ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্রান্সকে কি আবারও ২০০২ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি ফিরিয়ে দেবে সেনেগাল?


ফ্রান্সকে কি আবারও ২০০২ বিশ্বকাপের দুঃস্মৃতি ফিরিয়ে দেবে সেনেগাল?

বিশ্বকাপের ইতিহাসে বেশ কিছু ম্যাচ শুধুমাত্র ফুটবল নয়, এটি আবেগ, বিস্ময় এবং ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও সেনেগালের মুখোমুখি লড়াই এই ধরনের এক স্মৃতি পুনর্জাগরণ ঘটাতে চলেছে।

২৪ বছর আগে, ২০০২ সালের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তৎকালীন চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বের সামনে চমক সৃষ্টি করেছিল সেনেগাল। পাপা বুবা দিয়পের সেই ঐতিহাসিক গোল আজও আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে মনে করা হয়।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ রাতের ম্যাচে আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে এই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

কাগজে-কলমে ফ্রান্সই ফেভারিট। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, এনগোলো কন্তে ও উইলিয়াম সালিবাদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দলে মাঠে নামবে তারা। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে এমবাপ্পের গোলখরার পাশাপাশি দলের কিছু অনিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

অন্যদিকে সেনেগাল এখন আর আগের মতো আন্ডারডগ নয়। অধিনায়ক কালিদু কুলিবালি, গোলরক্ষক এদুয়ার মঁদি এবং উইঙ্গার ইসমাইলা সারদের নিয়ে তারা একটি যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ দল তৈরি করেছে। কোচ পেপ থিয়াও, যিনি ২০০২ সালের সেই ঐতিহাসিক দলের সদস্য ছিলেন, এবার সাইডলাইনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

থিয়াও মনে করেন, বর্তমান আফ্রিকান ফুটবল অনেক উন্নত হয়েছে। তাই ফ্রান্সকে পরাজিত করার বিষয়টিকে আর ‘অঘটন’ বলা উচিত হবে না।

বিশ্বকাপের ষষ্ঠ দিনে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। একই দিনে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের মতো দলও। তবে সব আলো যেন ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচের দিকে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

কারণ এটি শুধুমাত্র তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, এটি অতীতের স্মৃতি এবং বর্তমান বাস্তবের মুখোমুখি হওয়ার একটি বিষয়। ২০০২ সালে সেনেগাল দেখিয়েছিল, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। এবারও কি তারা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবেন, নাকি ফ্রান্স শুরু করবে শিরোপা জয়ের নতুন যাত্রা?

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে বাংলাদেশিদের জন্য কত খরচ হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে বাংলাদেশিদের জন্য কত খরচ হবে

‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বলা হয় ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে। আর এই মহাযজ্ঞের ম্যাচ দেখতে সারাবিশ্বের ফুটবল ভক্তরা মুখিয়ে থাকে। তবে মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পায় খুবই কম সংখ্যক দর্শক। এর একটি কারণ হলো ভিসা জটিলতা ও অর্থের অভাব।

বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে দর্শকদের পাড়ি জমাতে হয় এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে। আর এই ভিসা, বিমানের টিকিট, আবাসন ও ম্যাচের টিকিট মিলিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয় দর্শকদের।

ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের উচ্চ অর্থনীতির দেশগুলো থেকে দর্শকরা নিয়মিত বিশ্বকাপ দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। তবে এশিয়ার মধ্য ও নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলো থেকে বিশ্বকাপ খেলা মাঠে বসে দেখতে চাওয়া অনেকটা বিলাসিতার মতো মনে হয়।

কিছু মানুষের কাছে অর্থ থাকলেও তারা ভিসা জটিলতার কারণে সমস্যায় পড়েন। সেখান থেকে বের হওয়া খুবই কঠিন ও দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ব্যাপার। যা সাধারণ দর্শকদের জন্য এক ভোগান্তির বিষয়। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে যেতে হলে কি কি বাধা অতিক্রম করতে হবে।

এই প্রতিবেদনে সেই সব বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো—

এবারের বিশ্বকাপের আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এই আসরের ম্যাচ মাঠে বসে দেখতে হলে কত খরচ হবে তা নির্ভর করবে আপনি কোন শহরে যাচ্ছেন, কোন দল খেলছে, টিকিট কোথা থেকে কিনছেন, কত রাত থাকছেন এবং আপনার কি আগে থেকে ভিসা আছে—এসবের ওপর।

সাধারণভাবে দেখা যায়, ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে একটি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ দেখে তিন রাত থেকে ফিরে আসতে চাইলে একজন বাংলাদেশি দর্শকের খরচ পড়তে পারে সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যে। আর ফাইনাল দেখতে আগ্রহী হলে খরচ ১০ লাখ টাকার অনেক ওপরে চলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

প্রথমে ভিসা আবেদন

বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুর দিকে আসবে ভিসার প্রয়োজনীয়তা। যুক্তরাষ্ট্রে যেতে বাংলাদেশি দর্শকের বি১/বি২ ভিসা প্রয়োজন। ভিসা আবেদন ফি ১৮৫ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২৩,০০০ টাকা। তবে এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ভিসা অনুমোদনের পর আবেদনকারীকে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ফেরতযোগ্য বন্ড প্রদান করতে বলা হতে পারে।

এটি সরাসরি খরচ নয়; নিয়ম মেনে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লে টাকা ফেরত পাওয়ার কথা। কিন্তু ভ্রমণের আগে এত বড় অঙ্কের অর্থ জমা দেওয়ার সামর্থ্য থাকতে হবে। ৫ হাজার ডলার মানে প্রায় ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা, আর ১৫ হাজার ডলারের মান প্রায় ১৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

তবে বিশ্বকাপ দর্শকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা কিছু ফিফা বিশ্বকাপ টিকিটধারী ভিসা বন্ড থেকে মুক্তি পেতে পারেন। বিশেষ করে যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিফার টিকিট কিনেছেন এবং ফিফার অগ্রাধিকার ভিত্তিক ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য এই ছাড় প্রযোজ্য হতে পারে।

বিমান ভাড়া

ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি বা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বড় শহরে যাওয়া-আসার টিকিটের মূল্য সময় অনুযায়ী ওঠানামা করে। বর্তমান বাজারদরে ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরগুলোতে ইকোনমি ক্লাসে যাওয়া-আসার ভাড়া সাধারণভাবে দেড় লাখ থেকে তিন লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে।

বিশ্বকাপের সময়, ম্যাচের শহর, বুকিংয়ের সময় এবং ট্রানজিট অনুযায়ী এই খরচ আরও বাড়তে পারে। নিরাপদ হিসাব করতে গেলে বিমানভাড়ার জন্য অন্তত ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা ধরে রাখা উচিত।

ম্যাচের টিকিট

প্রথম দুই ধাপ পেরানোর পর গুরুত্বপূর্ণ হলো ম্যাচের টিকিট। ছোট দল বা কম চাহিদার গ্রুপ ম্যাচ হলে তুলনামূলক কম দামে টিকিট পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু বাস্তব বাজারে অনেক ম্যাচেই ৩০০ ডলারের নিচে টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশি টাকায় সেটি প্রায় ৩৭,০০০ টাকা।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র বা বড় শহরের ম্যাচ হলে টিকিটের দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। অনেক ম্যাচে ৬০০-৭০০ ডলার, অর্থাৎ ৭৫,০০০ থেকে ৮৫,০০০ টাকা ধরে প্রস্তুত থাকাই বাস্তবসম্মত। নিউইয়র্ক, মায়ামি বা বড় ম্যাচ হলে ১,০০০ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

আবাসন ব্যয়

বিশ্বকাপের সময় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক আয়োজক শহরে হোটেল ভাড়া বেড়েছে। তুলনামূলক কম খরচের শহরে ২৫০-৩০০ ডলার রাতপ্রতি হোটেল ধরলেও তিন রাতের জন্য খরচ হবে প্রায় ১ লাখ টাকা। লস অ্যাঞ্জেলেসে সেই হিসাবটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার কাছাকাছি যেতে পারে। নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সি এলাকায় তিন রাতের হোটেল খরচ ২ লাখ টাকারও বেশি হতে পারে। ফাইনালের সপ্তাহে এই খরচ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

খাওয়া ও যানবহন খরচ

যুক্তরাষ্ট্রে দিনে তিন বেলা সাধারণ খাবার, পানি, কফি বা হালকা খাবার নিয়ে ৫০-৮০ ডলার খরচ করা খুবই স্বাভাবিক। চার দিনের ভ্রমণ ধরলে খাবারে খরচ হবে ২৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা। স্টেডিয়ামের ভিতরে খাবার-পানীয় কিনলে খরচ আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে স্থানীয় যাতায়াতের জন্য আলাদা বাজেট রাখা উচিত।

বিমানবন্দর থেকে হোটেল, হোটেল থেকে স্টেডিয়াম, ম্যাচ শেষে ফেরার ভাড়া—সব মিলিয়ে ১৫০-২৫০ ডলার ধরে রাখা ভাল। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ১৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা। বড় শহরে অ্যাপভিত্তিক গাড়ি বা ম্যাচের দিন বিশেষ যাতায়াত ব্যবহার করলে খরচ আরও বেশি হতে পারে।

এর বাইরে থাকবে ভ্রমণ বিমা, মোবাইল সিম বা রোমিং, ভিসা ফটো, ডকুমেন্ট প্রিন্ট, ছোটখাটো জরুরি খরচ, শহর ঘোরা, হয়তো একটি জার্সি বা স্মারক কেনা। এসব মিলিয়ে আরও ৩০,০০০ থেকে ৫০,000 টাকা ধরে রাখা নিরাপদ।

ফলে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে একটি ম্যাচ দেখতে মোট খরচ হতে পারে ৪ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন রাজবাড়ী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন।
 
মেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কৃষকদের জন্য আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাতের ফসল, পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ পদ্ধতি এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়।
 
এছাড়াও কৃষকদের মাঝে জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।
 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির বিকল্প নেই।
 
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম, কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষ, মৎস কর্মকর্তা তানভীর আহমেদসহ কৃষি বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষাণী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
 
মেলায় উপজেলার বিভিন্ন কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের স্টলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কৃষি উপকরণ প্রদর্শন করা হয়। মেলা ঘুরে দেখে দর্শনার্থীরা প্রদর্শিত প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ করেন এবং কৃষি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


গাইবান্ধায় আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

গাইবান্ধায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের একটি বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সহস্রাধিক সমর্থক আর্জেন্টিনার জার্সি ও পতাকা গায়ে জড়িয়ে সড়কগুলোতে নিজ দলের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকালে এই শোভাযাত্রাটি শহরের গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে এসে পুনরায় সেখানে গিয়ে শেষ হয়। এদিন দুপুর থেকে সমর্থকরা ওই বিদ্যালয়ের মাঠে জড়ো হতে থাকে। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে সমর্থকদের নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের পরনে ছিল আর্জেন্টিনা দলের জার্সি। তাদের হাতে ছিল দলের পতাকা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক সমর্থক এতে অংশ গ্রহণ করেন।

আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই শোভাযাত্রা দেখতে বিভিন্ন বাজার ও সড়কে মানুষের ভিড় জমা হয়েছিল। বহু লোক হাততালি দিয়ে নিজেদের দলের সমর্থকদের উৎসাহ দিতে থাকেন।

আয়োজকদের একজন ইমাম হাসান আলাল জানান, “খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক বিনোদনের পরিবেশ গড়ে তোলাই হচ্ছে এ আয়োজনের মুল উদ্দেশ্য। আশা করি এবারও আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।”

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ ভক্ত জাহাঙ্গীর আলম তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আর্জেন্টিনার শৈল্পিক ফুটবল আমাদের আকৃষ্ট করে। দীর্ঘ চার বছর পর পর এই আনন্দের মুহূর্ত আমাদের মাঝে ফিরে আসে। বিগত বিশ্বকাপেও আমরা এমন র‍্যালির আয়োজন করেছিলাম, এবারও করছি। পুরো জেলার মানুষ আমাদের এই শো-ডাউন উপভোগ করছে এবং উৎসাহ দিচ্ছে।”

অন্যদিকে, আরেক ভক্ত রোহিদ হাসান রিন্টু জানান, “আমরা কাপ বা ট্রফি দেখে আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসিনি। আর্জেন্টিনা মানে আমাদের কাছে একটি আবেগের নাম, ভালোবাসার স্থান। মাঠে দলের হার কিংবা জিত যাই হোক না কেন, আমরা সবসময় আর্জেন্টিনার সাথেই আছি। তবে দলের বর্তমান যে পারফরম্যান্স, তাতে এবারও আর্জেন্টিনাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কটাক্ষের তীর্যক তীর পেরিয়ে ট্রুডো গাইলেন প্রেমের জয়গান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


কটাক্ষের তীর্যক তীর পেরিয়ে ট্রুডো গাইলেন প্রেমের জয়গান

প্রেমে পড়লে নাকি মানুষ অন্ধ হয়ে যায় এবং হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কিন্তু সেই প্রেম যদি হয় কোনো দেশের সাবেক রাষ্ট্রনায়কের, তবে তা রীতিমতো জাতীয় সংকটের রূপ নিতে পারে। ঠিক তেমনই এক অদ্ভুত জাঁতাকলে পড়েছিলেন কানাডার সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাস্টিন ট্রুডো। শুক্রবারের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে একদিকে ছিল দেশের টান, অন্যদিকে মনের মানুষের ডাক। ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে টরন্টোতে তখন নিজেদের প্রথম ম্যাচে লড়ছিল কানাডা, আর ঠিক একই সময়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে টোকা পড়ছিল কেটি পেরির গিটারের তারে। যৌক্তিকভাবে ট্রুডোর থাকার কথা ছিল নিজের দেশের গ্যালারিতে, কিন্তু বিধাতা যার ভাগ্যে প্রেমের জয়গান লিখে রেখেছেন, তাকে আটকায় কে!

দেশপ্রেম বনাম ভালোবাসার এই মহাদ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত জয় হলো হৃদয়েরই। টরন্টোর কনকনে শীতের মাঠ পেছনে ফেলে, ট্রুডো ডানা মেললেন লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্দেশ্যে। সেখানে স্টেডিয়ামের আলোঝলমলে মঞ্চে যখন কেটি পেরি সুরের মায়াজাল বুনছেন, গ্যালারিতে তখন কোটি তরুণীর ক্রাশ জাস্টিন ট্রুডো শুধুই এক মুগ্ধ প্রেমিক। ক্যামেরা ফাঁকি দেওয়া এই তারা জুটি পক্ষে অসম্ভব ছিল। বিশ্ববাসী দেখল, মঞ্চ থেকে নেমে এসে পেরি জড়িয়ে ধরছেন ট্রুডোকে। গ্যালারিতে বসে বিয়ারের ক্যানে চুমুক দিতে দিতে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা যেন রূপালী পর্দার কোনো রোমান্টিক দৃশ্যকেও হার মানাচ্ছিল।

প্রেমিক-প্রেমিকার এই দৃশ্য অনেকের মনে দোলা দিলেও কানাডিয়ানদের বুকে তা তীরের মতো বিঁধেছে। নিজেদের ম্যাচ ফেলে অন্য দেশের মাঠে প্রেমিকার গান শুনতে যাওয়াটাকে তারা দেখছেন চরম বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই আছড়ে পড়ল সমালোচনার সুনামি। ক্ষুব্ধ এক কানাডিয়ান তো বলেই বসলেন, এটা গোটা দেশের মুখে এক কুরুচিপূর্ণ চপেটাঘাত! ট্রুডোর কপালে জুটল প্রতারক উপাধি। ট্রুডো অবশ্য চুপ থাকেননি; কানাডার পতাকার ইমোজি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, মাঝে মাঝে একজন সাপোর্টিভ প্রেমিক হওয়াটা জরুরি, তবে কাপটা কে জিতবে তা সবাই জানে। কিন্তু এই চতुर উত্তর দেশের মানুষের ক্ষোভের আগুন কতটা নেভাতে পারবে, তা সময়ই বলবে।

সিলভার স্ক্রিনের এই রোমান্সের বয়স অবশ্য খুব বেশিদিন নয়। ৫৩ বছর বয়সী ট্রুডো আর ৪১ বছরের পপ সম্রাজ্ঞী কেটি পেরিকে গত বছরের জুলাই থেকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছিল। বেশিদিন তারা লুকোচুরি খেলেননি, ডিসেম্বরেই আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়ে তাদের প্রেমে। এর আগে ট্রুডোর ১৮ বছরের সংসার ভেঙেছে সোফি গ্রেগোয়ারের সাথে, আর পেরিও পার করেছেন এক ভাঙা দাম্পত্যের ইতিহাস। দুই ভাঙা হৃদয়ের এই নতুন জোড়া লাগা গল্পে কানাডিয়ানরা যতই বিষোদ্গার করুক না কেন, কেটি পেরি যে এমন এক অন্ধ ও দায়িত্ববান প্রেমিক পেয়ে মনে মনে দারুণ খুশি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%