শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২০ পি.এম
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ডেঙ্গুমুক্ত নগর ও অবৈধ দখলমুক্ত ফুটপাত গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব নয়; এ জন্য নগরবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।"
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডিএনসিসির আয়োজনে ডেঙ্গু মশার লার্ভা ধ্বংস ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রশাসক আরও জানান, গত তিন মাস ধরে ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা উত্তর গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ডিএনসিসি। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় ডেঙ্গু মশার লার্ভা খুঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানাও করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাকে ডেঙ্গুমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিদিন বিভিন্ন অঞ্চলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে।" এ কাজে নগরবাসীকে সচেতন ও সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম খান নগরবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে বলেন, স্থানীয় প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চিঠিটি মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়তে নগরবাসী সহযোগিতা করবেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক মেট্রো রেলের পিলারে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পোস্টার-লিফলেট দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, নগরের সৌন্দর্য রক্ষায় যা যা করণীয়, সিটি করপোরেশন তা করবে।
তিনি আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেট্রোরেলের সব পিলার থেকে অবৈধ পোস্টার ও লিফলেট অপসারণের নির্দেশ দেন।
‘এখন আর নোটিশ নয়’
ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, "ফুটপাত জনগণের অধিকার। সেখানে নিরাপদে জনগণের চলাচল নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব।"
তিনি জানান, ফুটপাত দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য করা ব্যক্তিদের আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নোটিশ পাওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন আর নোটিশ দেওয়া হবে না। যেখানেই ফুটপাত দখল করা হবে, সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
মিরপুর ১০-এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধন শেষে মেট্রোরেলের নিচে ব্যবসায়ীদের ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য বিশেষ বিন স্থাপন করা হয়। পরে প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র্যালি বের করা হয়।
র্যালি শেষে মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পুনরায় সেখানে অবৈধ স্থাপনা বসানো হলে আবারও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানান প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান উল্লেখ করেছেন যে, ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ গ্রহণ করে একটি গোষ্ঠী ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মিথ্যাচার করছে। তিনি সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন মিথ্যাচার করতে না পারে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা হলরুমে দুস্থ-অসহায় ব্যক্তিদের মধ্যে নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুল ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি একটি জবাবদিহিমূলক সরকারে বিশ্বাস করে, এবং তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে এদেশে সরকার গঠন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, "কোনো ভুয়া ভোটে নয়।"
তিনি বলেন, দেশের কিছু লোক মিথ্যা এবং ধোঁকাবাজির আশ্রয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের সুযোগ নিয়ে মিথ্যাচার করবে, তা হতে দেওয়া যাবে না। বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না, বরং আইনের রাজনীতি করে। যারা আইনকে অপব্যবহার করবে, তারা আইনের হাত থেকে ছাড় পাবে না।
অনুষ্ঠানে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফুলকাম বাদশা, পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লাহসহ বিভিন্ন নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ওয়াশিংটনে তিন দিনের জমকালো রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করেছেন।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কিত যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ঝুঁকি এড়াতে একটি বিশেষ ‘যোগাযোগ মাধ্যম’ বা চ্যানেল খুলতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। এই বড় ঘোষণা ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের পর আসে।
বৈঠকে প্রযুক্তি ও বাণিজ্যসহ ইরানের স্থবির যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে দুই নেতা খোলামেলা আলোচনা করেছেন। বৈঠকের পর তারা জানিয়েছেন, চলতি বছর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তারা আরও দুই দফা বৈঠকে মিলিত হবেন। তবে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে আনুষ্ঠানিকতা ও জাঁকজমক থাকলেও বড় ধরনের কোনো যুগান্তকারী অগ্রগতি দেখা যায়নি।
আলোচনার অংশ হিসেবে, আগামী নভেম্বরে শেষ হতে যাওয়া বাণিজ্য চুক্তির সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে, যাতে দুই দেশ আলোচনার জন্য আরও কিছুটা সময় পায়। সফর শেষে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, এই বৈঠক সি চিন পিংয়ের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে সুফল বয়ে আনবে। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং দুই দেশের সম্পর্ককে ‘সুস্থ প্রতিযোগিতা’ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এআই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও তা সঠিকভাবে পরিচালনার দায়িত্ব দুই পরাশক্তিরই রয়েছে।
বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মোকাবিলা করার জন্য ট্রাম্পকে তাগিদ দিয়েছেন সি চিন পিং। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, ইউক্রেন ও কোরিয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে আগামী দুই বছরে অন্তত ১ কোটি মেট্রিক টন মার্কিন কয়লা আমদানি করবে চীন এবং তিন হাজার কোটি ডলারের অসংবেদনশীল পণ্যে শুল্ক সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া, উপহার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চিড়িয়াখানায় দুটি পান্ডা পাঠানোর কথাও রয়েছে।
সফরে রাজনৈতিক বৈঠকের পাশাপাশি জাঁকজমকপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ভোজসভা, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দলিলপত্র দেখার সুযোগও ছিল। ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বয়স মাত্র আড়াই শ বছর হলেও চীনের ইতিহাস প্রায় ছয় হাজার বছরের পুরনো।
সব মিলিয়ে, এই বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো দুই দেশের মধ্যে আলোচনার দরজা খোলা রাখা। আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে এপেকের শীর্ষ সম্মেলন এবং ডিসেম্বরে মিয়ামিতে জি-২০ সম্মেলনে আবারও মুখোমুখি বসবেন এই দুই বিশ্বনেতা।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বেড়াতে আসা বাংলাদেশিরা বৈধ বাংলাদেশি ড্রাইভার লাইসেন্স ব্যবহার করে কিছু স্টেটে গাড়ি চালানোর সুযোগ পান। তবে, এই নিয়ম সারা দেশে একইভাবে প্রযোজ্য নয়। ভিজিটর হিসেবে আগমন করা হয়েছে কিনা, নাকি ওই স্টেটের স্থায়ী বাসিন্দা হয়েছেন, তার ওপর নিয়মের পরিবর্তন ঘটে।
নিউইয়র্ক স্টেট ডিএমভি জানায়, অন্য দেশের বৈধ লাইসেন্সধারী ভিজিটররা নিউইয়র্কে গাড়ি চালানোর অনুমতি পান। এ ক্ষেত্রে ভিজিটরদের জন্য নির্দিষ্ট ‘১২ মাসের’ সীমা ডিএমভির নির্দেশনায় অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে, নিউইয়র্কের স্থায়ী বাসিন্দা হলে ৩০ দিনের মধ্যে সেখানে ড্রাইভার লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৮ বছরের বেশি বয়সী ভিজিটররা নিজের দেশের বৈধ লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালাতে পারেন। কিন্তু, ক্যালিফোর্নিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা হলে ১০ দিনের মধ্যে স্টেটের লাইসেন্স নিতে হবে। টেক্সাসের নির্দেশনায় বিদেশি লাইসেন্স ব্যবহারের সর্বোচ্চ মেয়াদ এক বছর অথবা টেক্সাসের বাসিন্দা হওয়া পর্যন্ত, যেটি আগে ঘটে। নতুন বাসিন্দাদের সেখানে ৯০ দিনের মধ্যে টেক্সাসের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট বা আইডিপি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে। নিউইয়র্কে বিদেশি লাইসেন্সের সঙ্গে আইডিপি বাধ্যতামূলক নয়, তবে লাইসেন্সের তথ্য বুঝতে এটি সহায়ক বলে ডিএমভি জানিয়েছে। আইডিপি মূল ড্রাইভার লাইসেন্সের বিকল্প হিসেবে বিবেচিত নয়। বাংলাদেশে আইডিপি ইস্যুর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
সুতরাং, ‘বাংলাদেশি লাইসেন্সে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১২ মাস গাড়ি চালানো যায়’ কিংবা ‘আইডিপি না থাকলে কোনো ভাড়ার গাড়ি পাওয়া যায় না’—এমন একক নিয়ম ধরে নেওয়া সঠিক হবে না। গাড়ি চালানোর আগে সংশ্লিষ্ট স্টেটের ডিএমভির নিয়ম এবং গাড়ি ভাড়া নিলে ওই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সসংক্রান্ত শর্তগুলো পর্যালোচনা করা নিরাপদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বেসরকারি সংস্থা রাড্ডা এমসিএইচয়ের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার পর পুলিশের অবহেলা বা গাফিলতি রয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা অবশ্যই পুলিশের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমরা দেখছি এ ক্ষেত্রে পুলিশের কোনো অবহেলা ছিল কিনা।"
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ঘটনাস্থলের নিকটেই থানা থাকা সত্ত্বেও কেন এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা গেল না, জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, "যেহেতু গভীর রাতের ঘটনা, তো আমরা দেখছি জানার পরও পুলিশ এখানে সময়মতো এসেছিল কি-না এবং পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো অবহেলা রয়েছে কি-না।" ইতোমধ্যে পুলিশের দারুসসালাম জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সালেহ্ মুহম্মদ জাকারিয়াকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করে শনিবারই প্রতিবেদন দেবে। কমিশনার জানান, "এই রিপোর্ট পাওয়ার সাপেক্ষে পুলিশের কোনো সদস্যের যদি এখানে অবহেলা থাকে, গাফিলতি থাকে, তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।"
তিনি আরও বলেন, "আমি আজকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখলাম। তাতে আমার কাছে মনে হয়েছে এটা আধা ঘণ্টা এক ঘণ্টায় করা সম্ভব নয়। একটু সময় নিয়েই ভাঙচুর করা হয়েছে।"
ঘটনাটি জানার পরপরই তিনি মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনারকে নির্দেশনা দিয়েছেন। ডিএমপি কমিশনার জানান, "আমরা চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। পুলিশের পক্ষ থেকে যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করার জন্য আমাদের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। একজনের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারব। আমাদের অফিসার এবং ফোর্স সবাই অভিযানে রয়েছে।"
রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমাদের বার্তা সবসময় খুব স্পষ্ট। আমরা কোনো দল দেখব না, কোনো মত দেখবো না। সবসময় দেখব অপরাধীকে। যে অপরাধী তাকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। কোনো ধরনের বেআইনি কার্যক্রম, কোনো দখল কেউই করতে পারবে না। সেটা যেই করবে তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ