বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০১ পি.এম
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনী হঠাৎ করে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল বেলা এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় পুলিশ, এপিবিএন এবং বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এই অভিযানটি তিনটি টিমে বিভক্ত হয়ে পরিচালনা করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানে কোনো অপরাধীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, সন্ত্রাসীদের প্রথম ও দ্বিতীয় সারির সদস্যরা জঙ্গল সলিমপুরে নেই।
অভিযান শেষে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম মন্তব্য করেন, জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে পুলিশ, বিজিবি ও এপিবিএন সদস্যরা অবস্থান করছেন। এলাকাটি বড় ও দুর্গম হওয়ায় এখানে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এটি একটি অপরাধপ্রবণ এলাকা। সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনাকারী এবং সাম্রাজ্য বিস্তারকারী ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে এই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, আজকের অভিযানে তিনটি টিমে বিভক্ত হয়ে কাজ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা এবং তাদের একটি বার্তা দেওয়া—তাদের ক্ষতি হয় এমন কিছু করার জন্য আসা হয়নি। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই আমরা এখানে এসেছি। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছিল যে তাদের উচ্ছেদ করা হবে, কিন্তু এমন কিছু করা হবে না। তারা নিজেদের মতো করে নিরাপদে থাকতে পারে। আমরা তাদের সহায়তা করব।
তিনি বলেন, এই এলাকায় যারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়, তাদের জন্য একটি বার্তা হচ্ছে—যদি তারা এখানে আসেন বা থাকেন, তাহলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছি কিন্তু কাউকে পাওয়া যায়নি। এখানে সন্ত্রাসীদের প্রথম বা দ্বিতীয় সারির সদস্যরা নেই। তারা পলাতক অবস্থায় রয়েছে। কিছু সদস্য রাতে হয়তো ফিরে আসতে পারে। তৃতীয় বা চতুর্থ সারির সদস্যদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। নিয়মিত গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার বলেন, অভিযানের মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে—যদি কেউ কোনো ধরনের অপচেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে। একবারে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
অভিযানের সময় পুরো এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে গেছে। কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে—এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, এটি আতঙ্কের ফল হতে পারে। তবে আমরা অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তারা জানিয়েছেন, অনেক বাসিন্দা বিদেশে অবস্থান করছেন। আবার কেউ কেউ বাইরে কাজ করছেন এবং রাতে ফিরে আসতে পারেন। এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা একটি শান্তির বার্তা দিতে চাই। সন্ত্রাসীরা যেন অপরাধ করতে না পারে। যদি তারা অপরাধ করে, তাহলে বাসিন্দাদের আমাদের জানানোর জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এখানে যেন দেশের অন্যান্য অংশের মতো নিরাপদে বসবাস করা যায়, যাতে কোনো সমস্যা না হয়।
পুলিশ সুপার জানান, তিনটি রাস্তার কাজ করছে সেনাবাহিনী। রাস্তা নির্মাণ সম্পন্ন হলে আমাদের চলাচল বৃদ্ধি পাবে। এরপর আর কোনো কানাঘুষা থাকবে না। যারা শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে, তারা পলাতক। নতুন কাউকে গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। যদি কেউ গড়ে উঠতে চায়, তাহলে তাদের অঙ্কুরেই ধ্বংস করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ী এলাকায় স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত সুমন মিয়াকে (২৮) এক বছরের কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের বারইপটল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন মিয়া কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামের মুসলিম মিয়ার পুত্র। তিনি স্থানীয় একটি বেকারি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার সময় দীর্ঘদিন ধরে সুমন তাঁকে উত্ত্যক্ত করছিলেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে পুনরায় উত্ত্যক্ত হওয়ার পর, বিদ্যালয়ে পৌঁছে তিনি বিষয়টি শিক্ষক ও সহপাঠীদের জানিয়ে দেন। এরপর বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্থানীয় বেকারি কারখানা থেকে সুমনকে আটক করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা রিছিল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন। এরপর বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সুমনকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লিজা রিছিল মন্তব্য করেন, ‘স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক যুবককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়ে পুলিশে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইভটিজিং বা যেকোনো ধরনের হেনস্তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক শিশুকে রিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে স্থানীয়রা এক নারী ও এক পুরুষকে আটক করেছেন। তাদের পরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনা বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটিয়া পৌরসভার কাগজীপাড়া এলাকায় ঘটে।
আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন পটিয়ার কচুয়াই ইউনিয়নের আবুল ফয়েজের ছেলে মো. ফারুক (৪২) এবং অপরজন কুতুপালং এলাকার জামাল হোসেনের মেয়ে শাহাজাহান বেগম (৪০)। জানা গেছে, শাহাজাহান বেগম উপজেলার বাদামতল এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, কাগজীপাড়া এলাকার আশরাফ আলী একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে সালমা ইকরা (৯) বিদ্যালয় ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় এক রিকশাচালক ও এক নারী তাকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে রিকশায় তুলে নেন। কিন্তু রিকশাটি বাড়ির সামনে না থামিয়ে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করে।
শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রিকশাটি থামানোর চেষ্টা করেন। পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে রিকশাসহ ওই দুজনকে আটক করেন। পরে তাদের পটিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনার ফলে এলাকায় শিশুধরা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শিশুটির বাবা প্রবাসী শাহনেওয়াজ মামুন বলেন, ‘আমার মেয়েকে বাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন বের হয়ে আসেন। পরে সবার সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। পরে ওই দুজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘শিশুধরা অভিযোগে দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষককে যোগদান করানোর জন্য প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে তাদের যোগদান করানোর ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা রইল না। এছাড়া, যোগদানের পরপরই তাদের পদায়ন নিয়ে শঙ্কাও দূর হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভেটিংয়ে পে স্কেল নিয়ে নতুন তথ্য এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, জানিয়েছেন যে, ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের যোগদানপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানোর জন্য প্রশাসনিক আদেশ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বৃহস্পতিবার এতে স্বাক্ষর করেছেন। মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ অধিদপ্তরে আসলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তিনি জানান, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে যোগদান কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে অধিদপ্তরের। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। আশা করা হচ্ছে, ১ অক্টোবরের মধ্যে সব সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক যোগদানপত্র হাতে পাবেন। এরপর তাদের পদায়ন করা হবে।
প্রশিক্ষণের আগে ক্লাসে নয়
যোগদানের পর সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন করা হবে। তবে পদায়ন পেলেও তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ক্লাসে অংশ নেবেন না। যোগদানের পর নতুন এসব সহকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণে যাবেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা ক্লাস নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণের আগে নতুন শিক্ষকদের ক্লাসে পাঠানো হবে না। তিনি বলেন, "প্রশিক্ষণ চাকরির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পদায়নের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু হওয়া উচিত।" দুই মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁরা স্কুলে ক্লাস নিতে পারবেন। তার আগে তাঁদের ক্লাসে পাঠানো হবে না।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা কিছুটা তড়িঘড়ি নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে এ নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও বিভিন্ন ব্রিফিং ও অনুষ্ঠানে এ নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও তাড়াহুড়া নিয়ে বক্তব্য দেন।
পরে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদানের শর্ত হিসেবে প্রশিক্ষণে পাস করার বিষয়টি মন্ত্রী জানিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশিক্ষণের মূল্যায়নের ভিত্তিতে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
প্রশিক্ষণের মডিউল তৈরি করা নেপের মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ বলেন, "প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হতে না পারলে কারো নিয়োগ বাতিল হবে বলে তিনি মনে করেন না।" তবে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত প্রশিক্ষণ মডিউলে যুক্ত করা হবে কি না, তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলতে পারবে।
গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায়, পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া, একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। পাশাপাশি জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তরা এখনো যোগদান করতে পারেননি। তবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদান ও পদায়নের ঘোষণা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের প্রক্রিয়ায় বিদেশি কোম্পানির পাশাপাশি দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী। সম্প্রতি তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে এই পরামর্শ তুলে ধরেন।
আজম জে চৌধুরী মন্তব্য করেন, "সুযোগ দিলে দেশের বেসরকারি খাত নিজেই প্রবৃদ্ধি করবে। আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতি যা হয়েছে, সবই বেসরকারি খাতের অবদান।" তিনি যুক্ত করেন, "তাহলে বাংলাদেশে গ্যাস-তেল অনুসন্ধান তারা (বেসরকারি প্রতিষ্ঠান) পারবে না কেন। আমি বিশ্বাস করি সুযোগ দিলে আমরা পারব।"
তিনি আরও বলেন, "যারা তেল কোম্পানি তারা নিজেরা অনুসন্ধান করে না। অনুসন্ধানের জন্য ড্রিলিংটা করে একটা ভেন্ডর। আপনি একটা ভেন্ডর নিয়োগ করবেন সে ড্রিলিং করবে।"
ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উচিত হবে ডিপিএম মেথডে প্রধান তেল কোম্পানি এক্সন মবিল, শেল এবং বিপিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আলোচনা করে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা। তিনি বলেন, "এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে বেসরকারি দুইটা কোম্পানিকে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেওয়া। তারা (বেসরকারি কোম্পানি) যদি ১০ শতাংশ থাকে ওদের সঙ্গে তাহলে এদের (বেসরকারি কোম্পানি) সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।"
তিনি আরও বলেন, "তারা (বেসরকারি কোম্পানি) জানবে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কিভাবে হয়। আমি জানি সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়াররা প্রধান তেল কোম্পানিতে কাজ করছে।"
আজম জে চৌধুরী বলেন, "আমরা অনুসন্ধানের কাজ করতে পারব না এরকম কথা না। কথা হচ্ছে আমাদের ক্যাপিটাল এত স্ট্রং না।" তিনি একটি শর্তের কথা উল্লেখ করে বলেন, "প্রধান তেল কোম্পানির সঙ্গে একটা শর্ত করে দেওয়া যায় যে তাদের চুক্তির সঙ্গে ১০ থেকে ২০ শতাংশ বাংলাদেশের বেসরকারি কোম্পানি থাকবে। তাহলে ওই কোম্পানিগুলো দক্ষতা অর্জন করে ফেলবে।" তিনি ভারতীয় কোম্পানির উদাহরণ দিয়ে বলেন, "ভারত আগে থেকে শিখে আসে নাই। ভারতের কোম্পানিগুলোও নিজেরা অনুসন্ধান করছে। আমরাও সেটা করতে পারি বলে আমার বিশ্বাস।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ