বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৩ এম
দেশের বাজারে সোনার দাম ফের বেড়েছে, যা টানা তিন দফা কমার পর ঘটেছে। ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে, ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার নতুন দাম ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির একটি বৈঠকে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছিল। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এখন আবার দাম বাড়ানোর ফলে, তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম মোট ৬ হাজার ৬৫ টাকা কমেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ২৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২৪ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৪ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫১ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৮ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৭৪ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ৭১ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৬ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪২ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয়েছে ১টি তলোয়ার, ১টি চাপাতি, ১টি লোহার রডের মাথায় সংযুক্ত ধারালো গোলাকৃতির চাকতি, ১টি লোহার রড, ৯৫ পিস ইয়াবা, ৭০ গ্রাম হেরোইন, ৬৬৮ গ্রাম গাঁজা এবং ১টি প্রাইভেট কার।
রাজধানীর বিভিন্ন থানার এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে এসব আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের একটি শিশু ডে কেয়ারে এক শিশু ব্যাগ থেকে একটি গুলি ভর্তি (লোডেড) পিস্তল বের করেছে। তবে সেখানে উপস্থিত শিক্ষকের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে শিশুটির কাছ থেকে অস্ত্রটি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ডেট্রয়েট শহরের পশ্চিমে ক্যান্টন টাউনশিপের একটি শিশু ডে কেয়ারে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, শিশুটির ব্যাগের ভেতর একটি খাপে রাখা ভর্তি পিস্তল ছিল। যখন শিশু সেটি ব্যাগ থেকে বের করে, তখন সেখানে কর্মীরা দ্রুত অস্ত্রটি সরিয়ে নেন।
ক্যান্টন টাউনশিপের পুলিশ প্রধান জোসেফ বিয়ালি জানিয়েছেন, ঘটনার সময় কক্ষে একজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। তিনি শিশুটির হাতে অস্ত্র দেখতে পেয়ে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে সেটি সরিয়ে নেন।
পুলিশ প্রধান বলেন, ঘটনার ভিডিও দেখে বোঝা যায় যে, দৃশ্যটি যে কারও কাছে ভয়াবহ মনে হবে। তবে ডে কেয়ার কেন্দ্রের কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত ছিলেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সব শিশুকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা বলা কঠিন।
পুলিশ শিশুটির বাবা-মায়ের পরিচয় প্রকাশ করেনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অভিযোগও দায়ের হয়নি। তবে ওয়েন কাউন্টির সরকারি কৌঁসুলির দপ্তর জানিয়েছে, অভিযোগের আবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ওই দিন কোনো শুনানি হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
পুলিশ প্রধান জানান, শিশুটির বাবা-মায়ের একজন পাশের একটি এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা। তবে যাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তিনি সেই কর্মকর্তা নন। তিনি মনে করেন, অস্ত্রটি ওই কর্মকর্তার সরকারি অস্ত্র ছিল না।
ঘটনার পর শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রটি পরিবারটিকে আর সেখানে রাখেনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ডে কেয়ার কেন্দ্রে প্রবেশের সময় শিশুদের ব্যাগ তল্লাশি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ প্রধান বলেন, ঘটনায় কারও ইচ্ছাকৃত ক্ষতি করার উদ্দেশ্য ছিল বলে তিনি মনে করেন না। তার মতে, মূল বিষয় হলো আগ্নেয়াস্ত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
তিনি আরও বলেন, কোনো বাড়িতে শিশু থাকলে বা শিশুর উপস্থিতির সম্ভাবনা থাকলে আগ্নেয়াস্ত্র নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়া ও ভিয়েতনাম সামরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে। উভয় দেশের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
বৈঠকটি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিয়ো চোল উং এবং ভিয়েতনামের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী নগুয়েন চুয়ং থাং নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। আলোচনায় দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং তা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা চলে।
রিয়ো চোল উং ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ভিয়েতনাম সফর করছেন। সফরের সময় তিনি দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফান ভান জিয়াংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন। উভয় পক্ষ ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সমঝোতার আওতায় নির্ধারিত ক্ষেত্রগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিদল ভিয়েতনামের সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট ও সামরিক চিকিৎসা একাডেমি পরিদর্শন করেছে। তাঁরা দেশটির জাতীয় নেতা হো চি মিনের সমাধিতেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই সফরটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও জোরদারের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক তো লাম উত্তর কোরিয়া সফর করেন এবং দেশটির নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই সময় দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া ও ভিয়েতনামের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সর্বশেষ বৈঠকে নতুন কোনো সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেওয়া হয়নি; বরং পূর্ববর্তী সমঝোতার আওতায় সহযোগিতা আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একাধিক মাদক মামলার আসামি ওয়ালিদ হোসেন অলি; মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ, পুলিশের কিছু সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের দাবিও
বরিশাল নগরীতে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। একের পর এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হলেও বাংলাবাজার এলাকায় ২২ বছর বয়সী ওয়ালিদ হোসেন অলিকে ঘিরে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং পরিচালনা এবং পুলিশের কিছু সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তই চূড়ান্ত বিষয়।
বাংলাবাজার এলাকার একাধিক বাসিন্দার ভাষ্য, অল্প বয়সেই অলি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে এলাকায় একটি প্রভাববলয় তৈরি করেছেন বলে তাদের ধারণা। তার সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের একটি গ্রুপ রয়েছে এবং তাদের মাধ্যমে মাদক সরবরাহ ও বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অলির বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট রাতে বাংলাবাজার ইঞ্জিনিয়ার সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে ৭৫ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় ডিবির এসআই মো. ফিরোজ আলম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।
পরে জামিনে মুক্ত হয়ে অলি ফের এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি। বাংলাবাজার, রিফিউজি কলোনি, কালুশাহ সড়ক, আমতলার মোড়, আশেদ আলী সড়ক এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডসংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনাবেচার অভিযোগও রয়েছে।
এলাকাবাসীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আশেদ আলী সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত ড্রেনের ওপর তৈরি একটি রাস্তার এলাকায় সন্ধ্যার পর মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ে। সেখানে নিয়মিত মাদক কেনাবেচা চলে বলেও কয়েকজনের দাবি।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, এসব কথিত মাদক কার্যক্রমের সঙ্গে অলির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার সঙ্গে থাকা কিশোর ও তরুণদের একটি অংশ মাদক সরবরাহ ও বিক্রির কাজে ব্যবহৃত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মাদক ব্যবসার পাশাপাশি কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে। বাংলাবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের কথিত যোগসূত্র ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানে অলিকে ঘিরে কয়েকজন ব্যক্তির নাম ও যোগাযোগের তথ্য সামনে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। একাধিক সূত্রের ভাষ্য, একসময় র্যাবের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘নাক কাটা রুবেল’-এর মাধ্যমে অলির অপরাধজগতে প্রবেশ ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। রুবেল আত্মগোপনে যাওয়ার পর বাংলাবাজার বড়বাড়ি এলাকার এক যুবকের কাছ থেকেও অলি আশ্রয়-প্রশ্রয় পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই যুবক নিজেকে ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচয় দেন বলে সূত্রের দাবি।
অলির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের আরেকটি গুরুতর দিক হলো পুলিশের কিছু মাঠপর্যায়ের সদস্যের সঙ্গে তার যোগাযোগ থাকার দাবি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, অভিযানের খবর আগেই পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পান অলি—এমন ধারণা স্থানীয়ভাবে রয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তবে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করার মতো সরকারি নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য এই প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
২০২৬ সালের ২৫ মার্চ তরিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ ওঠে। পরে ধারালো অস্ত্র উঁচিয়ে একটি দল ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রের দাবি। একটি সূত্রের দাবি, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার জেরে ওই হামলা হয় এবং এতে অলির সম্পৃক্ততা নিয়ে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের আইনগত অবস্থান ও তদন্তের অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় বাবা-মায়ের সঙ্গে টিনের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন অলি এবং শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাঠে খেলাধুলা করতেন। বর্তমানে তার জীবনযাপন ও চলাফেরায় পরিবর্তন এসেছে বলে তাদের দাবি। বাংলাবাজারের এক বাসিন্দার দাবি, অলির দুটি ইয়ামাহা এফজেড মোটরসাইকেল রয়েছে এবং তিনি একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন।
তার বর্তমান জীবনযাপন ও সম্পদের উৎস নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এসব বিষয় নিজে কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; সম্পদের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে নথিপত্র যাচাই প্রয়োজন।
অন্যদিকে, বাংলাবাজার এলাকায় অলির কথিত মাদক নেটওয়ার্ক ও তার সঙ্গে থাকা কিশোরদের কার্যক্রম নিয়ে একটি বিশেষ ডিবি টিম তথ্য সংগ্রহ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
অলির বক্তব্য জানতে তালাশ বিডির পক্ষ থেকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে মাদক ব্যবসার অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে তাকে তার বিরুদ্ধে থাকা মাদক মামলার নথি এবং মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালীন কথিত কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণ থাকার কথা জানানো হলে অলি বলেন, “আমি এখন থানায় আছি, আপনার সঙ্গে পরে কথা বলব।”
পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার তার বক্তব্য চাওয়া হয়। জবাবে ভয়েস বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আপনার সঙ্গে রাতে বাসার সামনে এসে কথা বলব।” তবে নির্ধারিত সময়ে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএম হোয়াটসঅ্যাপে তালাশ বিডিকে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, “২২ বছর বয়সী ওয়ালিদ হোসেন অলির বিরুদ্ধে একাধিক মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা পরিচালনার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিও আমাদের নজরে রয়েছে। তাকে নিয়ে আমাদের বিশেষ ডিবি টিম কাজ করছে। বরিশালে কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের গ্রেপ্তার করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী যেকোনো সময় অলিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “পুলিশের কোনো সদস্য মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে অভিযানের তথ্য ফাঁস করেছেন বা তাদের কোনোভাবে সহযোগিতা করেছেন—তদন্তে এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ