ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আইএমএফের ঋণ পেতে এনবিআরকে মানতে হবে ৪ কঠিন শর্ত


আইএমএফের ঋণ পেতে এনবিআরকে মানতে হবে ৪ কঠিন শর্ত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পাওয়ার জন্য কঠিন চারটি শর্ত মানতে হবে। ২০৩১ সালের মধ্যে কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্যাটের অভিন্ন হার কার্যকর করতে হবে। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করার জন্য কীভাবে পরিকল্পনা করা হবে, সে বিষয়েও আইএমএফকে একটি পরিকল্পনা দিতে হবে।

এছাড়া, এনবিআরের নীতি এবং বাস্তবায়নকে আলাদা করার শর্তও সংস্থাটি যুক্ত করেছে। সম্প্রতি এনবিআরের চেয়ারম্যান তিনটি অনুবিভাগ, আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, আইএমএফের প্রথম ঋণের কিছু শর্ত ছিল, তবে সেগুলো এনবিআর ঢিলেঢালাভাবে পালন করেছিল। কিন্তু এবারে আইএমএফের ঋণে কঠোর শর্ত মানতে হচ্ছে এনবিআরকে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয় উঠে এসেছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কর অব্যাহতির পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। মূলত সরকার দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা এবং অর্থনীতির গতি বাড়ানোর জন্য এ ধরনের কর অব্যাহতি প্রদান করে। এই প্রেক্ষাপটে, আইএমএফ ২০৩১ সালের মধ্যে সব ধরনের কর অব্যাহতি তুলে নেওয়ার শর্ত দিয়েছে।

আরও পড়ুন: পোশাকশিল্পকে রাজনৈতিক সংঘাতের বাইরে রাখতে হবে: বিশেষজ্ঞরা

এছাড়া, সংস্থাটির আরেকটি শর্ত হচ্ছে ভ্যাটের অভিন্ন হার কার্যকর করতে হবে। বর্তমানে ভ্যাটের হার ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন স্ল্যাব রয়েছে। শিল্পের সুবিধা ও জনস্বার্থে সরকার এ সুবিধা প্রদান করে আসছে। আইএমএফের ঋণ পাওয়ার জন্য ভ্যাটের একটি অভিন্ন হার কার্যকর করতে হবে। যদি ১৫ শতাংশ হয়, তাহলে সব ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ প্রযোজ্য হবে, আর ১০ শতাংশ বা সাড়ে ৭ শতাংশ হলে সব ক্ষেত্রেই একই ভ্যাট হার কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠকে উপস্থিত এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, "আইএমএফের বড় কনসার্ন হচ্ছে কর অব্যাহতি তুলে দিতে হবে। ভ্যাটের একটা স্ট্যান্ডার্ড রেট নির্ধারণ করতে হবে।" এছাড়া, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করার জন্য এনবিআরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে আইএমএফ। আরেকটি বড় কনসার্ন হচ্ছে এনবিআরকে বিভক্ত করা। যদিও সরকার ইতোমধ্যে এনবিআরকে ভাগ করে অধ্যাদেশ জারি করেছে, তবে আইএমএফ বিষয়টির বাস্তবায়ন দেখতে চায়।

সূত্র আরও জানায়, এনবিআরের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে করের আওতা বৃদ্ধি করার বিষয়টিতে জোর দিয়েছে আইএমএফের প্রতিনিধিদল। নতুন ঋণ প্রস্তাবের ক্ষেত্রেও বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। আইএমএফ বিষয়টির বাস্তবায়ন দেখতে চায়। এছাড়া, এনবিআর পৃথকীকরণের শর্তও রয়েছে। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার এনবিআরকে দুই ভাগ করার অধ্যাদেশ জারি করেছে। আগামী সংসদ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত বিল উঠছে। এনবিআরকে দুটি পৃথক বিভাগে বিভক্ত করে রাজস্ব নীতি ও বাস্তবায়ন আলাদা দুটি বিভাগ গঠন করা হচ্ছে। রাজস্ব নীতি বিভাগ পলিসি তৈরি করবে এবং বর্তমান এনবিআর বাস্তবায়ন বিভাগ হিসেবে কাজ করবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজস্বনীতি বিভাগে ১৬ সদস্যের একটি কাউন্সিল থাকবে। এই কাউন্সিলের মাধ্যমে ভবিষ্যতে রাজস্ব-সংক্রান্ত পলিসি কী হবে, তা নির্ধারণ করা হবে। এ কাউন্সিলে ব্যবসায়ী, আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও থাকতে পারেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: অ্যামচেমের সেমিনারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এআই ও ডিজিটাল অবকাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি বাড়ছে, ক্ষতিপূরণ চাইবে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি বাড়ছে, ক্ষতিপূরণ চাইবে বাংলাদেশ

তুরস্কের আনতালিয়ায় জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ শুরু হতে যাচ্ছে। এতে অংশগ্রহণ করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পাশাপাশি বিশ্বনেতারাও উপস্থিত থাকবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হিসেবে এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা অর্থায়ন, অভিযোজন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ আদায়ে অনেক বেশি।

জানা গেছে, সম্মেলনটি আনতালিয়ায় সোমবার (৯ নভেম্বর) শুরু হয়ে ১২ দিনব্যাপী চলবে।

বাংলাদেশের ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে। উপকূলে লবণাক্ততা, নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও তাপপ্রবাহের মতো সংকট মোকাবিলায় বিপুল অর্থ ও কার্যকর পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে। এই বাস্তবতায় এবারের জলবায়ু সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের দ্বারা।

প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশগ্রহণ করবেন। তার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের জলবায়ু সংকট ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে মনে করছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সম্মেলনে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষমতা, অভিযোজন পরিকল্পনা ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ ও পানিদূষণ মোকাবিলার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর দূষণের কারণে বাংলাদেশ যে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, সেসবের ক্ষতিপূরণ আদায়ের চেষ্টা করা হবে। বাংলাদেশ যে পরিমাণ সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, তা আদায়ে দরকষাকষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য দেশের দাবিগুলো সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরতে বিশেষজ্ঞদের প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের দাবি আদায়ে সমন্বিত অবস্থান প্রয়োজন। নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক জোটের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরতে পারলে দরকষাকষিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (সিপিআরডি) প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা সময় সংবাদকে জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অর্থায়নের ক্ষেত্রে কোনো দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার চেয়ে দেশটির ঝুঁকির মাত্রা বেশি গুরুত্ব পাওয়ার প্রয়োজন। জাতিসংঘের জলবায়ু আলোচনার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে এ বিষয়টি তুলে ধরতে হবে। বাংলাদেশের জন্য, নেপাল ও ভুটানকে নিয়ে যে জোট রয়েছে, সেটিকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এতে অভিযোজন ও অনুদানভিত্তিক অর্থায়নের পক্ষে বাংলাদেশের দাবি আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে কপ-৩১ থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য কার্যকর অর্থায়ন ও বাস্তবভিত্তিক সহায়তা নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের প্রধান প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুযোগ পেলে ঢাকাকে মনের মতো সাজাতে চান আবদুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


সুযোগ পেলে ঢাকাকে মনের মতো সাজাতে চান আবদুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তিনি পুরান ঢাকার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা নিরসন, হকার ও যানজট ব্যবস্থাপনা এবং সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ‘আমার দেশ’-এর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আবদুস সালাম ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দাদের সমর্থন চেয়েছেন তার অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে।

আমার দেশ : রাজধানীর অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুভূতি কেমন?

আবদুস সালাম : ঢাকা আমাদের প্রাণের শহর। এই শহরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেক স্মৃতি। আমি বৃহত্তর ঢাকার নির্বাচিত ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলর ছিলাম। সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি। এসব অভিজ্ঞতা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আমার দেশ : আগামী ডিএসসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন?

আবদুস সালাম : অবশ্যই অংশ নেব। এ লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি। আমার কাজের অভিজ্ঞতা ও জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, জনগণ চাইবে আমি তাদের সঙ্গে থেকে কাজ করি এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকি।

আমার দেশ : ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে আপনার প্রধান পরিকল্পনা কী?

আবদুস সালাম : ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে প্রথমেই প্রয়োজন বিদ্যুৎ, রাজউক, গ্যাস, পুলিশ ও ওয়াসার মতো সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সরাসরি সমন্বয়। সব কাজ সমন্বিতভাবে করতে হবে।

আমার দেশ : এসব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় কীভাবে নিশ্চিত করবেন?

আবদুস সালাম : এ জন্য মেয়রকে প্রয়োজনীয় অথরিটি দিতে হবে, যা সরকার দেবে। সরকারেরও সে পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এই সমন্বয়ের উদ্যোগ নিচ্ছেন। তিনি মাসে এক-দুবার আমাদের সবাইকে নিয়ে বসেন। এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে কাজ করা সহজ হবে।

আমার দেশ : ঢাকা বিভক্তির কারণে দুই সিটির উন্নয়ন ও সমন্বয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে?

আবদুস সালাম : ঢাকা বিভক্তির পেছনে প্রশাসনিক কোনো কারণ ছিল না, ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। তখন ঢাকার মেয়র ছিলেন বিএনপির সাদেক হোসেন খোকা। নির্বাচন ছাড়া তাকে মেয়র পদ থেকে সরানো সম্ভব হচ্ছিল না। মূলত তাকে সরাতেই ঢাকাকে বিভক্ত করা হয়েছিল।

দুই সিটির মধ্যে কাজের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যত্যয় তো ঘটেই। পুরান বা আদি ঢাকার করের টাকা দিয়েই নতুন ঢাকা তৈরি ও উন্নয়ন হয়েছে। সে ক্ষেত্রে উত্তর সিটিকে করের একটি অংশ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা তা পাচ্ছি না। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে উত্তর সিটির প্রশাসকের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। দুই সিটির প্রশাসক ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।

আমার দেশ : হকার সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কী উদ্যোগ নিচ্ছেন?

আবদুস সালাম : আমরা ঢাকার হকার সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই সমাধান চাই। এ জন্য হকার নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করে নির্ধারিত স্থানে ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার দেশে প্রথমবারের মতো হকার নীতিমালার খসড়া তৈরি করছে। নতুন এই বিধিমালা ডিএসসিসি এলাকায়ও কার্যকর হবে।

এক এলাকার হকার অন্য এলাকায় বসতে পারবেন না। কোনোভাবেই মূল সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেককে আইডি কার্ড, নম্বর ও ট্যাগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থাপনা একটি নিয়মের মধ্যে আসবে।

ফুটপাতের কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় হকারদের বসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় একটি নৈশকালীন মার্কেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। অফিস সময়ের পর সেখানে তারা ব্যবসা করতে পারবেন।

এ ছাড়া হলিডে মার্কেটের ব্যবস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় তারা ব্যবসা করছেন। নিবন্ধন শুরু হলে পরবর্তী সময়ে তাদের স্থায়ীভাবে বসার ব্যবস্থা করা হবে। সিটি করপোরেশনের নিবন্ধন ছাড়া কোনো হকার ঢাকা শহরে বসতে পারবেন না।

আমার দেশ : এর মাধ্যমে কি রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা আছে?

আবদুস সালাম : এ খাত থেকে খুব বেশি রাজস্ব পাওয়ার প্রত্যাশা করছি না। তবে হকারদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনা জরুরি।

আমার দেশ : ধানমন্ডি, নিউমার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কী পরিকল্পনা নিয়েছেন?

আবদুস সালাম : ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, ঢাকা কলেজ ও গ্রিন রোড এলাকায় পানি আটকে থাকে। আগে পানি নিষ্কাশনের পথ ছিল বিডিআর পিলখানার ভেতর দিয়ে। পিলখানার ঘটনার পর সেই পথগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেছি। তিনি একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু করতে পারব।

পুরান ঢাকায় পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর পথ নেই। পাইপলাইনগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। নতুন পাইপলাইন স্থাপন ছাড়া বিকল্প নেই। একই সমস্যা মালিবাগ, মৌচাক ও শান্তিনগর এলাকায়ও রয়েছে। ফ্লাইওভারের পিলার বসাতে গিয়ে অনেক জায়গায় পানি নিষ্কাশনের পথ নষ্ট করা হয়েছে। সেখানেও নতুন পাইপলাইন স্থাপন ছাড়া উপায় নেই।

ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলের পানি শেষ পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা কিংবা শীতলক্ষ্যায় ফেলতে হয়। এর বাইরে কোনো পথ নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী অপরিশোধিত ও দূষিত পানি নদীতে ফেলার পক্ষে নন। তাই পানি পরিশোধন করে নদীতে ফেলতে চাই। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুতই তা বাস্তবায়ন করতে পারব।

আমার দেশ : বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে কী পরিবর্তন আনছেন?

আবদুস সালাম : দায়িত্ব নেওয়ার সময় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এ কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করছি। আগে দিনে একবার বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ হতো। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর এখন তা দুইবার করা হচ্ছে। বর্জ্য যাতে নদী ও সড়কে না যায়, সে জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সব ধরনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্ল্যান রয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো কীভাবে দূর করা যায়, তা নিয়েও ভাবছি।

আমার দেশ : রাজধানীতে বাড়ি ভাড়া বাড়ছে। এটি নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনের কোনো ভূমিকা থাকবে?

আবদুস সালাম : বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা সংস্থা রয়েছে। এ বছর ডিএসসিসির বাজেট প্রণয়নের সময় বিভিন্ন দিক থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানোর চাপ ছিল। কিন্তু আমি বাড়াইনি। ট্রেড লাইসেন্স ফি বাড়ানোর চাপও ছিল, সেটিও বাড়াইনি।

কারণ, দক্ষিণ সিটির মানুষ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমার চিন্তা আগে তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো। আমার লক্ষ্য করের বোঝা বাড়ানো নয়, করের আওতা বৃদ্ধি। ঢাকা দক্ষিণে মাত্র দুই লাখ ৯৬ হাজার হোল্ডিং থেকে কর আদায় হচ্ছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। এ সিটিতে যে পরিমাণ বাড়ি-ঘর রয়েছে, সে তুলনায় হোল্ডিংয়ের সংখ্যা আরো বেশি হওয়ার কথা।

তাহলে আমরা হোল্ডিংয়ের পরিধি বাড়াতে চাই। পাশাপাশি অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর দিচ্ছে না। আবার অনেক জায়গা বেদখল করে ভোগ করা হচ্ছে। এসব সম্পত্তি সিটি করপোরেশনের আওতায় এনে করের পরিধি বাড়াতে চাই।

আমার দেশ : ডিএসসিসির ৭২টি মার্কেটে চাঁদাবাজি ও মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম বন্ধে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

আবদুস সালাম : মার্কেটগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। এ জন্য বিভিন্ন মার্কেটের সমিতির নেতাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছি। কোথাও অবৈধ দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলে সেগুলো কীভাবে বৈধতা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করছি।

আমার দেশ : মার্কেট সমিতিগুলোকে ব্যবহার করে মাফিয়া চক্রের ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগকে কীভাবে দেখেন?

আবদুস সালাম : অভিযোগটি অনেকটাই সত্য। এ কারণেই আমরা সমিতির নেতাদের সঙ্গে বসছি। তাদের বলেছি, অবৈধভাবে ব্যবসা না করে বৈধতা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে। বছরের পর বছর ভাড়া না দিয়ে অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান চালানোর সুযোগ নেই। এসব বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এরপরও সমাধান না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমার দেশ : আসন্ন নির্বাচনে আপনি মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচিত হলে প্রবীণ নাগরিক ও তরুণ প্রজন্মের জন্য কী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন?

আবদুস সালাম : অবশ্যই পরিকল্পনা রয়েছে। আদি ঢাকার প্রতি সিনিয়র সিটিজেনসহ অনেকেরই বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। তাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এখানে। মানুষ বিশ্বের যেখানেই থাকুক, জন্মভূমির প্রতি তার আলাদা টান থাকে।

সব দেশেই পুরোনো শহর রয়েছে। সেগুলো যতটা সম্ভব পরিপাটি ও সুন্দর করে সংরক্ষণ করা হয়। আমিও পুরান ঢাকার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাহিত্যগুলোকে ধরে রাখতে চাই। ঐতিহাসিক ও উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো সংরক্ষণ করতে চাই।

ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, বিশেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীদের এসব স্থান সম্পর্কে জানাতে ইতোমধ্যে ডিএসসিসি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। সপ্তাহে অন্তত একদিন স্কুল শিক্ষার্থীদের এসব ঐতিহাসিক এলাকায় ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হবে।

পুরান ঢাকার রাস্তাঘাট সরু। তাই যতটুকু সম্ভব সেগুলো সুন্দরভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। সেখানকার স্ট্রিট লাইট, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ও বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে। পুরান ঢাকার ঐতিহ্য বজায় রেখেই এলাকাটিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আল্লাহ যদি আমাকে সুযোগ দেন এবং জনগণ নির্বাচিত করেন, তাহলে ঢাকাকে মনের মতো সুন্দর করে সাজাতে চাই।

আমার দেশ : ডিএসসিসির নতুন ওয়ার্ডগুলোতে সড়ক, ড্রেনেজ ও বিদ্যুৎ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। এসব এলাকার উন্নয়নে কী উদ্যোগ নিচ্ছেন?

আবদুস সালাম : বিষয়টি আমাদের জানা আছে। সিটি করপোরেশনের আওতায় নতুন যেসব ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগেই রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। অনেক জায়গায় বিদ্যুতের ব্যবস্থাও নেই।

দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে পরিকল্পনা করেছি এবং এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছি। এসব এলাকা থেকে আমরা খুব বেশি করও পাচ্ছি না। সিটি করপোরেশনের পুরো এলাকাকে এখনো করের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গেও আলোচনা করেছি।

আমার দেশ : মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আবদুস সালাম : আমার দেশকেও ধন্যবাদ। পত্রিকাটি আরও পাঠকনন্দিত হোক—এই কামনা করি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিটির হার, ইউনাইটেড অবনমন জোনে, রিয়ালের জয়—ইউরোপিয়ান ফুটবলে আরও যা ঘটল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


সিটির হার, ইউনাইটেড অবনমন জোনে, রিয়ালের জয়—ইউরোপিয়ান ফুটবলে আরও যা ঘটল

ম্যানচেস্টার সিটি লিগে পরাজয়ের চক্র থেকে বের হতে পারছে না।

তারা পূর্ববর্তী দুই ম্যাচে পরাজিত হয়েছিল। অ্যাস্টন ভিলার পর পরাজয়ের পর ব্রাইটনের কাছে হেরে এবার ৩-১ গোলে নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিরুদ্ধে পরাজয় বরণ করতে হলো। তবে লিগের বাইরে তাদের পারফরম্যান্স ভালোই রয়েছে। এই তিন ম্যাচের মধ্যে এফএ কাপে ব্রাইটনকে পেনাল্টিতে পরাজিত করার পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লাইপজিগের বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছিল।

হারলেও সিটি পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে। ১০ ম্যাচে ৭ জয়ে তাদের পয়েন্ট ২১। নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। নটিংহ্যামের জয় তাদের অবনমন জোন থেকে বের করে এনে ইউনাইটেডকে তাদের জায়গায় নিয়ে গেছে। ৯ পয়েন্ট নিয়ে নটিংহ্যাম টেবিলের ১৬ নম্বরে উঠে এসেছে, অন্যদিকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে মাইকেল ক্যারিকের দল ১৮ নম্বরে নেমেছে।

আর্সেনাল ও এভারটনের জয়

সিটি পরাজিত হলেও শিরোপার দৌড়ে তাদের থেকে এগিয়ে থাকা আর্সেনাল জয়লাভ করেছে। মার্টিন ওডেগার্ডের গোলে হুল সিটিকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছে তারা। এভারটন কভেন্ট্রিকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। আর্সেনাল ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে, এভারটন ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে।

রিয়াল মাদ্রিদের টানা অষ্টম জয়

লিগে টানা চতুর্থ এবং মোট মিলিয়ে টানা অষ্টম জয় অর্জন করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার তারা ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে। ফেদে ভালভার্দে, আর্দা গুলার ও কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে জয়লাভ করে বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়ে শূন্যতে নামিয়ে এনেছে, যদিও ৩০ পয়েন্টধারী বার্সেলোনা রিয়ালের চেয়ে একটি ম্যাচ বেশি খেলেছে। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার কারণে টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনা রয়েছে।

লিগ ওয়ানে পিএসজি ১-০ গোলে ত্রয়েসকে পরাজিত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঘাটার তেনাচিরা বিলে পানি কমতেই লাল-সাদায় সেজেছে প্রকৃতি, নজর কাড়ছে দর্শনার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহীন আলম, স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৯ এম


সাঘাটার তেনাচিরা বিলে পানি কমতেই লাল-সাদায় সেজেছে প্রকৃতি, নজর কাড়ছে দর্শনার্থীদের

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পরিচিত ও আলোচিত 'তেনাচিরা ভাইরাল বিল'-এর রূপ এখন পুরোপুরি পাল্টে গেছে। বর্ষার থৈ থৈ পানি কমে যাওয়ায় বিলটির বুক জুড়ে এখন কেবলই সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফুটে থাকা অজস্র লাল ও সাদা শাপলা (স্থানীয়ভাবে পদ্ম/শাপলা ফুল হিসেবে সমাদৃত) ফুলের মনোমুগ্ধকর সমারোহ। চারপাশের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে এখন প্রতিদিন ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষার মৌসুমে বিশাল এই বিলটিতে প্রচুর পানির সমাগম থাকলেও শরৎ ও হেমন্তের এই সময়ে পানি কমতে শুরু করায় প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেওয়া শাপলা ফুলগুলো পূর্ণ যৌবন লাভ করেছে। সকালের সোনালী রোদে যখন বিলের পানিতে লাল ও সাদা শাপলাগুলো মাথা উঁচু করে হাসে, তখন পুরো এলাকা এক মায়াবী রূপ নেয়। স্থানীয় তরুণ ও দর্শনার্থীরা এই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ছুটে আসছেন বিলের পাড়ে। কেউ কেউ আবার নৌকায় চড়ে বিলের মাঝখানে গিয়ে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
প্রকৃতির এমন দৃষ্টিনন্দন রূপ ও অপার সৌন্দর্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার কারণে এটি এখন অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটে পরিণত হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই স্থানটিকে ঘিরে যদি যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন ও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, তবে এটি গাইবান্ধার একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান হিসেবে আরও বেশি পরিচিতি লাভ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%