০৫:৫৪ পি.এম
ঠাকুরগাঁও, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি বিভাগ চালুর প্রাথমিক অনুমোদন প্রদান করেছে। এই অনুমোদনটি ৮টি শর্তসাপেক্ষে দেয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ ৭টি অনুষদের অধীনে ১৫টি বিভাগের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছিল। ইউজিসির সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে ৬টি বিভাগের চালুর সুপারিশ করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট অনুবিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়।
আরও পড়ুন: সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকারের দৃঢ়প্রতিজ্ঞা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আজ শনিবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসরাফিল বাসসকে টেলিফোনে জানান, ৬টি বিভাগের অনুমোদন পাওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করার লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি ইতোমধ্যে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি ব্যবহৃত হবে। এ আয়োজনের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রাথমিকভাবে অনুমোদন পাওয়া বিভাগগুলো হলো, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স, কৃষি বিজ্ঞান অনুষদের কৃষি, কলা ও মানবিক অনুষদের মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের হিসাববিজ্ঞান, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের পরিবেশ বিজ্ঞান এবং লাইফ সায়েন্সেস অনুষদের জনস্বাস্থ্য।
ইউজিসির শর্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়কে ভাড়া নেওয়া ভবনের বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র ও নকশা জমা দিতে হবে। এছাড়া ৩টি ভবনের একাডেমিক লে-আউট, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য পৌরসভার অনাপত্তিপত্র এবং ভাড়া করা ভবনগুলো দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রমের উপযোগী করার বিষয়ে কমিশনকে অবহিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ সাংবিধানিক, আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল
সংশ্লিষ্ট কোর্সের কারিকুলাম জমা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় গবেষণাগার, লাইব্রেরি ও অন্যান্য একাডেমিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জনবলের চাহিদাও কমিশনে দিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অধিগ্রহণ করা ৮০ একর নিষ্কণ্টক জমির প্রামাণিক দলিলও ইউজিসিতে জমা দেওয়ার শর্ত রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রশাসনিক কার্যক্রম ভাড়া করা একটি ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সেখানেই একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য সরকার ৮ দশমিক ৫৫ একর জমি অনুমোদন দিয়েছে। এ জমিতে ক্যাম্পাস নির্মাণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি, মাস্টারপ্ল্যানসহ প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: আমাদের সবার পরিচয় বাংলাদেশি, মুক্তিযুদ্ধ ও আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরলেন
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন