ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন


পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করার পরেও, মো. সাহাবুদ্দিন, যিনি সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি, আমৃত্যু বেশ কিছু রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে স্পিকারের কাছে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র পাঠানোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

দেশের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ করেছেন কিংবা কমপক্ষে ছয় মাস দায়িত্ব পালন করেছেন—এমন ব্যক্তি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রতি মাসে সর্বশেষ যে বেতন পেতেন, তার ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসরভাতা পাবেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

আরও পড়ুন: পাথরঘাটায় কোস্টগার্ড বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে

দি প্রেসিডেন্টস (রেমিউনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫ (মে ২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা ছাড়া বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে। ওই আইনের আওতায়, সাবেক এ রাষ্ট্রপতি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেন্ডেন্ট পাবেন। দাপ্তরিক ব্যয়ও তিনি পাবেন, যার মোট বাৎসরিক পরিমাণ সরকার নির্ধারণ করবে।

পাশাপাশি, সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে, আবাসস্থলে একটি টেলিফোন সংযোগও পাবেন এবং সরকার নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত এর বিল পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন।

এছাড়াও, তিনি একজন মন্ত্রীর প্রাপ্য চিকিৎসা সুবিধার সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধাদি পাবেন, একটি কূটনৈতিক পাসপোর্টও পাবেন। আর দেশের ভেতর ভ্রমণকালে সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন: খারাপ লোক চেয়ারম্যান হলে উন্নয়ন বরাদ্দ পকেটে যাবে: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি গ্রেফতার ৭, আটক ২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


রাজশাহীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি গ্রেফতার ৭, আটক ২৪

রাজশাহী মহানগরজুড়ে ধারাবাহিকভাবে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৭ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ সময় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ইয়াবা ও গাঁজা। একই সঙ্গে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত এবং মাদক ও অন্যান্য মামলায় আরও ২৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন: খোরশেদ আলম ওরফে সুজন (৪৬), আসারুল শেখ (৪০) ও আল রাফি (২০), যাদের সবাই রাজপাড়া থানার দাশপুকুর ঈদগাহ মাঠের পাশে রেললাইনের ধার এলাকার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

দামকুড়া থানার দবির মোল্লাপাড়া এলাকার সুমন আলী (২৫) গ্রেফতার হন, তার কাছে ১০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা ঘোষমহল এলাকার আতাউর রহমান (৪২) গ্রেফতার হয়, তার কাছে ৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ১৫ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে। এয়ারপোর্ট থানার বারইপাড়া মোড় এলাকার রাহুল (২২) গ্রেফতার হন, তার কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার শিহাব ওরফে আবির (২৩) গ্রেফতার হন, তার কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। তবে তার সহযোগী মাবুদ (৫০) পালিয়ে যায়।

শুক্রবার বিকালে নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানালেন, গ্রেফতার সুমনের বিরুদ্ধে এর আগে দুটি মাদক মামলা এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ মোট তিনটি মামলা রয়েছে। এছাড়া পলাতক মাবুদের বিরুদ্ধে কাশিয়াডাঙ্গা ও রাজপাড়া থানায় মোট ১০টি মাদক মামলার রেকর্ড রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া মহানগরীর বিভিন্ন থানা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পৃথক অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৯ জন, মাদক মামলার সাতজন এবং অন্যান্য মামলার আটজনসহ মোট ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, মহানগরীতে মাদক কারবার, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রায়ের পাঁচ মাস পরও অধরা চিট রাসেল: প্রশ্নের মুখে পরোয়ানা বাস্তবায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


রায়ের পাঁচ মাস পরও অধরা চিট রাসেল: প্রশ্নের মুখে পরোয়ানা বাস্তবায়ন

যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায়, আদালতের জারি করা সাজা পরোয়ানা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানাÑ সবকিছু থাকার পরও রাজশাহীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মনোয়ারুল হাসান রাসেল ওরফে চিট রাসেল এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। রায় ঘোষণার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও তাকে গ্রেফতার করা না যাওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম জেলার দায়রা মামলা নং- ৩০৯৫/২০২১ (সূত্র: কোতোয়ালী থানার মামলা নং-০৮ (০৯)১৯)-এ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১)-এর টেবিল ১০(গ), ৩৮ ও ৪১ ধারায় দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি মনোয়ারুল হাসান রাসেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৪, চট্টগ্রামের বিচারক আফরোজা জেসমিন কলি গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে আদালতের রায়ের কয়েক মাস পার হলেও পরোয়ানা কার্যকর না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে যে, চিট রাসেল কোথায় রয়েছেন এবং কেন তাকে এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি? গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়নের বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তার কাছে নেই বলে জানান। তিনি ওয়ারেন্ট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

পরে ওয়ারেন্ট অফিসার নাজমুল হাসান জানান, মনোয়ারুল হোসেন নামে একটি ওয়ারেন্ট ছিল, যা ঢাকার পল্টন থানার একটি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ওই মামলায় আদালত থেকে জামিন নেওয়ার পর গত ১৯ জুলাই সেটি রিকল হয়ে থানায় জমা হয়েছে। অন্যদিকে, থানার আরেক দায়িত্বপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার এসআই নুরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি তথ্য চাওয়ার কারণ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা গোপন রাখা হয়েছে কি নাÑ এমন প্রশ্নেরও তিনি সুস্পষ্ট কোনো জবাব দেননি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আঁচুয়া তালতলা গ্রামের বাসিন্দা মনোয়ারুল হাসান রাসেল স্থানীয়ভাবে চিট রাসেল নামে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি একসময় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বড় মাদক সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা এলাকায় র‌্যাব-১২-এর অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি ট্রাকসহ রাসেলকে আটক করা হয়েছিল। সে সময় উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা। র‌্যাবের দাবি, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোরসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় তার শক্তিশালী মাদক সরবরাহ নেটওয়ার্ক ছিল।

পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর রাজশাহী মহানগরীর উপশহর এলাকায় আরএমপি এবং গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে রাসেল ও তার স্ত্রী মরিয়মকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাদের ভাড়া বাসা থেকে ৮৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, রাসেল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এই ব্যবসার মাধ্যমেই অল্প সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, রাসেল হেরোইন বহনের মাধ্যমে মাদক জগতে প্রবেশ করেছে। পরে, তিনি নিজস্ব নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে ইয়াবা ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তার করেন। এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ থাকলেও তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি আদালতের যাবজ্জীবন দণ্ডের রায় কার্যকর এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়নে বিলম্ব নিয়েও জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতারের পাশাপাশি তার সম্পদের উৎস এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়েও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবিতে দুই হলের শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


বাকৃবিতে দুই হলের শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৩

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই হলের অন্তত ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সংঘর্ষের ঘটনা শুরু হয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা রাত ৪টার দিকে ঘটনাস্থল এসে হল প্রভোস্টদের ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এদিকে শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় এলাকায় আশরাফুল হক হলের এক শিক্ষার্থীকে শহীদ শামসুল হক হলের প্রায় ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী মারধর করেন।

পরে আড়াইটার দিকে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলতে থাকে। এতে দুই হলের ৪ শিক্ষার্থী আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের লেভেল-১ ও সেমিস্টার-২-এর দুই শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যাচের এক নারী শিক্ষার্থীকে বডি শেমিংমূলক মন্তব্য করার জেরে বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে আশরাফুল হক হলের ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী শহীদ শামসুল হক হলের এক শিক্ষার্থীর কক্ষে গিয়ে হুমকি দেওয়ার জন্য যায়।

পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কিছুক্ষণ পর দুই পক্ষের মধ্যে ফোনালাপের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হলেও রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ শামসুল হক হলের ৬০ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে আশরাফুল হক হলে যায়। এ সময় হলের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, জানালার কাচ, সিসিটিভি ও লাইট ভাঙচুর করে শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীরা। ফলস্বরূপ ৯ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা রাত ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং হল প্রভোস্টদের ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

বাকৃবির হেল্থ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৯ জন ও শুক্রবার দুপুরে ৪ শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম মন্তব্য করেছেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দুই হলে মারামারি ঘটেছে। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের মীমাংসা করে। কিন্তু জুমার নামাজের পরে আবার মারামারি শুরু হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


শিশুদের হাতে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন নয়: বিভাগীয় কমিশনার

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৃজনশীল, মেধাবী এবং প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে গড়ে তুলতে রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ শিশু-কিশোরদের অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার কমিয়ে বই পড়া, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে রাজশাহী বিভাগের সরকারি গণগ্রন্থাগারে আয়োজিত বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ আহ্বান জানান। বক্তৃতায় তিনি বলেন, করোনার সময় অনলাইন শিখন এর প্রয়োজনেই শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়েছিল। তবে বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোনের ব্যবহার তাদের মনোযোগ, পাঠের অভ্যাস, চিন্তাশক্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ কারণে পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ার প্রয়োজন রয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, অভিভাবকদের নিচে সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে এবং কীভাবে সময় ব্যয় করছে বিষয়গুলোতে নিয়মিত লক্ষ্য রাখতে হবে। সন্ধ্যার পর অপ্রয়োজনীয় আড্ডার পরিবর্তে তাদের পাঠাগার, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং সৃজনশীল চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, বই পড়ার অভ্যাস এবং পাঠাভ্যাসভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অন্তত ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে প্রযুক্তির ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে ব্যক্তিগত স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার পরিহার করার পরামর্শ দেন।

তিনি রাজশাহীকে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও পাঠচর্চাভিত্তিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গণগ্রন্থাগারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত পাঠ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্কৃতিকর্মী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির উপস্থিত ছিলেন। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. সঞ্জীব সূত্রধর স্বাগত বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এর আগে রাজশাহী সরকারি গণগ্রন্থাগার চত্বরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। অতিথিরা ভ্রাম্যমাণ বইমেলা পরিদর্শন করেন এবং দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%