ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুর রেঞ্জে জরুরি পরিস্থিতির জন্য পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম গঠন


রংপুর রেঞ্জে জরুরি পরিস্থিতির জন্য পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম গঠন

রংপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার জন্য এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের অধীনে গঠন করা হচ্ছে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (কিউআরটি)। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বা জরুরি পরিস্থিতির উদ্ভব হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ডাকার অপেক্ষা না করে, এই টিমগুলো সমন্বিতভাবে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর ডিআইজি কার্যলয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত বিশেষ পর্যালোচনা সভায় বিভাগের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার লক্ষ্যে এ ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (কিউআরটি) গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় পুলিশ বিভাগের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ সভাপতিত্ব করেন। তিনি জানান, কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট হোস্ট ইউনিটের নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় পরিচালিত হবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট জেলায় পুলিশ সুপারের নির্দেশনা অনুযায়ী টিমগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করবে।

আরও পড়ুন: ডিএনসিসি প্রশাসক: ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি

সভায় প্রতিটি জেলা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যদের তালিকা দ্রুত প্রস্তুত করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর পুলিশি সাড়া নিশ্চিত করতে রংপুর রেঞ্জ পুলিশ সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও সভায় জানানো হয়।

রংপুর রেঞ্জ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সভায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদ, রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রংপুর বিভাগের আট জেলার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে: মীর শাহে আলম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকরা জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন: ইফা ডিজি মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকরা জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন: ইফা ডিজি মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষিকারা দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের বেতন ও ভাতা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে। যদি মাদরাসা শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা প্রদান না করা হয়, তাহলে সমাজ পিছিয়ে যাবে এবং আদর্শ নাগরিক তৈরির কার্যক্রম ব্যাহত হবে।

দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষিকারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা এবং সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদক, নারী নির্যাতনসহ সামাজিক সমস্যা সমাধানে দারুল আরকাম ইসলামী শিক্ষা পরিচালনা ও সুসংহতকরণ প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহায়ক কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় সভা এবং অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বিষয় তুলে ধরেন।

ইফার প্রকল্প পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদারের সভাপতিত্বে এবং সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মুফতি নাজমুল হুদার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্ণরসের সিনিয়র সদস্য মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, ইফার বোর্ড সদস্য মুফতি আজাহারুল ইসলাম, ইফা বোর্ড সদস্য মুফতি শরীফ উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ইফা সচিব শেখ মুর্শিদুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, ইফা পরিচালক মো. মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মুফতি জয়নাল আবেদী, প্রকল্প পরিচালক এস এম তরিকুল ইসলাম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি এম এ বারি। মতবিনিময় সভায় দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পক্ষ থেকে কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিল ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীতকরণ, প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও সহায়ক কর্মী নিয়োগ প্রদান, শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের বেতন-ভাতা মাসিক ভিত্তিতে পরিশোধ, ২০২০ সালের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রতিটি মাদরাসার জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জনবলের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করার দাবি জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের প্রভুত্ব থেকে জাতিকে রক্ষা করতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


ভারতের প্রভুত্ব থেকে জাতিকে রক্ষা করতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) বলেছেন, বাঙালি জাতিকে ভারতীয় প্রভুত্ব থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে দেশের নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা ব্যারেজসহ বিভিন্ন নদী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা অডিটোরিয়ামে অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক অনুদান ও টিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সফলতার ধারাবাহিকতায় খুব শীঘ্রই নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ। উজান থেকে পানি পাঠিয়ে তারা যেভাবে আমাদের প্লাবিত করে, তিস্তা ব্যারেজের মাধ্যমে সেই পানি আটকে রেখে খরা মৌসুমে আমাদের দেশের কাজে ব্যবহার করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সুরমা নদীতেও আমরা ব্যারেজ ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করব। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হবে নিজস্ব অর্থায়ন এবং চীনের সহায়তায়। আমরা কাজের মাধ্যমে ভারতীয় দাসত্ব ও প্রভুত্ব থেকে বাঙালি জাতিকে রক্ষা করতে চাই।”

রাজনীতি ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের বিপক্ষে নই। আমরা অতীতে দেখা ফ্যাসিস্টদের মতো খুন, গুম, রাহাজানি, লুটপাট, চুরি বা টাকা পাচারের নীতিতে বিশ্বাস করি না। প্রত্যেকে নিজ নিজ মত প্রকাশ করবে—সেটাই গণতন্ত্র। তবে যারা ২০২৪-এর জুলাইয়ে আমাদের প্রায় দেড় হাজার ছাত্র-যুব-জনতাকে হত্যা করেছে এবং যারা সংবিধানিকভাবে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ, তাদের কোনো প্রচারণা বরদাশত করা হবে না এবং তাদের সাথে কোনো আপস করা হবে না।”

দেশের সীমানা রক্ষা ও অভ্যন্তরীণ শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “বাংলাদেশ এমন এক ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে, যেখানে পরাশক্তি কোনো আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করলে তা দেশের মাটিতে বরদাশত করা হবে না। আমাদের ২০ কোটি মানুষই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ও শক্তি। আমাদের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রায় দেশ চলছে। দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলো আজ বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে, চিকিৎসকদের সুনাম তৈরি হয়েছে। এই অর্জিত সুনাম ও স্বাধীনতাকে কোনো ফ্যাসিবাদের ষড়যন্ত্রকারী নষ্ট করতে পারবে না।”

অন্য দেশগুলোর সুবিধা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমরা ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি অন্যের কাছে দাসত্ব করার জন্য নয়। আমাদের মাটি ব্যবহার করে অন্য দেশের ট্রেন বা বাস বিনা খাজনায় চলে যাবে, তারা আমাদের ট্যাক্স দিবে না বা আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গাড়ি পরীক্ষা করতে পারবে না—এমন পরাধীনতার দিন শেষ। এই পরাধীনতার হাত থেকে দেশকে মুক্ত রাখাই আমাদের মূল অঙ্গীকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের ওয়রিয়েন্টেশন, এমপি’র অর্থ সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের ওয়রিয়েন্টেশন, এমপি’র অর্থ সহায়তা

ময়মনসিংহ, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উৎসবমূখর পরিবেশে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে একাদশ সাধারণ ও ব্যবসা শিক্ষা শাখায় ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়রিয়েন্টশন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, যিনি ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য ৫শ’ টাকা করে আর্থিক সহযোগিতার ঘোষণা দেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে নবাগত শিক্ষার্থীদের ওয়রিয়েন্টশন অনুষ্ঠানটি বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ উল্লেখ করেন, "আমি কৃষকের সন্তান। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলআমিনের দয়ায় জনগণের সমর্থনে এমপি হয়েছি। কিন্তু একটি কৃষক পরিবারের সকল কাজ এবং পরিবেশের সঙ্গে আমার শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমি জানি একটি কৃষক পরিবারের সন্তান কত কষ্ট করে লেখাপড়া করে, সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে মা-বাবা কী কষ্ট করে।"

তিনি আরও বলেন, "বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় অচিরইে ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার স্বার্থে একটি বহুতল ভবন বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।"

এ সময় এমপি শিক্ষার্থীদের খেলাধূলা চর্চার জন্য ফুটবল, ভবিবলসহ ক্রিকেট সরঞ্জামাদি দেওয়ারও আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ সোহেল রহমান।

এ সময় প্রতিষ্ঠানের গভনিং বডির সভাপতি আব্দুর রব আকন্দের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অভিভাবক সদস্য সৈয়দ সাইদুজ্জামান।

প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক সুমন্ত কুমার সাহা রায়।

এতে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাশফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে: দেখতে ভিড় জমাচ্ছে দর্শনার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


কাশফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে: দেখতে ভিড় জমাচ্ছে দর্শনার্থীরা

শরতের নীল আকাশের নিচে, সাদা মেঘের ভেলা এবং মৃদু বাতাসে দুলতে থাকা শুভ্র কাশফুল বর্তমানে রংপুরের মানুষের মধ্যে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। সবুজের মাঝে ফুটে থাকা সাদা কাশ যেন দূর থেকে শুভ্রতার চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর-পাগলাপীর রোডের পাশে প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

রংপুর সদর উপজেলার পাগলা পীর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত জমি এখন কাশফুলের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকায় ফুটে থাকা কাশফুল বাতাসের সঙ্গে দুলে দৃষ্টিনন্দন একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করছে। শরতের এই সৌন্দর্য দেখতে বিভিন্ন বয়সের মানুষ ছুটে আসছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকালের কোমল রোদে কাশফুলগুলো যেন আরও ঝলমল করছে। হালকা বাতাসে সারি সারি কাশফুল একসঙ্গে দুলছে। প্রকৃতির এই শুভ্র আয়োজন দেখে দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হচ্ছেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আবার কেউ প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে এখানে আসছেন।

কাশবনের শুভ্রতার সঙ্গে নির্মল বাতাস উপভোগ করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের অনেকেই মুঠোফোনের ক্যামেরায় মনোরম দৃশ্য ধারণ করছেন। কাশফুলের মাঝে ছবি তুলতে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী, শিশু ও পরিবারের সদস্যদের দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্যও অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।

সকালের সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিকেলেও কাশবনের রূপ পরিবর্তিত হয়। বিকেলের নরম রোদে সাদা কাশফুলের ওপর পড়ে সোনালি আভা। সূর্যাস্তের সময় দিগন্তজোড়া কাশবন হয়ে ওঠে আরও মোহনীয়। তখন প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বছর শরৎ মৌসুমে এই এলাকায় কাশফুল ফুটলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বেড়াতে আসেন। বিশেষ করে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বেশি থাকে। পরিবারগুলো শিশুদের নিয়ে যেমন আনন্দ করছে, তেমনি তরুণ-তরুণীরাও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসছেন।

দর্শনার্থীদের একজন বলেন, "শহরের ব্যস্ততা ও কোলাহলের মধ্যে এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ সত্যিই প্রশান্তি দেয়। কাশফুলের শুভ্রতা আর খোলা বাতাসে কিছু সময় কাটালে মন ভালো হয়ে যায়।"

প্রকৃতির এই নির্মল আয়োজন মানুষের ব্যস্ত জীবনে স্বস্তির পরশ এনে দেয়। যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি ভুলে কিছুটা সময় প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে পাগলা পীরের এই কাশবন।

শরতের কাশফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং এর সঙ্গে মিশে আছে বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, শৈশবের স্মৃতি ও মাটির প্রতি মানুষের গভীর টান। তাই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মুখর কাশবন যেন প্রকৃতির ভাষায় বলে চলেছে—শরৎ এসেছে, বাংলার প্রকৃতি সেজেছে তার চিরচেনা শুভ্র সাজে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%