০৫:০৩ পি.এম
ন্যাটো সদস্য দেশগুলো আগামী ২০২৬ সালে ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক সহায়তা দেবে। আগামী ৭ এবং ৮ জুলাই আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জানা যাচ্ছে জোটের সদস্য দেশগুলোর নেতারা যৌথ প্রতিরক্ষার প্রতি তাদের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবেন।
শুক্রবার ন্যাটো রাষ্ট্রদূতদের অনুমোদিত এবং রয়টার্সের পর্যালোচনা করা একটি খসড়া ঘোষণাপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এটি কার্যকর হতে হলে নেতাদের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন।
খসড়া অনুযায়ী, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো ২০২৬ সালে ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক সহায়তা দেবে। এছাড়া ২০২৭ সালেও অন্তত একই পরিমাণ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকবে। ঘোষণাপত্রের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী, একজন সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে তা সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।
আরও পড়ুন: আইআরজিসির ৭ জাহাজে হামলা, মার্কিন ঘাঁটিতে ধ্বংসের হুমকি
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন এবং ইউরোপের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। এমনকি তিনি ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে নতুন খসড়া ঘোষণাপত্রে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৩২টি সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূতরা যৌথ প্রতিরক্ষার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, শক্তিশালী ন্যাটোর মাধ্যমে আরো শক্তিশালী ইউরোপ গড়ে তোলা হবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলো ও কানাডা জোটের নিরাপত্তায় আরো বেশি দায়িত্ব নেবে। এ ছাড়া খসড়ায় বলা হয়েছে, ইরানের হাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকা দখলের দাবি করেছে রুশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার (৩ জুলাই) রুশ বাহিনী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এ সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দোনেৎস্ক অঞ্চলে অগ্রযাত্রার অংশ হিসেবে শহরটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল মস্কো।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায় যে, একটি সামরিক কমান্ড পোস্ট পরিদর্শনের সময় পুতিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যুদ্ধ পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য নেন। তিনি কস্তিয়ানতিনিভকা দখলকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। পুতিন বলেন, ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার হামলা, বিশেষ করে রাশিয়ার তেলশিল্পকে লক্ষ্য করে হামলা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা বলয় আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। তবে রাশিয়ার এই দাবির সম্পর্কে ইউক্রেন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। সূত্র: আরব নিউজ, রয়টার্স
আরও পড়ুন: ইইউ’র শীর্ষ মানবাধিকার পুরস্কার জিতল আইসিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন