ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চোখ ভালো রাখতে স্মার্টফোনের এই ৫ সেটিংস বদলে ফেলুন আজই


চোখ ভালো রাখতে স্মার্টফোনের এই ৫ সেটিংস বদলে ফেলুন আজই

স্মার্টফোনের স্ক্রিনে দীর্ঘ সময়ের জন্য তাকিয়ে থাকার ফলে অনেকেই নানা সমস্যা ভোগ করছেন। চোখের চাপ, মাথাব্যথা, চোখের শুষ্কতা এবং ঘুমের সমস্যা এদের মধ্যে অন্যতম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনের বিভিন্ন সহজ সেটিংসের পরিবর্তন করলে এসব সমস্যা অনেকটাই হ্রাস করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, চোখের স্বাস্থ্য দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা প্রথমেই নাইট মোড বা ব্লু লাইট ফিল্টার চালু রাখার পরামর্শ দেন। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন—এই দুই ধরনের ফোনেই এটি উপলব্ধ। রাতের সময় বিশেষ করে স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো কমানোর মাধ্যমে চোখের চাপ কমায় এবং ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

দ্বিতীয়ত, অ্যাডাপটিভ ব্রাইটনেস চালু রাখা উচিত। এর ফলে আশপাশের আলোর সঙ্গে মিলিয়ে ফোনের উজ্জ্বলতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়। অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা কিংবা খুব কম আলো—এ দুটিরই প্রভাব চোখের ওপর চাপ ফেলার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

আরও পড়ুন: দুই ভাইয়ের মায়ের জন্য আদালত বসেছিল সম্পত্তি বা টাকার জন্য নয়: সউদীর অমর আইনি লড়াই

তৃতীয়ত, ফন্টের আকার বা টেক্সট সাইজ কিছুটা বড় করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। ছোট লেখা পড়তে চোখকে বেশি পরিশ্রম করতে হতে পারে। তাই বড় ফন্ট ব্যবহারের ফলে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের সময় চোখের ক্লান্তি অনেকটা কমে যাবে।

চতুর্থত, কম আলোতে ফোন ব্যবহার করার সময় ডার্ক মোড চালু রাখা খুব উপকারী। এতে গাঢ় পটভূমির ওপর হালকা রঙের লেখা চোখে ঝলকানি কমায় এবং রাতের বেলায় ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আরামদায়ক করে তোলে।

পঞ্চমত, স্ক্রিন টাইমআউট কমিয়ে রাখা উচিত। এতে প্রয়োজন ছাড়া স্ক্রিন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে না বেশি সময়। ফলে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় হ্রাস পায় এবং ব্যাটারিও সাশ্রয় হয়।

এছাড়া বিশেষজ্ঞরা ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণেরও পরামর্শ দেন। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য প্রায় ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে চোখ ফেরাতে হবে। অন্যদিকে চোখের পলক ফেলা, মুখ থেকে ১৬–১৮ ইঞ্চি দূরে ফোন রাখা, সম্পূর্ণ অন্ধকারে ফোন ব্যবহার না করা এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের মাঝে নিয়মিত বিরতি নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ছোট তেলাপোকা দমনে কার্যকর ওষুধ: দাম ও ব্যবহারের নিয়ম জানুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস ডিজিটাল আই স্ট্রেইন পুরোপুরি নির্মূল করতে সক্ষম না হলেও, চোখের ওপর চাপ কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বরের সঙ্গে যেসব লক্ষণ দেখা দিলে হতে পারে হৃদযন্ত্রের জটিলতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ এম


জ্বরের সঙ্গে যেসব লক্ষণ দেখা দিলে হতে পারে হৃদযন্ত্রের জটিলতা

মৌসুমি ফ্লু, কোভিড-১৯ বা অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণের ফলে সাধারণত জ্বর, শরীরব্যথা ও ক্লান্তি দেখা যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা হলো, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ভাইরাস শুধু শ্বাসতন্ত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি হৃদযন্ত্রে প্রদাহ তৈরি করে গুরুতর জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ভারতের ম্যাক্স সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রিপেন গুপ্তার মতে, ভাইরাসের কারণে মায়োকার্ডাইটিস (হৃদপেশির প্রদাহ) বা পেরিকার্ডাইটিস (হৃদযন্ত্রের বাইরের আবরণের প্রদাহ) হতে পারে। তিনি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত উল্লেখ করেছেন।

প্রথমত, বুকে তীব্র ব্যথা। বিশেষ করে শুয়ে থাকলে ব্যথা বেড়ে যায় এবং সামনের দিকে ঝুঁকলেই কিছুটা কমে—এটি হৃদযন্ত্রে প্রদাহের লক্ষণ হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট। হাঁটা, বাথরুমে যাওয়া বা বিশ্রাম নেওয়ার সময়ও যদি শ্বাস নিতে কষ্ট হয় অথবা ঘুমের মধ্যে হঠাৎ শ্বাসকষ্টের কারণে ঘুম ভেঙে যায়, তাহলে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে যেতে হবে।

তৃতীয়ত, জ্বর কমে যাওয়ার পরও যদি হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিক দ্রুত হয়, বুক ধড়ফড় করে বা অনিয়মিতভাবে স্পন্দিত হয়, এটি হৃদযন্ত্রের ছন্দের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

চতুর্থত, পা, গোড়ালি বা পায়ের পাতায় হঠাৎ ফোলাভাব এবং এক-দুই দিনের মধ্যে দ্রুত ওজন বেড়ে যাওয়া। এটি শরীরে তরল জমে যাওয়ার লক্ষণ, যা দুর্বল হৃদযন্ত্রের ফল হতে পারে।

পঞ্চমত, অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। ভাইরাল সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার সময় ধীরে ধীরে শক্তি ফিরে আসার কথা। কিন্তু যদি হঠাৎ অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দেয়, তবে তা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার নির্দেশক হতে পারে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ করে কোভিড-১৯–এর পর হৃদপেশির প্রদাহের ঝুঁকি ইনফ্লুয়েঞ্জার তুলনায় বেশি। তাই ভাইরাল সংক্রমণের পর এসব লক্ষণ দেখা দিলে সাধারণ অসুস্থতা ভেবে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত শনাক্ত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদি হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেরিতে খাচ্ছেন রাতের খাবার? পড়তে পারেন যেসব বিপদে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ এম


দেরিতে খাচ্ছেন রাতের খাবার? পড়তে পারেন যেসব বিপদে

কী খাচ্ছেন বা কত ক্যালোরি গ্রহণ করছেন, খাদ্যতালিকায় প্রোটিন-কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য কেমন—এসব বিষয়ে সচেতন থাকেন অনেকেই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার খাওয়ার সময়টি সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষণা বলছে, খাবারের সময় শরীরের বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম), রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং হরমোনের কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

পুষ্টিবিদদের মতে, মানুষের শরীর সার্কাডিয়ান রিদম অথবা জৈবিক ঘড়ির নিয়মে পরিচালিত হয়। এই জৈবিক ছন্দ কেবল ঘুম নয়, ইনসুলিনের কার্যকারিতা, হজম প্রক্রিয়া, অন্ত্রের স্বাস্থ্য এবং কর্টিসল হরমোনের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। সকাল বেলায় শরীর খাবার গ্রহণ ও হজমের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রস্তুত থাকে। এসময় ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বেশি থাকে, ফলে রক্তে শর্করা সহজে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং খাবার দ্রুত হজম হয়।

অন্য দিকে, সন্ধ্যার পর শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীরে হতে থাকে। ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যায় এবং পাকস্থলীতে খাবার হজমে ধীরগতির দেখা দেয়। এর ফলে রাতে দেরিতে ভারী খাবার খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে ওজন বৃদ্ধি, রক্তে শর্করার ওঠানামা এবং বিপাকজনিত সমস্যা বৃদ্ধি করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যস্ত কর্মজীবন, যানজট এবং দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে অনেকেই রাত ৯টা বা ১০টার পরে রাতের খাবার খান। এরপর অতিরিক্ত ভাত, ফাস্টফুড, কোমল পানীয় বা মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা শরীরের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

তবে জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন না এনে যদি ছোট কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, তবেই উপকার মেলা সম্ভব। যেমন সপ্তাহে অন্তত কয়েকদিন রাত ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে রাতের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা। রাতের খাবারে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি এবং আঁশযুক্ত খাবার রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কোনো কারণে দেরিতে খাবার খেতে হলে অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে সুষম খাবার বেছে নেওয়া উত্তম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার শুধু শক্তির উৎস নয়, এটি শরীরের জন্য একটি জৈবিক সংকেতও। তাই শরীরের প্রাকৃতিক জৈবিক ছন্দের সঙ্গে খাবার গ্রহণ করলে বিপাকক্রিয়া সুস্থ রাখা সহজ হয়। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১১ এম


দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, এমনটাই জানা গেছে আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের থেকেও এ ব্যাপারে একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এছাড়া এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্যতালিকায় কেন রাখবেন পুদিনা পাতা, জানুন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ এম


খাদ্যতালিকায় কেন রাখবেন পুদিনা পাতা, জানুন এর স্বাস্থ্য উপকারিতা

রান্নাঘরে পরিচিত ভেষজ পাতা পুদিনা শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধই বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্য এর নানা উপকারিতা রয়েছে। সালাদ, শরবত, চাটনি কিংবা বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহৃত পুদিনা হজমশক্তি বৃদ্ধি, মানসিক চাপ কমানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুদিনায় থাকা মেনথল পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশি শিথিল করে। ফলে বদহজম, গ্যাস, পেট ফাঁপা ও পেটব্যথার মতো সমস্যা কমতে পারে। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস)–এর উপসর্গ উপশমেও পেপারমিন্ট তেল কার্যকর বলে বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। নিয়মিত পুদিনা খেলে পাচক রসের ক্ষরণ বাড়ে, অ্যাসিডিটি কমে এবং হজমপ্রক্রিয়া আরও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।

মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পুদিনার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পেপারমিন্ট তেলের সুগন্ধ উদ্বেগ, মানসিক চাপ ও ক্লান্তি কমাতে কাজ করে। সুগন্ধিভিত্তিক চিকিৎসায়ও পুদিনা ব্যবহৃত হয়। এর ঘ্রাণ শরীরের সেরোটোনিন ও কর্টিসল হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা মনকে প্রশান্ত রাখতে সহায়ক।

তাজা পুদিনা পাতা চিবালে মুখের দুর্গন্ধ কমে এবং লালারসের নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাড়ির রোগ ও মুখের জীবাণু প্রতিরোধে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে খুসখুসে কাশি, বুকে জমে থাকা কফ কমাতে পুদিনা চা বা গরম পানির ভাপও উপকারী হতে পারে।

এছাড়া, পুদিনায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি শরীরকে সতেজ রাখে, গরমের সময় পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং কিছু গবেষণায় স্মৃতিশক্তি উন্নত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকাতেও পুদিনা রাখতে পারেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানান, যাদের অ্যাসিড রিফ্লাক্স, বুকজ্বালা, হাইটাল হার্নিয়া বা পিত্তথলির সমস্যা রয়েছে, তাদের নিয়মিত বা অতিরিক্ত পেপারমিন্ট গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সেহেতু উপকার পাওয়ার জন্য পরিমিত পরিমাণে এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পুদিনা খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%