশে একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ চেয়েছিলেন। সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য এ দেশে যা কিছু প্রয়োজন তার সবই করেছেন তিনি।"
কাদের গনি আরও বলেন, "জিয়াউর রহমান আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি। জিয়াউর রহমানকে যে বিশেষণেই বিশেষায়িত করা হোক না কেন, তাতে তাঁর যোগ্যতার পূর্ণ প্রকাশ ঘটে না, কারণ তাঁর কীর্তি বিপুল ও বিশাল।"
তিনি বলেন, "জাতির প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তিনি বারবার দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে মাথা উঁচু করে। অসীম সাহসিকতা, দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেম নিয়ে তিনি সময়ের প্রয়োজনে আলোর দ্যুতি নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। বিপর্যস্ত জাতিকে রক্ষা করেছেন সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে। আমাদের অহংকারের অধ্যায়কে তিনি আলোকিত ও সমৃদ্ধ করেছেন। অল্পদিনের জীবনে বিশাল তাঁর অর্জন। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তিনি কর্মগুণে জ্যোতির্ময় হতে পেরেছিলেন; যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।"
জিয়াউর রহমান এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন উল্লেখ করে কাদের গনি বলেন, "১৯৭১ সালে ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেলেও গণতন্ত্র পায়নি। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে দেশের সব রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণবিমুখ একদলীয় বাকশালী ব্যবস্থা চালু করেন। সে দিনগুলোতে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক মতপ্রকাশের কোনো স্বাধীনতা ছিল না।"
তিনি বলেন, "গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। একদল, এক ব্যক্তির শাসনে গোটা দেশ এক বন্দিশালায় পরিণত হয়েছিল। জনগণ গণতন্ত্রের স্বাদ উপভোগ করতে পারেননি। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্রের দরজা উন্মুক্ত করে দেন। তিনি উপলব্ধি করেন যে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে অবশ্যই মত ও পথের শত ফুল ফুটতে দিতে হবে। এই লক্ষ্য ও মানসেই তিনি ১৯৭৬ সালে ‘রাজনৈতিক দল বিধি ১৯৭৬’ জারি করেন। এর ফলে আওয়ামী লীগসহ দেশে সব রাজনৈতিক দলের পুনরুজ্জীবনের সুযোগ ঘটে।
ডিজিটালম্যাপ দেখুন
কাদের গনি আরও বলেন, "জিয়া রাজনীতিকে প্রাসাদে বন্দি না করে সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। জিয়ার প্রতি জনগণের ভালোবাসার কারণে বিএনপি শুরু থেকেই জনপ্রিয়তা পায়। পরবর্তীতে বিএনপির গণমুখী কর্মকাণ্ডের কারণে দলটি মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়। তাই জনগণ যখনই ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে।"
জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ