সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৮ পি.এম
ছেলেদের এশিয়া কাপের পর এবার মেয়েদের এশিয়া কাপেও একই ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় চ্যাম্পিয়ন দল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি।
নারী এশিয়া কাপের দশম আসরের ফাইনালে রোববার শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে ভারত তাদের অষ্টম ট্রফি অর্জন করে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ম্যাচ শেষ হওয়ার ৫০ মিনিট পর শুরু হয়, যার সঞ্চালনা করেন শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার ফারভিজ মাহারুফ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রথমে ম্যাচ অফিসিয়ালদের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এরপর রানার্স আপ শ্রীলঙ্কা দলের ক্রিকেটার ও কর্মকর্তারা একে একে পদক গ্রহণ করেন। এসিসি সভাপতি মহসিন নাকভি লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুর হাতে রানার্স আপ ট্রফি তুলে দেন। এরপর মাহারুফ বলেন, “পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এখানেই শেষ হচ্ছে …।”
এসময় ভারতীয় দলের উপস্থিতি মঞ্চের সামনে দেখা যায়নি। গত বছর ছেলেদের বেলাতেও একই ঘটনা ঘটেছিল। ভারতীয় পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দুই দেশের সামরিক উত্তেজনা চলাকালীন ক্রিকেটীয় সম্পর্ক উষ্ণ হতে পারে না।
এদিকে, এসিসি চেয়ারম্যান নাকভি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সহ-সভাপতি রাজিব শুক্লা বার্তা সংস্থা আইএএনএস-এর কাছে ভারতীয় দলের ট্রফি গ্রহণ না করার কারণ ব্যাখ্যা করেন।
“আমাদের পুরুষ দল দেড় বছর আগে এশিয়া কাপ জিতেছিল... তবে গত বছরের এপ্রিলে পহেলগাম হামলার পর থেকে পুরো পরিস্থিতিটা পাল্টে যায়। আমাদের নাগরিকদের পক্ষ থেকে চাপ রয়েছে যে, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না রাখি এবং তাদের সঙ্গে ক্রিকেট না খেলি। যদিও আমাদের সরকারের একটি নীতি রয়েছে যে, বহুজাতিক টুর্নামেন্টগুলোতে আমাদের প্রতিটি দেশের বিরুদ্ধে খেলতে হবে...
কিন্তু এর মানে এই নয় যে, আমাদের জন্য রাখা প্রতিটি শর্ত আমরা মেনে চলব। আমাদের সামরিক সংঘাত এখনও চলছে। আমাদের দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা প্রধান নেতাদের একজনের কাছ থেকে আমরা ট্রফি গ্রহণ করতে পারি না। গত বছর পুরুষ দলের নেওয়া সিদ্ধান্তের সঙ্গে এবার নারী দলও সংহতি প্রকাশ করেছে।”
গত বছর ছেলেদের এশিয়া কাপ শেষেও সাইকিয়া বলেছিলেন, “আমাদের দল এমন একজনের কাছ থেকে ট্রফিটা নিতে চায়নি, যিনি পাকিস্তানের প্রধান নেতাদের একজন।”
ফাইনাল শেষে সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় দলের কোচ অমল মজুমদার তাদের অবস্থান তুলে ধরেন।
“আমাদের বোর্ড এই অবস্থান নিয়েছে এবং আমরা এর সঙ্গে একমত। আমাদের জন্য এই টুর্নামেন্ট শেষ, আমরাই চ্যাম্পিয়ন। এটাই যথেষ্ট। বড় বোর্ডে লেখা ছিল যে, ভারত ২০২৬ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন। আমাদের জন্য এই টুর্নামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ। আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে খুশি এবং আমরা এশিয়ান গেমসের জন্য অপেক্ষা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভৈরব পৌরসভায় নতুন কর নির্ধারণের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি, যিনি ১৬৭ কিশোরগঞ্জ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য।
নাগরিক সেবার মান উন্নত না করে গৃহ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পৌর কর প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ানোর উদ্যোগের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, স্থানীয় সাধারণ নাগরিক, সাংবাদিক সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর ফলস্বরূপ, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দুর্জয় পাদদেশে নূরানী মসজিদের সামনে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। "জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও সর্বস্তরের জনতা" ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ ছিল যে, নাগরিকদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ বা কার্যকর আলোচনা ছাড়াই পৌরকর বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দ্রুত সামাজিক মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে, প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম মানববন্ধনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন এবং বলেন, "ভৈরব দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নগরী, তাই পৌরসভার পৌর কর আপাতত নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি না আসা পর্যন্ত বাড়বে না। গতবছর যা নির্ধারিত ছিলো, তা জনস্বার্থে বহাল থাকবে।" এই তথ্য মুঠোফোনে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মোঃ জুনাইদ দৈনিক ইনকিলাবের ভৈরব সংবাদদাতা সোহান রহমানকে নিশ্চিত করেন।
এদিকে, ভৈরবে সুশীল সমাজের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব এবং জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, "হটাৎ করে পৌরসভার পৌর কর ৪০% বৃদ্ধি হওয়ার বিষয়টি জানার পর আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিষয়টি বন্ধ করার জন্য স্পষ্ট ভাষায় বলি। কারণ, জনস্বার্থ সবকিছুর ঊর্ধ্বে।" তিনি আরও বলেন, "আজকের মানববন্ধন প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসলে, তার সুবুদ্ধির জন্য ভৈরববাসীর পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহরে চাঞ্চল্যকর আব্দুল বারেক ওরফে বারেক (৩৬) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ৬ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১২, সিপিসি-২ পাবনা।
গ্রেপ্তারকৃত দুজন হলেন চাটমোহর উপজেলার সাজনাই দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোছা. রেশমা খাতুন (৩০) এবং তার স্বামী মো. রবি মোল্লা (৪২)। রেশমা খাতুন ৬ নম্বর এবং রবি মোল্লা ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, র্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের অধিনায়কের নির্দেশনায় রাত ৯টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার আরামবাড়ীয়া বাজার এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনার একটি দল। অভিযানে হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি রেশমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আধা ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঈশ্বরদীর ভাদুর বটতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই মামলার ১ নম্বর আসামি রবি মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৯ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চাটমোহর উপজেলার পাশডাঙ্গা ইউনিয়নের সাজনাই এলাকায় রবি মোল্লার বাড়ির সামনে পাকা সড়কের ওপর পূর্বশত্রুতার জেরে আব্দুল বারেককে হামলা করা হয়। এ সময় এজাহারনামীয় আসামিরাসহ কয়েকজন তাকে লোহার রড, কাঠের খাইটা, কাঠের বাটাম ও বাঁশ দিয়ে মারধর করেন। ফলে আব্দুল বারেক নিহত হন।
এ ঘটনায় নিহতের চাচা ওয়াহাব আলী প্রামাণিক বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ২। মামলায় রবি মোল্লা ও রেশমা খাতুনসহ মোট ১০ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের বিষয়ে তারা এখনও স্পষ্টভাবে পলিসি জানায়নি। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারা সেখানে ইনভাইট করেনি।"
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলায় ৪ দিনের সফরের শেষ দিনে ঢাকায় ফেরার পথে ভোলা সার্কিট হাউসে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার আরও বলেন, "বাংলাদেশ-ভারতের ব্যাপারে কিছু কিছু রিজার্ভেশন আছে, বিশেষ করে পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তারা আশ্রয় দিয়েছেন এবং সেখানে বসে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন।" তিনি মনে করেন, এটি সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ নয়। তিনি বলেন, "ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে সেই সুসম্পর্কের জন্য তেমন কিছু দেখা যায় না।"
স্পিকার বলেন, "ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক আমরা চাই।"
তিনি বলেন, "তারেক রহমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে এবং নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছেন।" তিনি উল্লেখ করেন, "গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের ফল দেশের প্রতিটি বিভাগে, স্তরে ধস নেমেছে, হত্যা, গুম, খুন, মানিলন্ডারিং অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে, দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।"
স্পিকার বলেন, "এ পরিস্থিতি থেকে উন্নয়ন করতে অনেক সময় লাগবে। সাত মাস এটার জন্য খুবই অল্প সময়।"
সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমার মনে হয় সংস্কার পর্ব ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, "প্রধানত আইনকানুনে অনেক সংস্কার আনতে হবে।" তিনি জানান, "যেগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।"
স্পিকার বলেন, "জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কিছুটা অসুবিধা দেখা দিচ্ছে, রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে এখনো তারা একমত হতে পারেনি।"
তিনি উল্লেখ করেন, "সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল যদি একটা সমঝোতায় আসে, তাহলে বিগত ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসন ও বঞ্চনা থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে।"
স্পিকার আশা প্রকাশ করেন যে, "জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" তিনি বলেন, "আশা করি সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে সরকার এবং বিরোধী দল একমত হলে আইনে যে সংস্কার করে পরিবর্তন দরকার তা যদি আনতে পারি, তাহলে এই যে গত ১৬ বছরের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পাবে।"
বিরোধী দলের লংমার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "একটা স্থিতিশীল পরিবেশের প্রয়োজন।" তিনি উল্লেখ করেন, "বিরোধী দলকেও ধৈর্য ধরতে হবে।" তিনি বলেন, "সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে যদি সুন্দর বোঝাপড়া থাকে, তাহলে দেশ উন্নয়নের পথে যেতে পারবে।"
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি রাশিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, নিজ কার্যালয়ে এক নারীকে জিম্মি করে কুচক্রী মহলের সাথে যোগসাজশে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অশোভনীয় ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় জেলা সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে পাবনার সাংবাদিকরা ডিবির ওই ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। পাশাপাশি তারা দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ওসি রাশিদুল ইসলামকে পাবনা থেকে রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও সাংবাদিক নেতারা বলছেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ