শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩২ পি.এম
বহুভাষিক সিনেমায় কাজ করার সময় উচ্চারণ এবং ভাষার ব্যবহার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ট্রলের শিকার হন রাশমিকা মান্দানা। এবার এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে সরাসরি কথা বলেছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
রাশমিকা নিয়মিত তেলেগু, কন্নড়, তামিল ও হিন্দি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করছেন। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা থেকে বলিউডে তার অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। তবে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় কাজ করার ফলে নেটিজেনদের একাংশ তার উচ্চারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ নন। বরং কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন ভাষা শিখেছেন এবং প্রতিটি ভাষার সঙ্গে তার আলাদা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
রাশমিকার মাতৃভাষা কোদাভা টাক। কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন থাকলেও বড় কোনো চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে ওঠেনি। এজন্য অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তাকে অন্য ভাষায় কাজ করতে হয়েছে।
২০১৬ সালে কন্নড় সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়ে অভিষেক ঘটে। এরপর তেলেগু ছবিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘সারিলেরু নিক্কেভারু’ ও ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর মতো সিনেমা তাকে দক্ষিণ ভারতের পরিচিত মুখে পরিণত করে। পরে ‘গুডবাই’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। ‘অ্যানিমেল’-এর পর হিন্দি সিনেমাতেও তার পরিচিতি বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন ভাষায় কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রাশমিকা বলেন, তিনি কোনো একটি ভাষাকে আঁকড়ে ধরে ক্যারিয়ার তৈরি করেননি। কাজের সুযোগ ও দর্শকের ভালোবাসাই তাকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় নিয়ে গেছে। তিনি সব ভাষাকেই নিজের ভাষা হিসেবে দেখেন এবং দর্শকের সঙ্গে তাদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করেন।
উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে নিজের সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেছেন রাশমিকা। তার বক্তব্য, তিনি অনেক ভাষায় কথা বলেন ও কাজ করেন, কিন্তু কোনো একটি ভাষায় নিজেকে বিশেষজ্ঞ মনে করেন না।
রাশমিকার মতে, ভিন্ন ভাষায় কাজ করার সময় প্রতিটি উচ্চারণ শতভাগ নিখুঁত হওয়া সবসময় সম্ভব নয়। শেখার চেষ্টা এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করাটাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল নিয়ে তিনি খুব বেশি ভাবতে চান না। তার কাছে সিনেমা একটি দলগত কাজ। একটি ছবির সাফল্য বা ব্যর্থতার পেছনে অভিনেতার পাশাপাশি পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, সংগীতশিল্পীসহ অনেক মানুষের অবদান থাকে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিটি মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে চলতে চান না তিনি।
এদিকে রাশমিকার হাতে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বড় প্রজেক্ট রয়েছে। বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তার নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি ‘মাইসা’ ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবনভিত্তিক একটি সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানজীম রুবাইয়াত আফিফ ও সদস্য সচিব মোস্তাফিজুল কবীর (মমি আলসারী) স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে জিহাদুল মোতালেব মার্শালকে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন রায়হান আমিন ফাহিম এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে জোবায়েল আলম পাভেলকে।
আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে শাখাটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. মহিবুর রহমানকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. হাসান আল বান্না, আমির হাসনাত খান, জোবায়ের ইবনে আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি, সাবরিনা ইসলাম তরী, আশরাফুল ইসলাম ইমন ও ফাতেমা তুজ জোহুরা।
এ শাখায় সদস্য সচিব করা হয়েছে গোলাম সরোয়ার হিমেলকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইশতিয়াকুর রহমান, মো. এমরামুল ইসলাম (নাবিল), ইয়ামিন সরকার, ঐশ্বর্য মৃধা, সিনথিয়া ইসলাম ও এস এম ইয়াসিন আহমেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ইরিত্রিয়ার ওপর আরোপিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্ত এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন লোহিত সাগর এবং এর আশপাশের অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব ক্রমবর্ধমান। খবরটি দ্যা মিডল ইস্ট আই-এর।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানায়, ইরিত্রিয়ার ক্ষমতাসীন দল পিপলস ফ্রন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড জাস্টিস (পিএফডিজে), দেশটির সামরিক বাহিনী এবং রেড সি ট্রেডিং করপোরেশনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, রেড সি ট্রেডিং করপোরেশন ইরিত্রিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
এছাড়া, ইরিত্রিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ারকির ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হাগোস গেব্রেহিওয়েতের ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
২০২১ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইথিওপিয়ার টাইগ্রে অঞ্চলের সংঘাতে ইরিত্রিয়ার ভূমিকার জন্য এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। উল্লেখযোগ্য যে, ওই যুদ্ধে ইরিত্রিয়া ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে লড়াইয়ে অংশ নেয়।
আফ্রিকান ইউনিয়নের হিসাব অনুযায়ী, টাইগ্রে সংঘাতে প্রায় ৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। যুদ্ধ চলাকালে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে।
১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই প্রেসিডেন্ট আফওয়ারকি ইরিত্রিয়া শাসন করছেন। ২০২০-২০২২ সালের ইথিওপিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় দুই দেশ সাময়িকভাবে মিত্র হলেও পরবর্তীতে তাদের সম্পর্ক আবারও অবনতি ঘটেছে। বর্তমানে আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে আদ্দিস আবাবা ও আসমারার মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এদিকে, ইথিওপিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের গৃহযুদ্ধে ইউএই-সমর্থিত র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে সহায়তা দিতে ইথিওপিয়া ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে দেশটি আমিরাতের সরবরাহ করা ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্রব্যবস্থাও ব্যবহার করছে।
অন্যদিকে, ইরিত্রিয়া সুদানের সেনাবাহিনীকে সমর্থন দিচ্ছে। এ বিষয়ে মিসর, তুরস্ক ও সৌদি আরবও একই অবস্থানে রয়েছে।
একসময় ইউএইর ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল ইরিত্রিয়া। লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর আসাবে আমিরাতের একটি সামরিক ঘাঁটিও ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।
ইরিত্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওসমান সালেহ অভিযোগ করেন, ইউএই আফ্রিকাজুড়ে ‘বন্দর সাম্রাজ্যবাদ’ অনুসরণ করছে এবং ইসরাইলের সঙ্গে যৌথভাবে লোহিত সাগরে একটি নৌঘাঁটি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা ইরিত্রিয়ার লোহিত সাগর উপকূলের দৈর্ঘ্য এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও ইয়েমেনের জলসীমা মিলিয়ে গঠিত হয়েছে বাব আল-মান্দেব প্রণালি, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ।
এদিকে, ইয়েমেনের হুথি বাহিনী দেশটির পুরো লোহিত সাগর উপকূল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে। বর্তমানে তারা তাইজ ও মারিব অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও লড়াই করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওসমান সালেহ বলেন, ইয়েমেন সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই। তার মতে, দেশটিকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, লোহিত সাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, সে বিষয়ে উপকূলীয় দেশগুলোরই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তবে ইয়েমেনে ঐক্যবদ্ধ সরকার না থাকায় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদ, দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে একটি মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি শুক্রবার (১৮ই সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা উপজেলার নেতৃত্ববৃন্দ কমিটি গঠন ও আগামীর রাজনীতি এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে মতামত প্রদান করেন।
মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। তিনি বলেন, "গণঅধিকার পরিষদ ২০২২ সাল থেকে বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলন করে আসছে।" তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মিত্রদের দাবি হলো, বিএনপির উচিত তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত তাদের মূল্যায়ন করা। আবু হানিফ বলেন, "বিএনপি যখন ফ্যাসিবাদের আমলে হামলা মামলায় বিপর্যস্ত ছিল, তখন এই মিত্ররা তাদের পাশে ছিল। এখন যদি মিত্রদের মূল্যায়ন না করা হয়, তাহলে সংকটে পড়লে বিএনপি কাউকে পাশে পাবে না।"
আবু হানিফ আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ মিছিল করছে। তিনি বলেন, "তারা এই সাহস পেত না, প্রশাসনে থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের গুপ্তদের চিহ্নিত করতে হবে।" তিনি সতর্ক করেন যে, "এটা না হলে সরকার যেকোন সময় বিপদে পড়তে পারে।" সম্প্রতি গুলশানে অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের মিছিলে দেখা গেছে যে, গুলশান জোনের ডিসির সাথে তাদের পূর্বে যোগাযোগ ছিল, এবং প্রশাসনের সিগন্যালে তারা মিছিল করার সাহস পেয়েছে। তিনি বলেন, "এটি শুধু গুলশানে নয়, সারাদেশে একই অবস্থা। টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগকে মিছিল করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের দ্বারা।" সুতরাং, তিনি সকলকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সবাই যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক প্রধান সাকিব হোসাইন মন্তব্য করেন, "জুলাইয়ের পর সুবিধাবাদের রাজনীতি শুরু করেছে এনসিপি, অনেকেই সেখানে যুক্ত হয়েছে শুধু ধান্দা করার জন্য।" তিনি বলেন, "এনসিপি এখন হাদীর নামে ব্যবসা শুরু করেছে, অথচ এই হাদীই বলেছিলো এনসিপি জুলাইয়ের ঐক্য নষ্ট করেছে।" সাকিব হোসাইন সতর্ক করেন যে, "সুতরাং, এদের এই ধান্দাবাজির ব্যবসা বেশি দিন চলবে না।"
গণঅধিকার পরিষদ, দিনাজপুর জেলার সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম আজমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদ রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ মোন্নাফ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, পেশাজীবি অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ তোফায়েল আহমেদ দিহান, দিনাজপুর জেলার সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনর রশীদ হিমেল, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মোসাদ্দেক, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি ইয়াকুব, জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক মন্তব্য করেছেন, ‘রাজপথে নেমে ১১ দলের গণদাবি আদায়ের জন্য আমরা কাজ করছি। এই রাজপথ থেকে বিদায় নিয়ে আমরা ঘরে ফিরে যাবো। বর্তমান সরকারের জন্য গণভোটের গণরায় কার্যকর করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প পথ নেই। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। তারেক জিয়া সরকারকে গণভোটের রায় কার্যকর করেই ক্ষমতা ছাড়তে হবে ইনশাল্লাহ।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া-বাইপাসের টাঙ্গাইল রোডে লংমার্চের পথসভার বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো বাংলার মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। ১১ দল স্পষ্ট ভাষায় বলছে যে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য তারা নিজেরাই গড়বে। তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে সরকারের লুকোচুরি আর সহ্য করা হবে না। শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ও দেশপ্রেমিক ইলিয়াস আলীসহ যাদেরকে গুম, খুন, হত্যা করা হয়েছে, তাদের হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলার মানুষ আদায় করে ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ।’
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের যারা এখন পর্যন্ত বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেনি এবং মানুষের আবেগ নিয়ে খেলার চেষ্টা করছে, তাদেরকে স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই, আন্দোলন সংগ্রামে আমরা সফল হবো।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ