মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
দুর্গাপূজার ছুটি এবং সাপ্তাহিক অবকাশের কারণে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই ছুটির প্রেক্ষাপটে সৈকতের লাবণী পয়েন্টসহ শহরের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা ভিড় জমিয়েছেন। বিশেষ করে লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি সৃষ্টি করেছে জনসমুদ্রের দৃশ্য। সৈকতের বালুচর থেকে শুরু করে সমুদ্রের ঢেউয়ের কাছাকাছি পর্যন্ত পর্যটকদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, লাবণী পয়েন্টে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে নানা বয়সী মানুষ ঘুরতে এসেছেন। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে গা ভেজাচ্ছেন, কেউ বালুচরে হাঁটছেন, আবার কেউ প্রিয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করছেন। সৈকতজুড়ে সারি সারি ছাতা, বিচ চেয়ার এবং পর্যটকদের আনাগোনায় পুরো এলাকা মুখর হয়ে উঠেছে। পর্যটকদের এই উপস্থিতিতে সৈকতসংলগ্ন ব্যবসা-বাণিজ্যেও কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে।
দীর্ঘ ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকেই পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটকদের আগমনে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যস্ততা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এদিকে পর্যটনজোনে খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ৮০-৯০ হোটেল বুকড হয়ে গেছে।
পর্যটকের এই বাড়তি চাপের মধ্যে সৈকতে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সমুদ্রে গোসলের সময় লাইফগার্ডের নির্দেশনা মেনে চলা, নির্ধারিত নিরাপদ এলাকার বাইরে না যাওয়া এবং শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তৎপরতা জরুরি।
জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, ব্যাপক পর্যটক বরণ ও সামাল দিতে প্রশাসন এবং পর্যটন সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুত। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে কক্সবাজার ভ্রমণে কোনো সমস্যা নেই। পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় পুলিশ সচেতনভাবে দায়িত্ব পালন করছে। ছুটির আমেজে পর্যটকদের পদচারণায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকা। লাবণী পয়েন্টের এই জনসমাগম পর্যটননগরীর আকর্ষণ ও জনপ্রিয়তারই জানান দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মোঃ আরিফুর রহমান ছোটন, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, সদস্যসচিব মোস্তাফিজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাজান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম এবং উপজেলা ছাত্রদলের নাসিম, আবু হুসাইন সোহাগ, তাসিন, ইদ্রিস আলী, আবুল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্য সৌদি আরবকে রক্ষা করার জন্য যুদ্ধবিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে, যা ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার উদ্দেশ্যে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ‘প্রতিরক্ষামূলক পাল্টা-বিমান অভিযান’ পরিচালনা করা হবে।
গত এক মাস ধরে হুতিরা সৌদি আরবের ওপর তাদের হামলা বৃদ্ধি করেছে। তারা তেল স্থাপনা ও বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে আসছে।
ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে সৌদি আরবকে আকাশপথে জ্বালানি সংগ্রহের সহায়তা প্রদান করছে এবং দেশের সুরক্ষায় সহায়তার জন্য আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও ব্রিটিশ কর্মী মোতায়েন করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, সৌদি আরবের দিকে নিক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলোকে ‘টাইফুন’ বিমানগুলো প্রতিহত করবে, তবে ইয়েমেনের ভেতরে কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান পরিচালনা করা হবে না।
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতি-নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে সৌদি হামলার প্রতিক্রিয়ায়, জুলাই মাসে হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরে অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এই সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে ঢাকা আবাসিক হোটেল থেকে আবুল বাশার তালুকদার (৩৯) নামে এক স্কুলশিক্ষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে ভেদরগঞ্জ থানা-সংলগ্ন ঢাকা আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবুল বাশার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার দেউলিয়াবাড়ি এলাকার মৃত জনাব আলী তালুকদারের ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরের খোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, আবুল বাশারের পূর্বপুরুষদের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার এলাকায়। বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে রওনা হন তিনি। ওই দিন রাত ৮টা ৪০ মিনিটে স্ত্রীর সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়। তখন তিনি নাঈম নামে এক বন্ধুর বাসায় রাতের খাবার খাচ্ছেন এবং সেখানেই থাকবেন বলে জানান।
এরপর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে স্ত্রী একাধিকবার ফোন করেও তার কোনো সাড়া পাননি। পরে দুপুর ৩টার দিকে আবুল বাশারের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, তিনি আহত হয়েছেন এবং চিকিৎসার জন্য দুই হাজার টাকা প্রয়োজন। পরিবারের সদস্যরা টাকা পাঠানোর নম্বর চাইলে তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর আবুল বাশারের রক্তাক্ত ছবি পাঠিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় বিষয়টি জানান। পরে তার মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আশপাশে তার অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা শরীয়তপুরে এসে ভেদরগঞ্জ থানা-পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা আবাসিক হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের বড় ভাই মনিরুল ইসলাম বলেন, "আমার ছোট ভাই বেড়াতে আসার জন্য শরীয়তপুরে যাওয়ার পর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর কয়েক দফায় তার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি থানায় জানানোর পর মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ জানায়, সে ভেদরগঞ্জে রয়েছে। পরে আমরা এসে পুলিশের সহযোগিতায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি।"
নিহতের ভাগনে মো. কবির হোসেন খান বলেন, "তার মামাকে অপহরণ করে টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে হত্যা করা হয়েছে।" এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুল আরেফিন বলেন, "ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।"
এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন মারা গেছেন, এমন গুজব ছড়ানোর সময় দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তার নতুন ছবি প্রকাশিত হয়েছে। ছবিতে কিমকে তার মেয়ের সঙ্গে একটি পোশাক ও জুতার প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে দেখা যায়। তবে, তার মৃত্যুর বিষয়ে ছড়ানো দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র রোদং সিনমুনে প্রকাশিত ছবিতে কিম জং উনকে তার মেয়ের সঙ্গে প্রদর্শনীটি পরিদর্শন করতে দেখা যায়। সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে প্রদর্শনীটির বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী চীনা ভিন্নমতাবলম্বী ওয়ানজুন শি দাবি করেছেন যে, কিম জং উন গুরুতর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে কোমায় চলে গিয়েছিলেন। পরে, তাকে চিকিৎসার জন্য চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ওয়ানজুন শির দাবি অনুযায়ী, কিমের মৃত্যুর পর তার মরদেহ গোপনে উত্তর কোরিয়ায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, দেশটির শাসকগোষ্ঠী কিমের মৃত্যুর খবর গোপন রেখেছে। তবে, এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
ওয়ানজুন শি নিজেকে চীনা ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দেন, যা চীনে নিষিদ্ধ। এর আগে, তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন যাচাই না করা দাবি প্রচার করেছেন।
উত্তর কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম গোপনীয় রাষ্ট্র হওয়ায় দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই করা কঠিন। এই কারণে, কিম জং উন এবং তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গুজব ছড়ায়। কিম জং উনের নতুন ছবি প্রকাশের ফলে তার মৃত্যুর দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি। তবে, শুধুমাত্র ছবি প্রকাশের ভিত্তিতে কিমের স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়, বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশিত ছবিগুলো কিম জং উনের মৃত্যুর দাবিকে আরো প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ছবিতে দেখা যায়, তিনি মেয়ে কিম জু এ এবং তার নিয়মিত কর্মকর্তা-দলের সদস্যদের সঙ্গে প্রদর্শনীর বিভিন্ন সামগ্রী ঘুরে দেখছেন। যদিও ছবিগুলো ঠিক কবে তোলা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ায় আশ্রয়প্রার্থীরা প্রায়ই চীনা সীমান্তসংলগ্ন অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পেয়ে থাকেন। তবে, কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো সাম্প্রতিক গুজবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি, বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তারা দেশটির বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপকে জানিয়েছেন, কিম জং উনের মৃত্যুর দাবির পক্ষে সমর্থনযোগ্য কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। কিমের মৃত্যুর এই গুজব অতীতেও ছড়ানো বিভিন্ন ভিত্তিহীন খবরের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার তথ্যের ওপর স্বাধীনভাবে নজরদারি করা কঠিন হওয়ায় দেশটির নেতা এবং তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রায়ই নানা জল্পনা তৈরি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ