মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৭ পি.এম
প্রশিক্ষণ ছিল দক্ষতা অর্জনের, আর সেলাইমেশিন হলো সেই দক্ষতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ। তিন মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ শেষে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ২০ নারী পেলেন সনদ ও কর্মসংস্থানের সহায়ক সরঞ্জাম। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে তাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে একটি করে সেলাইমেশিন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় দীঘিনালা জোনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী পাহাড়ি ও বাঙালি নারীদের হাতে এসব সেলাইমেশিন ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে দীঘিনালা জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন মু. শায়খউদ্দীন সাকলাইন, অ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন মো. জাহিদ হাসান জয় ও মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তিন মাসের প্রশিক্ষণে নারীদের পোশাক তৈরি, সেলাই এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবহারিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে শুধু সনদ দিয়ে থেমে না থেকে তাদের হাতে সেলাইমেশিন তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারেন তারা।
প্রশিক্ষণার্থীদের কয়েকজন জানান, সেলাই শেখার আগ্রহ থাকলেও মেশিন কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেকেই শেখা কাজ নিয়মিতভাবে কাজে লাগাতে পারতেন না। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মেশিন পাওয়ায় এখন নিজেদের দক্ষতা দিয়ে আয় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, সেলাইয়ের কাজ শেখার পর নিজের একটি মেশিন পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। এখন বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারব। নিজের আয় করার পাশাপাশি পরিবারের খরচেও সহযোগিতা করতে চাই।
দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার মানুষের দক্ষতা বাড়িয়ে তাদের আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নারীদের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে তাদের অর্জিত দক্ষতাকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আয়োজকদের মতে, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় কর্ম-সরঞ্জাম একসঙ্গে পাওয়ায় এসব নারী নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে সেলাই ও পোশাক তৈরির কাজ করতে পারবেন। এতে ব্যক্তিগত আয়ের পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহযোগিতায় তাদের ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সেলাইমেশিন হাতে পাওয়া নারীদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে নিজেদের কাজের পরিধি বাড়াবেন তারা। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজে নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া-নেত্রকোনা সড়কের রামপুর এলাকায় বিদ্যুতের খাম্বাবাহী একটি লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মামুন মিয়া (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার পর লরিটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরে ময়মনসিংহের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা থেকে চালকসহ সেটিকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে রামপুর বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন মিয়া নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পাইলাটি গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশাগত দায়িত্ব শেষে মোটরসাইকেলে করে কেন্দুয়া থেকে পূর্বধলার দিকে যাচ্ছিলেন মামুন মিয়া। একই সময়ে নেত্রকোনা থেকে বিদ্যুতের খাম্বা বোঝাই একটি লরি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। রাত ১১টার দিকে রামপুর এলাকায় লরিটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা মামুনের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গুরুতর আহত হন মামুন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রামপুর বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
দুর্ঘটনার পর লরিটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজন লরিটির অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন। তাঁদের সহায়তায় ময়মনসিংহের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা থেকে চালকসহ লরিটি আটক করা হয়।
আটক চালকের নাম জসিম উদ্দিন (৩৮)। তিনি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের খয়রাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুল মমিনের ছেলে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, লরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালক জসিম উদ্দিনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে জেলা সদরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার উপজেলা কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান।
এতে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সালমা সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল মাহমুদ ভূঁইয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাফিয়া বেগম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার পাপিয়া আক্তার, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এনামুল হক জুয়েল, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী রিমিন ফারহানা দিশা প্রমুখ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। হামদ-নাত, নজরুল সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তিসহ মোট আটটি ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমন্বিত টোলিং ব্যবস্থা গড়ে তুললে টোল আদায়ের কার্যক্রম আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে বলে মন্তব্য করেছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতের স্মার্ট সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল অবকাঠামোকে শক্তিশালী করতে একটি সমন্বিত টোলিং ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আজ সেতু ভবনে অনুষ্ঠিত স্মার্ট রোড ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্কের জন্য সমন্বিত টোলিং কৌশল প্রণয়ন বিষয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে দেশের সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে ও টানেলসমূহে বিদ্যমান টোল আদায় ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সমন্বিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি), আন্তঃসংযোগযোগ্য টোলিং ব্যবস্থা, ক্যাশলেস লেনদেন, স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় এবং প্রযুক্তিনির্ভর টোল ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক এডিবির প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি সরকারের নেতৃত্বে দেশের যোগাযোগ খাতে চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিদ্যমান টোলিং ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা, বিভিন্ন সংস্থার ব্যবহৃত প্রযুক্তি, টোল আদায়ের প্রক্রিয়া, তথ্যের আন্তঃসংযোগ এবং ভবিষ্যতে একটি সমন্বিত টোলিং প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এডিবির তথ্য অনুযায়ী, ‘স্মার্ট সড়ক পরিবহন নেটওয়ার্কের জন্য সমন্বিত টোলিং কৌশল প্রণয়ন’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশে একটি টেকসই সড়ক টোলিং মডেল উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ উদ্যোগের আওতায় দেশের বিদ্যমান টোলিং ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা পর্যালোচনা করে একটি সমন্বিত টোলিং কৌশল প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে ও টানেলে টোল আদায়ে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি ও পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব ব্যবস্থার মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা গেলে সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য টোল পরিশোধ আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন হবে। পাশাপাশি টোল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) ব্যবস্থা চালু করেছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা সেতুতে ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে নন-স্টপ ও ক্যাশলেস ইটিসি সেবা চালু রয়েছে। আরএফআইডি-ভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এ ব্যবস্থায় যানবাহনকে টোল প্লাজায় না থামিয়েই টোল পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।
এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে টোল প্লাজায় যানবাহনের অপেক্ষার সময় কমানোর পাশাপাশি টোল আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয় করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সড়ক ও সেতুর ইটিসি ব্যবস্থার মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হলে একটি সমন্বিত ডিজিটাল টোলিং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
চলতি বছরের জুনে সেতু বিভাগে অনুষ্ঠিত এক স্টেকহোল্ডার সভায় দেশের সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে ও টানেলের বিভিন্ন ইটিসি ব্যবস্থাকে একটি একক ও আন্তঃসংযোগযোগ্য নেটওয়ার্কের আওতায় আনার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি সমন্বিত টোলিং প্ল্যাটফর্ম চালু হলে বিভিন্ন সড়ক ও সেতু ব্যবহারের ক্ষেত্রে টোল পরিশোধের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে টোল আদায়ের তথ্য সংরক্ষণ, লেনদেন ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব হিসাবের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
এডিবির ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন বাংলাদেশের বিদ্যমান টোলিং ব্যবস্থা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো পর্যালোচনা করে সমন্বিত টোলিং কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সুপারিশ প্রদান করবে। এর মাধ্যমে দেশের ক্রমবর্ধমান সড়ক পরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টোল আদায় ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ভিত্তি তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার শ্যামগঞ্জে যাত্রীবাহী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় জাকির হোসেন মৃদুল (২১) নামের এক তরুণকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সেন্টু মিয়ার নেতৃত্বে চেকপোস্টে ক্রাউন ডিলাক্স নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। বাসটির নিবন্ধন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১২-০৪৮২।
তল্লাশির সময় ৪০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল (Laborate Codeine Phosphate) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জাকির হোসেন মৃদুলকে আটক করা হয়।
আটক জাকির হোসেন মৃদুল কলমাকান্দা উপজেলার বামনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম গিয়াস উদ্দিন এবং মায়ের নাম মোছা. তাসলিমা খাতুন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ