১০:৫৭ এম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে ঘোষণা করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার আইন-বিধি সংস্কার করা হবে।
সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে স্থানীয় সরকারের অন্তত একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচনা হয় যে, জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আগস্ট থেকে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ভোট গ্রহণ সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স
কয়েক ধাপে হলেও কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিয়ে শুরু করা হবে, সেটি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক।
স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা এবং ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচনের জন্য উপযোগী রয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হলেও, এ এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন কমিশন এখনও কোন স্থানীয় সরকারের ভোট করাতে পারেনি। বর্তমানে দলীয় সরকারের অধীনে নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা করবে এই কমিশন।
সংস্কার কাজ সম্পাদন করে কোন নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থা বৈঠক করবে।
আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার পর যথাসময়ে ভোটের কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, 'সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নির্বাচন করতে হলে আমাদের আগস্টে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। সাধারণত এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা উচিত।'
তিনি উল্লেখ করেন, 'প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্যে আইন-বিধি সংস্কার, নির্বাচনি সরঞ্জামের মজুদ এবং চাহিদাসম্পর্কিত আনুষাঙ্গিক কার্যাবলী মাস তিনেকের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।'
আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, 'পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে Election Commission চিন্তা-ভাবনা করছে।'
আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ
চলতি বছরে সিটি নির্বাচন দিয়ে শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পৌরসভা, উপজেলা এবং জেলা পরিষদ নিয়ে কি ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, 'কোন নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সেটি (সরকারের সঙ্গে) আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে। অক্টোবর-মার্চ পর্যন্ত ভোটের জন্য উপযুক্ত সময় রয়েছে; এর মধ্যে বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষা রয়েছে। যেহেতু স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তরে নির্বাচন করতে হবে; বর্ষার সময়টা দেখে তফসিল ঘোষণা করতে হবে আমাদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন