ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমার সম্মান নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে: পরীমনি


আমার সম্মান নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে: পরীমনি

জনপ্রিয় ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি বর্তমানে অনেকটাই দূরে সরে গেছেন। যদিও বর্তমানে রুপালি পর্দায় তাকে দেখা না গেলেও তিনি সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনায় রয়েছেন। এবার আবারও আলোচনায় এলেন তিনি।

 

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ১২টা ২০ মিনিটে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন পরীমনি। চার বছর আগে র‌্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া নিয়ে সেই পোস্টে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তিনি। ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাকে ‘সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে’ এবং ‘বিশেষ মহলের স্বার্থে’ গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। সেই ঘটনায় তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রের কাছে জানতে চেয়েছেন তিনি— তার হারিয়ে যাওয়া সম্মান, মানসিক শান্তি আর জীবনের মূল্যবোধ আদৌ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব কিনা।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

 

র‌্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— সম্প্রতি একটি অনলাইন টকশোতে তিনি এমন কিছু তথ্য প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, যার মাধ্যমে দেশের মানুষ জানতে পেরেছেন— বনানীতে তার বাসায় দীর্ঘ অভিযানের পর তৎকালীন র‌্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশে তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

 

তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন— সবকিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

 

পরীমনি বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেফতার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময় আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারও পক্ষে পুরোপুরি জানা সম্ভব নয়।’

 

অভিনেত্রী বলেন, গ্রেফতারের পর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি ওই ঘটনার একজন ভুক্তভোগী হিসেবেই জীবন কাটাচ্ছেন। যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

 

রাষ্ট্রকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’

 

প্রতিশোধ নয়, সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই— ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

 

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’

 

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে অভিনেত্রী পরীমনিকে গ্রেফতার করেছিল র্যাব-১। পরে র্যাবের কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছিলেন। মাদক মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে— পরীমনির বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এ সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

 

এদিকে ২০২১ সালের ৮ জুন ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরীমনির আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

 

অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ নিয়ে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ। তার অভিযোগ, বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনামূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। সেই মামলাটিও বিচারাধীন।

আরও পড়ুন: জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডায়াবেটিস রোগীরা কোন সময়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পারেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ এম


ডায়াবেটিস রোগীরা কোন সময়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পারেন

রক্তে শর্করার মাত্রা কিংবা ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যাওয়া রোধ করতে মিষ্টি কখনোই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ সঠিক খাবার খাওয়ার ক্রম বা ফুড সিকোয়েন্সিং এবং সঠিক সময় মেনে চললে, মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার পরও শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ফলে ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

যেহেতু সব সময়ে চিনি মেশানো খাবার গ্রহণ করলে শুধু ডায়াবেটিসের সমস্যা নয়, আরও অনেক ধরনের ক্রনিক অসুখ দেখা দিতে পারে, তাই এটি রোধ করতে মিষ্টিজাতীয় খাবার খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। এর ফলে সঠিক ডেজার্ট খাওয়ার গুরুত্বও বেড়ে যায়।

আপনি যদি খাবারের তালিকায় প্রাকৃতিক শর্করা যুক্ত খাবার অন্তর্ভুক্ত করেন, তাহলে তা আপনার জন্য উপকারী হবে। যেমন, ফল দিয়ে ডেজার্ট তৈরি করা যেতে পারে। চিনির পরিবর্তে খেজুর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। টকদই, চিয়াসিড ইত্যাদির সাহায্যে পুডিংও বানানো যেতে পারে। যদি চকোলেট খেতে ইচ্ছে হয়, তাহলে ডার্ক চকোলেট বেছে নেওয়া ভালো।

এবং এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, ডায়াবেটিস হলে আপনার জন্য কোনো ধরনের মিষ্টি খাওয়া যাবে না— এই ধারণা সঠিক নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ানোর জন্য শুধুমাত্র মিষ্টি খাবার দায়ী নয়; দৈনন্দিনতার কিছু নিয়ম মেনে চললে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সঠিক খাবার নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে।

যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নয়, তথাপি কেউ কেউ মিষ্টি খেলে তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। অতএব সঠিক উপায়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার ব্যপারে সচেতন থাকা উচিত। প্রোটিন, ফাইবার ও হেলদি ফ্যাট যুক্ত খাবার খাওয়ার পরে মিষ্টি খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন মিষ্টি খেতে চান, শাকসবজি ও প্রোটিন খাওয়ার পর মিষ্টি খান। যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স আছে অথবা পলিসিস্টিক ওভারির সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্যও এই নিয়ম কার্যকর।

মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন। আমাদের শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। সকালে ইনসুলিনের কার্যকারিতা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। ফলে সকালে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া গেলে সেটি ভালোভাবে হজম হয় এবং শরীরও ভালোভাবে শর্করা শোষণ করতে পারে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। কিন্তু বিকালের পর কিংবা রাতে মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে শর্করা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই রাতে ডেজার্ট না রাখাই হবে ভালো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির দিনে কেন খিচুড়ি খেতে মন চায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ এম


বৃষ্টির দিনে কেন খিচুড়ি খেতে মন চায়?

বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি একটি সাধারণ খাবারের হিসেবে পরিচিত, কিন্তু এর স্বাদ অসাধারণ। কারো কাছে বৃষ্টি মানেই হলো ইলিশ-খিচুড়ি খাওয়া, আবার কিছু মানুষের জন্য বৃষ্টির দিন হলেই আয়েশি ঘুমের আয়োজন। বৃষ্টি হোক বা না হোক— খিচুড়ির জন্য রয়েছে বিশেষ প্রাধান্য। আর বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খাওয়া যেন অন্যরকম একটি অনুভূতি তৈরি করে।

বৃষ্টির দিন হলেই কিছু মানুষের মনে খারাপ লাগে। যদি খিচুড়ির কোনো আয়োজন না থাকে, তাহলে মোড়ল করে মনে হয় যে বৃষ্টি হলে খিচুড়ি খাবার কথা যেন কেউ ভুলে যাবে না। তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমের পর যখন স্বস্তির বৃষ্টি মুখস্থিভাবে আসে, তখন সবাই খিচুড়ি খেতে চায়।

মেঘলা আকাশ, মুষলধারে বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে— এমন সব দিনে খিচুড়ির সাথে সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই বৃষ্টি বার্তা দেয়— খিচুড়ি খাওয়ার জন্য। কিন্তু কি কারণে এমন অনুভূতি হয়? বৃষ্টি হলেই কেন খিচুড়ি খাওয়ার ইচ্ছে? এই প্রশ্নে বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি যা হবার উদ্দেশ্য হলো এর খাদ্যগুণ। আসলে চাল এবং ডাল একসাথে থাকার ফলে এর মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ থাকে যথেষ্ট। গরম গরম খিচুড়ি খেতে ভালো লাগে। ঠাণ্ডা খিচুড়ি সাহসে আসে না, তার স্বাদ কম্পিত লাগে! তাই গরম খিচুড়ি অনেক ধরনের রোগ ঢেলে দিতে পারে। বিশেষ করে গলা ধরার সমস্যায় গরম খিচুড়ি খাওয়া বেশ উপকারী হতে পারে।

আর বৃষ্টির সময় জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। গরম খিচুড়ি সেসব রোগ মোকাবিলার জন্য সহায়ক এমন কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা। এই কারণে এক সময় খিচুড়িকে পথ্য হিসেবে দেখা হয়েছিল।

অনেকে বৃষ্টি পড়লে শৈশবের স্মৃতিচারণ করেন। মায়ের হাতে রান্না করা খিচুড়ি তাহাদের মনে ঘুরপাক খায়। তাই বৃষ্টি হলেই খিচুড়ি খাওয়ার ইচ্ছা বাড়তেই থাকে। সে কারণে খিচুড়ি খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। হজমের জন্য খিচুড়ি উপযুক্ত খাবার মনে হয়।

প্রকৃতপক্ষে, বৃষ্টির সময় মনে তখন খিচুড়ির প্রতি আকর্ষণ তৈরি হয়। মুখরোচক এই খাবারের রয়েছে নানা ধরণের। কেউ ভালোবাসেন পোলাওয়ের চাল আর মুগ ডালের ভুনা খিচুড়ি, আবার কেউ পছন্দ করেন ঝোলসমেত পাতলা ল্যাটকা খিচুড়ি। অনেকের আবার সবজি কিংবা মাংস দেয়ার শখও থাকে।

বৃষ্টির সঙ্গে খিচুড়ির সম্পর্ক আসলে কী? এর ইতিহাস অনুসন্ধান করে দেখা যায়, খিচুড়ি মূলত বাউলদের খাবার হিসেবেই পরিচিত। বাউলরা পথে ঘুরে গান গেয়ে বেড়াতেন এবং সেই সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে গান শোনাতে গিয়ে লোকজন তাদের চাল-ডাল দিত। তারা সেসব একসাথে মিশিয়ে রান্না করে খেতেন। পরে এর নামকরণ হয় 'খিচুড়ি'।

অন্যদিকে, কান পেতে শোনা যায়— গ্রামাঞ্চলের মানুষ বৃষ্টির মৌসুমে চারপাশের পানিতে কানায় কানায় ভরে গেলে বাজারে যেতে কষ্টকর হতো। তাই ঘরে থাকা চাল ও ডাল দিয়ে গৃহিণীরা খিচুড়ি রান্না করতেন।

এছাড়া, বৃষ্টিতে কাঠ ভিজে গেলে রান্না করতে বেশ সময় লাগে। তাই চাল-ডাল দিয়ে সহজেই তৈরি করা যেত খিচুড়ি। মাঝে মাঝে গাছে থাকা সবজি বা আলু কেটে খিচুড়িতে মিশানো হত। এইভাবে সহজে প্রস্তুত হতো সবজি খিচুড়ি। ঝড়বৃষ্টির মাঝে দ্রুত রান্নার জন্য খিচুড়ি আদর্শ পদ। বহু বছরের ঐতিহ্য একসময় পরিণত হয় অলিখিত নিয়মে— খিচুড়ি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমবে হতাশা বাড়বে পেশির শক্তি, জেনে নিন যোগাসনের সহজ এই পদ্ধতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ এম


কমবে হতাশা বাড়বে পেশির শক্তি, জেনে নিন যোগাসনের সহজ এই পদ্ধতি

দিনভর অফিসের ডেস্কে বসে কম্পিউটারের দিকে শুধু তাকিয়ে কাজ করা হয়ে ওঠে না। আবার বাড়ি ফিরেও হাজার কাজ নিয়ে অবসন্ন হয়ে পড়া। সকালে বা বিকালে ৪০-৪৫ মিনিট সময় বার করা আদৌ সহজ বিষয় হতে পারে না! শরীরের জন্য কী ধরনের ব্যায়াম করা ভালো, তা খুঁজে বের করাতেই সময় চলে যায়। এদিকে অফিসে টানা ৮-৯ ঘণ্টা বসে কাজ করার ফলে শরীরের যে কত ক্ষতি হচ্ছে, তা বলার মতো ভাষা নেই। টানা ঘণ্টা দুয়েক যদি কেউ চেয়ারে বসে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে, তাহলে যেমন চোখের ওপর চাপ পড়ে, তেমনই নিতম্বের পেশির অসাড়তা বাড়ে। এই সমস্যাকে বলা হচ্ছে— ‘অফিস চেয়ার বাট সিনড্রোম’।

এ সমস্যায় নিতম্বের পেশির আকারও বদলে যাচ্ছে। ফলে বদলাচ্ছে নিতম্বের গড়ন। এর থেকে বাঁচতে যোগাসনের একটি সহজ পদ্ধতি আছে। চেয়ারে বসেই সেই পদ্ধতি করা যায়। নাম হচ্ছে 'সিটেড হিপ সার্কল'।

দীর্ঘ সময় ধরে যারা বসে কাজ করছেন, তাদের মাঝে একটি অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর থেকে মুক্তি পেতে নানা ধরনের স্ট্রেচিং করার পরামর্শ দিচ্ছেন ফিটনেস প্রশিক্ষকরা। তবে যোগাসনের একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে, যা নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে পা, কোমর ও নিতম্বের পেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে পেশির শক্তি বাড়ানো যাবে—

পিঠ টানটান রেখে চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। মাথা ও ঘাড় সোজা রাখবেন। দুই হাত থাকবে ঊরুর ওপর। এরপর চেয়ারের সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে আসুন। হাঁটু সোজা রেখে ডান পা যতটা সম্ভব সামনের দিকে বাড়িয়ে দিন। এ অবস্থানে ডান পা ধীরে ধীরে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরাতে হবে চেয়ারে বসেই। এমনভাবে এটা করতে হবে, যাতে নিতম্বের পেশিতে টান অনুভব হয়। এই যোগাসন করার সময় শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। ডান পা ৫-৭ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানোর পর ডান পা সোজা করে এবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরাতে হবে। একইভাবে বাঁ পায়েও আসনটি করতে পারবেন।

উপকারিতা:

অভ্যাসটি করলে পা, কোমর ও নিতম্বের পেশির স্ট্রেচিং হবে। দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে কোমরে ব্যথা হলে এই আসন অভ্যাসে পরিণত করা যেতে পারে। নিয়মিত করলে সায়াটিকার ব্যথাও সেরে যাবে। এবং কাফ মাসলেরও ব্যায়াম হবে এতে। এছাড়া গোড়ালির ব্যথা সারবে নিয়মিত এই অভ্যাসে। সেই সঙ্গে শরীরের নিম্নাংশের মেদও কমতে পারে।

কিন্তু সবাই এ যোগাসন করতে সক্ষম নাও হতে পারেন। যদি কারও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি এ আসনটি করতে পারবেন না। তাদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না। এছাড়াও, হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা আছে, এমন ব্যক্তি এ আসনটি করতে পারবেন না। এতে তাঁদের সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এ নেপালি অভিনেত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ এম


‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এ নেপালি অভিনেত্রী

তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর নতুন মৌসুমে এসেছে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চমক। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’-এ সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর ‘চ্যাপ্টার ১৩’-তে নেপালি মডেল ও অভিনেত্রী রাজেশ্রী থাপা যুক্ত হয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার একযোগে এই সিরিজের ৯৭ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত মোট চারটি নতুন পর্ব অবমুক্ত করা হয়েছে। এর পর থেকে দর্শক মহলে নতুন এই নারী চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকের নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি নিশ্চিত করেছেন যে, নাটকে রাজশ্রীর চরিত্রের নাম রাখা হয়েছে ‘কিরান’।

নির্মাতা অমি তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে রাজশ্রীর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছেন এবং দর্শকদের এই নতুন চমকের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, "ব্যাচেলর পয়েন্ট-এর নতুন আগুন, কিরান। কিরানকে দেখতে চোখ রাখুন বঙ্গ-তে।" পরিচালকের সেই পোস্টে নেপালি এই অভিনেত্রী নিজেও মন্তব্য করে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, রাজেশ্রী থাপা তার নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও একটি বিশেষ ছবি প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশের দর্শকদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন। এটি দুই দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে।

জানা গেছে, এই বিশেষ পর্বগুলোর দৃশ্যধারণের জন্য মারজুক রাসেল, চাষি আলম, জিয়াউল হক পলাশ এবং শামীম হাসান সরকারসহ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পুরো টিমকে নিয়ে নেপালে গিয়েছিলেন অমি। নেপালের মনোরম লোকেশনে গল্পের নতুন মোড় এবং রাজশ্রীর অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি দর্শকদের জন্য এবার থাকছে আরও একটি বড় আকর্ষণ। এবারের পর্বগুলোতে ফুটবল বিশ্বকাপের তুমুল উন্মাদনা যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে ব্যাচেলর পয়েন্টের চিরচেনা ও জনপ্রিয় চরিত্রগুলোকে চিরাচরিত আমেজে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপাতে ও তর্কে জড়াতে দেখা যাবে।

সব মিলিয়ে নতুন এই চ্যাপ্টারটি দর্শকদের বিনোদনের পারদ আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%