বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১০ এম
মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এই বক্তব্য তিনি বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিস প্রজেক্ট (আইইউপিএইচপিএসপি) আয়োজিত সেমিনারে প্রদান করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ধারাবাহিকভাবে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এই জাতীয় কমিটির প্রথম সভা ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি আশা প্রকাশ করছি যে, আইইউপিএইচপিএসপি এই কাজের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও মশার লার্ভা এখনও তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যাবশ্যক। সচেতনতার জন্য কোনো বিকল্প নেই। এর সাথে সাথে অনলাইন প্রচারণা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিরোধমূলক আচরণ গড়ে ওঠে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। তিনি একটি পরিচ্ছন্ন শহর ও সুস্থ-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান। তার নেতৃত্বে আমরা সম্মিলিতভাবে এই লক্ষ্য অর্জনের দিকে এগিয়ে যাব।
সভায় অন্যান্য বক্তারা উল্লেখ করেন, আইইউপিএইচপিএসপি বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো— শহরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা। বিশেষ করে নগর এলাকায় প্রতিরোধমূলক জনস্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রকল্পটি কাজ করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান এনডিসি, আইইউপিএইচপিএসপির প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রেরণায় সরকার দেশে সুশাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সমাজের কোনো মানুষকে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হবে না।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে দিনাজপুর জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্স ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের সময় তিনি এই কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই যেন ভালো থাকতে পারি এবং একসঙ্গে কাজ করতে পারি, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সকলকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগাতে হবে। একইসাথে, প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে। শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে হবে না, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে তাদের জীবনমানের বাস্তব উন্নয়ন ঘটে।
তিনি বলেন, দেশটা সবার, তাই দেশ গড়ার দায়িত্বও সবার। আমাদের সবার স্লোগান হোক- 'করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের দৃশ্যমান সুফল ইতোমধ্যে দেশের মানুষ দেখে ফেলেছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই মাস শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৬ বছরের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বহু জুলাই যোদ্ধা শহীদ হয়েছেন এবং অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন। জুলাইয়ের প্রথম দিনে তিনি তাদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে সরকার দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা, রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোছা. জিলুফা সুলতানা, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামান মণ্ডল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৫ জনের প্রত্যেককে একটি করে গরু ও একটি করে ছাগল দেওয়া হয়। এছাড়া ১১ জন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মধ্যে একটি করে হুইলচেয়ার দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন, এদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। চরম উত্তেজনার মধ্যে কিয়েভের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র ক্ষমতার লড়াই। আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেলেনস্কির বিরুদ্ধে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ভ্যালেরি জালুঝনি।
ইউক্রেনের আকাশে আবারও দেখা গেছে রুশ বোমারু বিমান ও ড্রোনের তান্ডব। বুধবার (০১ জুলাই) দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভ, ওডেসা এবং খেরসন অঞ্চলে একযোগে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে পুতিন বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে, এসব হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
পাল্টা আঘাত হানছে ইউক্রেনও। রুশ সীমান্তবর্তী এলাকার দিকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে জেলেনস্কি বাহিনী। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, এসব হামলায় লক্ষ্য করা হচ্ছে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো।
রণক্ষেত্রের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পটপরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সাবেক সেনাপ্রধান ভ্যালেরি জালুঝনি আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভলোদিমির জেলেনস্কিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
জালুঝনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, দেশের জনগণ তার ওপর আস্থা রাখছে এবং তিনি জনগণের এই বিশ্বাসের অমর্যাদা করতে সক্ষম হবেন না।
ইউক্রেন সংকটের সমাধানে মার্কিন নীতিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না সে ব্যাপারে রাশিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি বলে দাবি করেছে মস্কো।
এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসন তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন সম্পর্কে ক্রেমলিনকে অবহিত করেনি। তবে যুদ্ধ থামাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আন্তরিকতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই উল্লেখ করে মস্কো বলছে, আলাস্কা সম্মেলনের বোঝাপড়া অনুযায়ী যেকোনো ন্যায্য ও টেকসই সমাধানের প্রস্তাব বিবেচনা করতে তারা এখনও প্রস্তুত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুটিন ট্রেইনিংয়ের একটি সাধারণ দিন যে কারো জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে ওঠে, তা প্রমাণ করলেন নিউ ইয়র্ক সিটির ফায়ার ডিপার্টমেন্টের (এফডিএনওয়াই) এক শিক্ষানবিশ ফায়ারফাইটার। সহকর্মীদের সহযোগিতায় এক উদ্ধার অভিযানের মহড়াকেই তিনি সিনেমার মতো এক রোমান্টিক বিয়ের প্রস্তাবে পরিণত করেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টের বরাতে সম্প্রতি এই চমৎকার খবরটি প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।
এই ঘটনার প্রকৃতি ছিল র্যান্ডালস আইল্যান্ড ফায়ার একাডেমিতে এফডিএনওয়াই-এর বার্ষিক ‘ফ্যামিলি ডে’ অনুষ্ঠানে। এই বিশেষ দিনে শিক্ষানবিশ ফায়ারফাইটাররা তাদের পরিবার ও বন্ধুদের আমন্ত্রিত করেন, যাতে তারা তাদের গ্র্যাজুয়েশনের আগে জীবন বাঁচানোর কঠিন প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা সশরীরে দেখতে পারেন।
জেসন রালফ নামে ওই শিক্ষানবিশ ফায়ারফাইটার এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে তার প্রেমিকা ডেজিয়া মুরকে চমকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এখন ধরা যাক, ডেজিয়াকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন তিনি শুধু একটি উদ্ধার অভিযানের মহড়ার জন্য সাধারণ একজন স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডেজিয়াকে একটি ভবনের জানালার কার্নিশে বসিয়ে রাখা হয়েছিল, যাতে তাকে একটি নকল আগুন থেকে ‘উদ্ধার’ করা যায়। ডেজিয়া যখন জানালার পাশে গ্রহণযোগে অপেক্ষা করছিলেন, তখন জেসন পুরো ফায়ারফাইটিং গিয়ার ও ভারী পোশাক পরে নিরাপত্তার জন্য ভবনের ছাদ থেকে দড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসেন।
প্রেমিকাকে নকল আগুন থেকে সুরক্ষিতভাবে ‘উদ্ধার’ করার পর জেসন আসল চমকটি দেন। উদ্ধার কাজ শেষ করে তিনি সবার সামনে এক হাঁটু গেঁড়ে বসেন এবং পকেট থেকে আংটি বের করেন। ঠিক সেই সময়ে পাশে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যান্য ফায়ারফাইটাররা বড় বড় অক্ষরে লেখা প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন, যাতে লেখা ছিল— ‘Marry me’ (আমাকে বিয়ে করবে?)।
প্রেমিকের এমন অভিনব ও সাহসী প্রস্তাব দেখে ডেজিয়া আর ‘না’ করতে পারেননি। তিনি সানন্দে জেসনের প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ বলে সম্মতি জানান।
এই মিষ্টি মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ শেয়ার করেছে ফায়ার ডিপার্টমেন্ট। তারা ক্যাপশনে লেখে, ‘শিক্ষানবিশ ফায়ারফাইটার জেসন রালফ গত শনিবার ফ্যামিলি ডে-তে এক হাঁটু গেঁড়ে বসে ছিলেন। এর জন্য ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সবাই একযোগে কাজ করেছিল। তার বর্তমান বাগদত্তা ডেজিয়া মুর ‘হ্যাঁ’ বলেছেন! অভিনন্দন, প্রোপি (শিক্ষানবিশ)!’
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ইন্টারনেটে শুভেচ্ছার বন্যা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘যখন ভালোবাসার ‘স্ফুলিঙ্গ’ উড়ে! অভিনন্দন আপনাদের!’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘শিক্ষানবিশদের কি একটুও মজা করার অধিকার নেই? দারুণ মিষ্টি একটা মুহূর্ত!’
পেশাদার জীবনের কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রশিক্ষণের মাঝেও ভালোবাসার এমন প্রকাশ ফায়ার একাডেমির ‘ফ্যামিলি ডে’-কে উপস্থিত সবার কাছে এক অবিস্মরণীয় দিন হিসেবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. মিন্টু পাটোয়ারী (৪৫), মো. হৃদয় (৩০), মো. মতিন (৩৫), মো. মিন্টু মিয়া (৩৮), মো. ইসমাইল হোসেন তারেক (২৫), মো. ওয়াহেদ আলী (৩৩), মো. শাহজালাল (১৯), মো. সম্রাট আহম্মেদ (২৬), মো. কাশেম (২০), বাবলু (২৪), মো. আলামিন রতন (২৩), মো. সোহাগ (৩৫), মো. নাসির উদ্দিন (৩০), মো. শরিফ (৩৪), মো. আল আমিন (২২), মো. জয়নাল হোসেন (২৬), মো. শাওন সরকার (২২), প্লাবন দাস (২৩), ইউসুফ আলী (৪০), আরিফুল ইসলাম (৪০), হামীম (২২), বেলাল হোসেন (২৪), মো. মনিরুল ইসলাম (৩৬), বেলাল হোসাইন (৩১), মো. আলতাফ হোসেন (২৮), মো. সেলিম (২৮), মো. জলিল, মো. ইমরান ওরফে কালা ইমরান, মো. মোশারফ হোসেন (৩০), মো. মামুন (২৪), মো. মুশফিকুর রহমান সুমন (৩০), মো. রুবেল মিয়া (১৯), মো. নূর আলম (২০), মো. সৌরভ হোসেন (১৯), মো. নাদিম (২৭), মো. জসিম (৫৮), মো. জুয়েল (৫২), মো. ঝন্টু (২৭), মো. হোসেন (২৬), মো. ইরফান (৩০), মো. রিংকু খান (২৮), মো. রুবেল (২৯), মো. সাগর (২৩), মো. সোহেল (২১), মো. রিয়াজুল ইসলাম, মো. কাউছার সিকদার (২৮), মো. কাউছার (৫০), মো. নাঈম (১৯), মো. সুলতান (১৮), মো. শান্ত (১৮), মো. আরিফ (২০), মো. বাচ্চু মিয়া, মো. নাহিদ (২২), মো. সালমান (৩০), মো. শুক্কুর মিয়া (৩০), রাশেদুল (১৮), মো. নাঈম (১৯), মো. ফরতাজ (৪৪), মো. দীন ইসলাম (৩২), মোছা. নীলা আলম (৪৫) এবং মো. জাহাঙ্গীর মিয়া (৩৬)।
বুধবার (১ জুলাই) রাতে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানা থেকে ৯ জন, শেরেবাংলা নগর থানা থেকে ১৬ জন, মোহাম্মদপুর থানা থেকে ১৬ জন, আদাবর থানা থেকে ১০ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে ৪ জন এবং হাতিরঝিল থানা থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ