শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) উদ্যোগে উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় ক্র্যাব সদস্যদের সন্তানদের জন্য রোবোটিক্স নিয়ে একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্র্যাব মিলনায়তনে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
এ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রাজী, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু জাফর, কারামা সলিডারিটির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী এবং উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।
প্রযুক্তি ও আধুনিক রোবোটিক্সে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে তোলার উদ্দেশ্যে ‘ROBOTGENESIS: Igniting the Future of Robotics’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালায় রোবোটিক্স ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি সম্পর্কে আয়োজকদের ভাবনা তুলে ধরা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কো-ফাউন্ডার ও চিফ ডিরেক্টর দাউদ আহমেদ সাদ বলেন, ‘রোবট আমরা তৈরি করি প্রযুক্তি দিয়ে, কিন্তু ভবিষ্যৎ তৈরি করি আমাদের চিন্তা, সৃজনশীলতা ও সাহস দিয়ে।
’ তিনি তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ কর্মশালার উদ্বোধন করে বলেন, প্রযুক্তির দুনিয়ায় আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে এআই ও রোবোটিক্স। তরুণ শিক্ষার্থীদের রোবোটিক্স বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার জন্যই এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, ক্র্যাব সদস্যদের সন্তানদের জন্য ভবিষ্যতে এআই ও কোডিং বিষয়ে আরও প্রশিক্ষণের আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কারামা সলিডারিটির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রযুক্তিজ্ঞান ছড়িয়ে দিতে তরুণ সমাজকে আরও বেশি কাজ করতে হবে। তিনি ক্র্যাব ও উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কো-ফাউন্ডার ও জেনারেল সেক্রেটারি রামিশা হোসেন দিহা বলেন, যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই আয়োজন সম্ভব হয়েছে। এ আয়োজন সফল করতে সহযোগিতা করায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
সংগঠনটির কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর অব অপারেশনস আশিকুজ্জামান দীপন বলেন, অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও সহযোগিতায় কর্মশালাটি সফল হয়েছে।
দিনব্যাপী কর্মশালায় তরুণদের হাতে-কলমে রোবোটিক্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকেরা। প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব টেকনিক্যাল অপারেশন্স তানজিরুল ইসলাম তুর্য এবং ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ইন্টারন্যাশনাল ফাইনালস ২০২৪ ও ২০২৫-এর সিলভার ও ব্রোঞ্জ পদকজয়ী আফিয়া হুমায়রা।
প্রশিক্ষণে রোবোটিক্সের মৌলিক বিষয় থেকে শুরু করে বাস্তবভিত্তিক প্রজেক্ট ডিজাইনিং ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।
কর্মশালার সমাপনী পর্বে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ এবং উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।
আয়োজকদের আশা, এ ধরনের কর্মশালা বাংলাদেশের তরুণদের বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিতে উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে রোবোটিক্স খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিএনপি দেশ সংকটে পড়লে সবসময় হাল ধরেছে।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের সঙ্গে বিএনপি, শহীদ জিয়া এবং প্রয়াত খালেদা জিয়ার নাম গভীরভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, "যখনই দেশ সংকটে পড়েছে তখনই বিএনপি তার হাল ধরেছে।"
আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আসে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি কখনোই লুকিয়ে বা গুপ্তভাবে কিছু করেনি। জনগণের অধিকার আদায়ে বিএনপি সবসময় রাজপথে ছিল। তিনি বলেন, "দেশে, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, ততবারই বিএনপি সরকার গঠন করেছে।"
তারেক রহমান বর্তমান সময়ে দেশের বড় সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, "এ মুহূর্তে দেশে বড় সমস্যা জ্বালানির সমস্যা।"
সমস্যা সমাধানের জন্য কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তবে বাস্তবায়নে কিছু সময় লাগবে। ভবিষ্যতে যেন কোনো সংকট তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "স্বৈরাচারী শাসন কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের সৃষ্টি করা সমস্যা, সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে।"
এ সমস্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, "যদি কেউ অরাজকতা করতে চায়, তাহলে দেশের আইনে বলা আছে তা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের সীমার মধ্যে থাকা দরকার।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জাতীয় জুডো কাতা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। রানার্সআপ হিসেবে অবস্থান করেছে বিকেএসপি।ঢাকার হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার-ভিডিপি, বিকেএসপি এবং ঢাকার উত্তরা কলেজ। পাঁচটি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।বিজিবি জুডো দলের ৪ জন খেলোয়াড় একটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে ১টি স্বর্ণ এবং ১টি তাম্র পদক অর্জন করে দলীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়। অন্যদিকে, বিকেএসপি ১টি রৌপ্য ও ১টি তাম্র পদক পেয়ে রানার্সআপ হিসেবে শেষ করে।সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সভাপতি ও অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম।জাতীয় জুডো কাতা প্রতিযোগিতায় বিজিবি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রানার্সআপ হয়েছে বিকেএসপি।ঢাকার হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশন আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার-ভিডিপি, বিকেএসপি এবং ঢাকার উত্তরা কলেজ।বিজিবি জুডো দলের ৪ জন খেলোয়াড় একটি ইভেন্টে অংশ নিয়ে ১টি স্বর্ণ ও ১টি তাম্র পদক অর্জন করে দলীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিকেএসপি ১টি রৌপ্য ও ১টি তাম্র পদক পেয়ে রানার্সআপ হয়।সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সভাপতি ও অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় নির্ধারিত ২৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পরিবর্তে মাত্র ৭ জন কর্মী দিয়ে কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বাকি ১৭ জনের নামে নিয়মিত বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় নিয়ম অনুযায়ী ২৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করার কথা। প্রত্যেক কর্মীর মাসিক বেতন প্রায় ২৪ হাজার টাকা। কিন্তু বাস্তবে সেখানে মাত্র ৭ জন কর্মী দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২৫ জনের স্থলে ৭ জন কর্মী কাজ করলেও বাকি ১৭ জনের নামে বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে। অভিযোগে এ অর্থ উত্তোলনের সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের অফিসার মো. রেজাউল এবং তাঁর সহযোগী সরদার মোহাম্মদ জহির উদ্দিনের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে।
প্রত্যেক কর্মীর মাসিক বেতন ২৪ হাজার টাকা হিসেবে ১৭ জনের বেতন বাবদ প্রতি মাসে প্রায় ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। সে হিসাবে বছরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
মুখ খুলতে ভয় কর্মীদের
অভিযোগ রয়েছে, এ বিষয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অনিয়মের বিষয়ে কথা বললে চাকরি হারানোর হুমকি দেওয়া হয়। ফলে অনেক কর্মী বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের হাজিরা খাতা, বেতন বিল, কর্মীদের তালিকা এবং অন্যান্য সরকারি নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
অভিযোগ অস্বীকার রেজাউলের
অভিযোগের বিষয়ে ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের অফিসার মো. রেজাউলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের লোক ঠিকই আছে।” তবে ২৫ জনের পরিবর্তে ৭ জন কর্মী দিয়ে কাজ করানোর অভিযোগ এবং বাকি ১৭ জনের বেতন উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, মো. রেজাউলের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থের অনিয়মের পাশাপাশি ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাটসহ নামে-বেনামে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব সম্পদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নথি ও তথ্য যাচাই করা সম্ভব না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।
ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আরও তথ্য
২৫ জনের স্থলে মাত্র ৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে কি না, বাকি ১৭ জনের নামে বেতন উত্তোলন করা হয়েছে কি না এবং উত্তোলন করা অর্থ কোথায় যাচ্ছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা জরুরি।
এ বিষয়ে হাজিরা রেজিস্টার, বেতন বিল, কর্মীদের তালিকা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আরও তথ্য তুলে ধরা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আয়াতুল্লাহর স্মৃতি ধরে রাখতে তৎকালীন জেলা ও উপজেলা প্রশাসক ও স্হানীয়দের উপস্থিতিতে মধ্যনগর নদীর উপর নির্মিত ব্রিজের নামকরণ করা হয় "শহীদ আয়াতুল্লাহ সেতু"এবং তাতে প্রাথমিক ভাবে শহীদ আয়াতুল্লাহর নামে সাইনবোর্ড স্হাপন করা হয়। গতরাতে (৪সেপ্টেম্বর) দুষ্কৃতিকারীরা স্প্রে দিয়ে তাঁর নাম মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শহীদ আয়াতুল্লাহর বাবা।
ছেলের নাম মুছে দেওয়ার ঘটনায় তিনি দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মধ্যনগর থানায় অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তিনি বলেন আমার ছেলে দেশকে ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন থেকে রক্ষার জন্য জীবন দিয়ে শহীদ হয়েছে। তার সম্মানে অন্তর্বর্তী সরকার ব্রিজের নামকরণ করে সাইনবোর্ড স্হাপন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আয়াতুল্লাহ শহীদ হওয়ার পর তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্রিজের সাইনবোর্ডে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়। সম্প্রতি দুর্বৃত্তরা সাইনবোর্ড থেকে শহীদ আয়াতুল্লাহর নাম মুছে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
ঘটনাটি জানার পর শহীদ আয়াতুল্লাহর বাবা ব্রিজের কাছে গিয়ে ছেলের নাম মুছে ফেলার দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁর কান্না ও আহাজারিতে স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়।
শহীদ আয়াতুল্লাহর বাবা বলেন, “আমার ছেলে দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। সেতুর সাইনবোর্ড থেকে তার নাম মুছে ফেললে একজন বাবার কষ্ট কতটা হয়, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি আমার ছেলের নামের মর্যাদা ও স্মৃতি রক্ষার দাবি জানাই।”
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একজন জুলাই শহীদের নাম মুছে দেওয়া শুধু একটি সাইনবোর্ডের নয়; এটি শহীদের স্মৃতি ও পরিবারের অনুভূতিতে আঘাত। তারা দ্রুত সাইনবোর্ডটি পুনঃস্থাপন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম শাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন -- লিখিত অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ