মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
১০:০৩ পি.এম
গতকাল ০৯/৬/২০২৬ তারিখ রাত ২০.৩০ ঘটিকায় নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জনৈক ব্যাক্তি জানায় যে, নওগাঁ শহরস্থ ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১২/১৩ বছরের একটি ছেলে এলোমেলো ভাবে ঘুরাঘুরি করতেছে। সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে এসআই মোঃ শাহীন মিয়া'র মাধ্যমে উক্ত ছেলেটি কে উদ্ধার করে থানায় আনার পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে তার নাম-মোঃ মাহফুজুর রহমান,পিতা-মোঃ রনি ইসলাম, সাং-বাগিচা পাড়া,থানা-আক্কেলপুর,জেলা-জয়পুরহাট।
জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায় যে,ছেলেটির বাবা-মা দিনাজপুরের হিলিতে বসবাস করে। সে আক্কেলপুর দাদা-দাদীর সাথে বসবাস করে স্হানীয় একটি মাদ্রাসায় হাফেজি পড়তো।মাদ্রাসায় তার পড়তে ভালো না লাগায় গতকাল কাউ কে কিছু না বলে হিলিতে তার বাবার কাছে যাওয়ার জন্য আক্কেলপুর এসে ভুলক্রমে ঢাকাগামী ট্রেনে উঠে পড়ে।সান্তাহার জংশনে সে ট্রেন থেকে নেমে নওগাঁয় ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে চলে আসে এবং এলোমেলো ভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে।
পুলিশ তাকে উদ্ধার করো তো তাকে থাকা এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে। পরবর্তীতে নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তার পরিবার এর সাথে যোগাযোগ করে দাদা মোঃ লুৎফর রহমান পিতা-মৃত মাছের,সাং-জালালপুর জোড়া পুকুর, থানা-আক্কেলপুর, জেলা-জয়পুরহাট এর জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।
পড়াশোনার ক্ষেত্রে আপনার সন্তানের মতামতকে গুরুত্ব দিন। আনন্দের মাধ্যমে পড়াশোনা করতে হবে। পড়তে হবে, শিখতে হবে, আনন্দের সাথে।শিশুকে নিজ পরিবারের সাথে রাখুন। অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুকে হোস্টেলে এ রাখা উচিত নয়। এতে শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। কেননা এই শিশুই একদিন বড় হবে, সুনাগরিক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমানের উপকূলে একটি বাণিজ্যিক তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় তিনজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, বুধবার (১০ জুন) ওমানের উপকূলীয় এলাকায় সেত্তেবেলো নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।
পালাউ-পতাকাবাহী জাহাজটিতে ২৮ জন নাবিক ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। জাহাজটি ওমানের সোহর বন্দরের প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে যাওয়ার সময় হামলার খবর জানিয়ে একটি বিপদ সংকেত পাঠায়।
ঘটনার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘ওমান উপকূলের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজ সেত্তেবেলো-তে হামলার ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর নিন্দা জানাচ্ছি।’
মন্ত্রণালয় আরো জানায়, ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিখোঁজ নাবিকদের খুঁজে বের করতে চলমান অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে তারা ওমানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে।
এদিকে, হামলার ঘটনার পর পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “অঞ্চলটিতে জাহাজ চলাচলের ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলো গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং চলমান সংঘাতের সরাসরি ফলাফল।”
ভারত অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে যে, কূটনৈতিক উপায়ে চলমান সংকটের সমাধান জরুরি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা উত্তেজনা কমানোর আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি এবং চলমান আলোচনাগুলো দ্রুত সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছি, যাতে অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।’
ভারত জানায়, আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপরও পড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তেলজাত পণ্যবাহী ট্যাংকারটি সন্দেহভাজন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তবে এ ঘটনার দায় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ন্যূনতম ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, বুধবার জাতীয় সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব দূরীকরণ এবং সম্পূর্ণ নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং গ্যাভি’র সহযোগিতায় একটি সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দেশের অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় এনে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ বলয় বা ‘হার্ড ইমিউনিটি’ গড়ে তোলা।
মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার দেশব্যাপী জরুরি ও সম্পূরক টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করেছে। রুটিন টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ এমআর (মিজলস-রুবেলা) টিকার অতিরিক্ত ডোজও প্রদান করা হচ্ছে, বলেছিলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং কক্সবাজারসহ ঘনবসতিপূর্ণ ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব এলাকায় আগামী কয়েক মাস ধরে গলি ও পাড়াভিত্তিক মাইক্রো-প্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে নিবিড় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কার্যকরাঙ্গ করতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর টিকাদানের তথ্য সংরক্ষণের জন্য ই-ট্র্যাকার সিস্টেম সম্প্রসারণ এবং শতভাগ অনলাইন নিবন্ধন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও টিকার গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখতে কোল্ড চেইন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, নজরদারি ও দ্রুত সাড়াদান ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে মাঠপর্যায়ে কমিউনিটি-ভিত্তিক নজরদারি দল গঠন করা হচ্ছে।
কোনো এলাকায় হামের লক্ষণ দেখা দিলে তা দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি দ্রুত রোগ নির্ণয়ের জন্য পর্যাপ্ত টেস্টিং কিট সরবরাহ ও হামজনিত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী তৃণমূল পর্যায়ে টিকাদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, টিকা নিয়ে সামাজিক দ্বিধা, গুজব ও অবহেলা দূর করতে উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং গণমাধ্যমভিত্তিক প্রচার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। বিশেষ করে কর্মজীবী ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগে ৫২২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯১ জন।
এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলে সরকারের চলমান কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে এবং শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদে শ্বশুরবাড়ি নাটোরে গ্যাস দেয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকারের কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এই বক্তব্য শোনার পর সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম মাহবুব উদ্দিন খোকন নোয়াখালীতে আরেকটি বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। এই অবস্থায় সংসদে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে নাটোর জেলার শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস–সংযোগের বিষয়টি উত্থাপন করেন এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার।
তিনি বলেন, ‘নাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহর। সেখানে অনেক সরকারি-বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু গ্যাস–সংযোগ না থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। নাটোর হয়ে রাজশাহীতে গ্যাস যায়। কিন্তু নাটোরের মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত আছেন। তারা জানতে চায়— কবে নাগাদ গ্যাস সংযোগ পাবে।’
জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি, আমাদের সবার শ্বশুরবাড়ি আছে। সিলেটে গেলে আমাকে বলে সিলেটের দামান, আর নাটোরে গেলে বলে নাটোরের জামাই। নাটোর আমার শ্বশুরবাড়ি। এখানে তো গ্যাস দিতেই হবে। আমরা কূপ খনন শুরু করেছি। আশা করি, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নাটোরে গ্যাস যাবে।’
আলোচনার এক পর্যায়ে নোয়াখালী-৪ আসনের সদস্য এম মাহবুব উদ্দিন খোকন মজা করে বলেছেন, ‘মন্ত্রী বলেছেন নাটোরে শ্বশুরবাড়ি বলে অগ্রাধিকার দেবেন। তাহলে উনি যেন নোয়াখালীতেও একটা বিয়ে করেন। আমরাও গ্যাস চাই।’
এ বিষয়ে সংসদকক্ষে হাসির রোল পড়ে যায়। জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘শরিয়াহ আইন অনুযায়ী এখনো তিনটা বাকি আছে। তবে আমার আর বিয়ে করার শখ নেই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি পর্যটক বা ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন একটি প্রিমিয়াম ভিসা সেবা চালু করতে যাচ্ছে। আগামী মাস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত ৭৫০ ডলার ফি পরিশোধ করলে কিছু আবেদনকারী ১০ কর্মদিবসের মধ্যেই ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় পাবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত একটি অস্থায়ী বিধিমালার মাধ্যমে এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। মূলত ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত বি১ এবং বি২ ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনকারীদের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চালু থাকবে।
বর্তমানে বি১ বা বি২ ভিসা আবেদনের জন্য নিয়মিত ফি ১৮৫ ডলার। নতুন প্রিমিয়াম সেবা নিতে চাইলে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত ৭৫০ ডলার দিতে হবে। ফলে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৯৩৫ ডলার।
মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে, এই অতিরিক্ত অর্থ শুধুমাত্র দ্রুত সাক্ষাৎকারের সময় পাওয়ার সুযোগ দেবে। এটি কোনোভাবেই ভিসা অনুমোদনের সম্ভাবনা বাড়াবে না।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মতে, অনেক দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ভিসা সাক্ষাৎকারের জন্য আবেদনকারীদের কয়েক মাস, এমনকি কোথাও কোথাও এক বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় যোগ্য আবেদনকারীরা অতিরিক্ত ফি দিলে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সাক্ষাৎকারের সময় পাবেন, যদি নির্ধারিত স্লট খালি থাকে।
তবে এই সুবিধা সব দূতাবাসে পাওয়া যাবে না। সীমিত সংখ্যক নির্বাচিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে এটি চালু হবে। অংশগ্রহণকারী মিশনগুলোর তালিকা পরে প্রকাশ করা হবে।
মার্কিন সরকার বলছে, আগামী কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে ২০২৬ সালের ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ এবং ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমস-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হবে এবং ২০২৮ সালের অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে। কর্মকর্তাদের মতে, এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত সাক্ষাৎকার সেবার চাহিদা মূল্যায়ন করা হবে এবং ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে এমন সেবা চালুর সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ধারণা, এই কর্মসূচির আওতায় বছরে ২৫ হাজারের বেশি আবেদনকারী অংশ নিতে পারেন। এর মাধ্যমে অতিরিক্ত রাজস্ব আয় হবে এবং দ্রুত সাক্ষাৎকার সেবার প্রতি ভ্রমণকারীদের আগ্রহ সম্পর্কেও সরকার স্পষ্ট ধারণা পাবে।
নতুন প্রিমিয়াম সেবা শুধুমাত্র বি১ এবং বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যা ব্যবসা ও পর্যটন উদ্দেশ্যে অস্থায়ী সফরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তবে যেসব দেশের নাগরিকরা ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রাম-এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি সফরে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন, তারা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন না।
অতিরিক্ত ফি দিলেও আবেদনকারীদের জন্য নিরাপত্তা যাচাই, ব্যাকগ্রাউন্ড চেক এবং ভিসা যোগ্যতা নির্ধারণের নিয়মে কোনো পরিবর্তন আসবে না। সাক্ষাৎকারের পর যদি অতিরিক্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে সেটিও স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।
নতুন এই উদ্যোগ এমন সময়ে আসছে, যখন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন এবং বিদেশি দর্শনার্থীদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করছে। সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিসা আবেদনকারীদের ওপর বাড়তি নজরদারি, বিস্তৃত ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই এবং যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার হার বেশি, তাদের ক্ষেত্রে প্রবেশের আগে আর্থিক জামানত (বন্ড) জমা দেওয়ার প্রস্তাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ