ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মধ্যবর্তী নির্বাচনে মেধাবীদের প্রতিশোধ: বিজ্ঞানের জয়, মাহা নীতির হার


মধ্যবর্তী নির্বাচনে মেধাবীদের প্রতিশোধ: বিজ্ঞানের জয়, মাহা নীতির হার

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী, যারা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য। এই বিজয়কে ‘স্টেম সুইং’ ও ‘মেধাবীদের প্রতিশোধ’ হিসেবে একটি রাজনৈতিক সংগঠন উল্লেখ করেছে।

স্টেম সুইং শব্দটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত প্রার্থীদের প্রতি ভোটারদের আগ্রহকে নির্দেশ করে। গত কয়েক বছরে দেশটিতে বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য বিষয়ক অবকাঠামোতে বরাদ্দ কমে গেছে। এই কারণে, এবারের নির্বাচনী প্রচারে স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। ফলস্বরূপ, ট্রাম্প প্রশাসনের ‘মেক আমেরিকা হেলদি এগেইন (মাহা)’ কর্মসূচিকে ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

‘থ্রি পয়েন্ট ওয়ান ফোর অ্যাকশন’ নামে একটি সংগঠন দেশব্যাপী ডেমোক্র্যাট স্বাস্থ্যকর্মী ও বিজ্ঞানীদের নির্বাচিত করতে কাজ করে। এর নির্বাহী পরিচালক এরিক পলিয়াক জানিয়েছেন, ২০২৬ সাল ছিল মূলত স্বাস্থ্যসেবার নির্বাচন। ফলাফল থেকে এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার খরচ বহন করার সক্ষমতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এসব ইস্যুতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমাদের চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা যথেষ্ট যোগ্য।

আরও পড়ুন: আরব উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক নাবিক নিহত

আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ইতিহাস গড়েছেন মিশিগানের আবদুল এল-সাইয়েদ ও সাউথ ক্যারোলাইনার অ্যানি অ্যান্ড্রুজ, যারা দুজনই চিকিৎসক। ১৯৬৯ সালের পর এই প্রথম সিনেটে কোনো ডেমোক্র্যাট চিকিৎসক আসন পেলেন।

‘রবার্ট উড জনসন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা আমেরিকার স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করে। এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিচার্ড বেসার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মানুষ জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ে হতাশ। সংসার চালাতে গিয়ে তারা ক্লান্ত। একই সঙ্গে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর বিরক্ত। তারা এমন নেতা চাইছিলেন যারা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।

কংগ্রেসে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবারের নির্বাচনের আগে তাদের অধিকাংশই ছিলেন রিপাবলিকান। বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে, যেখানে দেখা গেছে, ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের চিকিৎসক সদস্যদের ৮৬ শতাংশই রিপাবলিকান পার্টির সদস্য ছিলেন।

এবারও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত একাধিক প্রার্থী ছিলেন। আইওয়া অঙ্গরাজ্যে প্রতিনিধি পরিষদের জন্য মারিয়েনেট মিলার-মিকস ও সিনেটের জন্য লড়েন রজার মার্শাল, দুজনই নির্বাচনে হেরে গেছেন। আরও তিনজন রিপাবলিকান চিকিৎসকের নির্বাচনী লড়াইয়ের ফল এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: দোষী সাব্যস্ত রাসেল ব্র্যান্ড

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বর্তমান চিকিৎসক আইনপ্রণেতাদের সবাই পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এরিক পলিয়াক বলেন, বিজ্ঞানে বিশ্বাসী আমেরিকানরা জেগে উঠেছেন। আমরা অন্তত ১০টি রিপাবলিকান আসন নিজেদের দখলে নিয়েছি। চূড়ান্ত সংখ্যা ৩০-এর ঘরে পৌঁছাবে বলে মনে হচ্ছে।

সিনেটের দুটি ও প্রতিনিধি পরিষদের ২৫টি আসনের ফলাফল ঘোষণা এখনো বাকি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতীতের শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান হামিদুর রহমান আযাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ এম


অতীতের শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান হামিদুর রহমান আযাদের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অতীতের ত্যাগ ও কুরবানির শিক্ষা ধারণ করে বর্তমান সময়ের সুযোগ ও সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সংগঠনের অগ্রযাত্রা ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাস্তবতার নিরিখে পরিকল্পিত কর্মপন্থা ঠিক করে এগিয়ে যেতে হবে। এজন্য সকল স্তরের দায়িত্বশীলদের ব্যক্তিগত, নৈতিক, জ্ঞানগত ও সাংগঠনিক যোগ্যতার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

শুক্রবার সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত আমিরের শপথ এবং মজলিসে শূরার নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত রুকন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পবিত্র কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দীর্ঘকাল ধরে দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নানা নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁদের এই ত্যাগ ও কুরবানি সংগঠনের জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সময়ের সুযোগ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি আরো বলেন, দায়িত্বশীলদের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি দীনি জ্ঞানচর্চা, আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক চরিত্র গঠনে আরও মনোযোগী হতে হবে। একটি আদর্শিক ও সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলতে নিজেদের যুগোপযোগী করে তোলার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রধান অতিথি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করান।

সিলেট মহানগর জামায়াতের নবনির্বাচিত আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবীণ জামায়াত নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ফজলুর রহমান, সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, সিলেট অঞ্চল টিমের সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান ও হাফিজ আনওয়ার হোসাইন খান।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন আহমদ ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল এবং সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন। এ সময় মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য, মজলিসে শূরার সদস্য ও বিপুলসংখ্যক রুকন উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে নবনির্বাচিত আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম অর্পিত দায়িত্ব পালনে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার মূল্যবান পরামর্শ, সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেট মহানগর জামায়াতকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী সংগঠনে রূপান্তর করতে চান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


এনসিপি থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পেছনে সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নীতিহীন জোট গঠন এবং শীর্ষ পর্যায়ে পুরুষতান্ত্রিক কর্তৃত্ববাদী সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন।

শুক্রবার তিনি এক সাক্ষাৎকারে এনসিপির আদর্শিক বিচ্যুতি এবং পদত্যাগের পেছনের কারণগুলো খোলামেলা ভাবে তুলে ধরেন।

সামান্তা শারমিন জানান, তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আবেগ বা অভিমান থেকে নেওয়া হয়নি; বরং এটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পর্যালোচনার ফল। তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে মানুষের চরম আত্মত্যাগ ও রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এনসিপি গঠিত হয়েছিল। শুরুতে দলে মুক্ত আলোচনা ও দীর্ঘ বিতর্ক হলেও ধীরে ধীরে তা স্তিমিত হয়ে পড়ে। দলটিতে গণতান্ত্রিক চর্চা বন্ধ হয়ে এটি একটি ‘মনোলিথিক’ বা এককেন্দ্রিক কর্তৃত্ববাদী কাঠামোর দিকে হাঁটতে শুরু করে।’

জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটে যাওয়ার বিষয়টিকে দলের মূল আদর্শিক বিচ্যুতির বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, সংস্কার, নির্বাচন ও নিরাপত্তা—এই তিন অজুহাতে জামায়াতের সঙ্গে জোট করা হলেও জামায়াত কখনোই সংস্কারের অর্গানিক শক্তি নয়; বরং তারা অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানুষের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে ক্যাপচার করতে সংস্কারের মুখোশ পরেছে। এনসিপির নিজস্ব স্বকীয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান বিসর্জন দিয়ে কেবল ক্ষমতার সমীকরণে সংসদে যাওয়ার মোহে এই সমঝোতা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় চরম অস্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও বিএনপি কিংবা জামায়াতের সঙ্গে আলোচনার কোনো আনুষ্ঠানিক বা লিখিত তথ্য তাদের জানানো হতো না। সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি এসব বৈঠকের খবর পেতেন। তিনি অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ যে সভায় জামায়াতের সঙ্গে জোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিন ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে ঢাকার বাইরে সাংগঠনিক দায়িত্বে পাঠিয়ে আকস্মিকভাবে সভা ডাকা হয়েছিল।

দলের নীতি নির্ধারণে নারীদের প্রান্তিকীকরণ ও পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যের অভিযোগ এনে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পর্ষদের মাত্র তিনজন নারী সদস্য—তিনি নিজে, ডা. তাসনিম জারা এবং নাহিদা সারোয়ার নিভা এই নীতিহীন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। বিপরীতে সাতজন পুরুষ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তা চাপিয়ে দেন। ভিন্নমত প্রকাশ বা খোলামেলা আলোচনার কোনো সুযোগ সেখানে রাখা হয়নি।

সামান্তা শারমিন আরো বলেন, দেশে মৌলিক সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল—আইন-আদালত, স্বাস্থ্য বা জীবনযাত্রার মতো ক্ষেত্রগুলোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। নেতাদের সাধারণ জামাকাপড় পরা বা ১০০ টাকার খাবার খাওয়ার লোকদেখানো বিষয়গুলোকে সংস্কার বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন না; বরং অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও জনগণের সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে এগিয়ে নিতে অচিরেই সমমনাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোস্টগার্ডের চার জাহাজের নাম বদল, ‘জয় বাংলা’ ও জাতীয় চার নেতার নামে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


কোস্টগার্ডের চার জাহাজের নাম বদল, ‘জয় বাংলা’ ও জাতীয় চার নেতার নামে

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের চারটি জাহাজের নাম সরকার পরিবর্তন করেছে, যা জাতীয় চার নেতার নামে ছিল। একই সঙ্গে ‘জয় বাংলা’ নামে পরিচিত আরেকটি জাহাজের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। মোট পাঁচটি জাহাজের নতুন নাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে।

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, ‘বিসিজিএস তাজউদ্দীন’ জাহাজের নাম পরিবর্তন করে ‘বিসিজিএস নুরুল ইসলাম’ রাখা হয়েছে। ‘বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বিসিজিএস ফিরোজ কবীর’ করা হয়েছে। ‘বিসিজিএস মনসুর আলী’ এখন ‘বিসিজিএস এম হুমায়ুন কবীর’ নামে পরিচিত হবে। এছাড়া ‘বিসিজিএস কামরুজ্জামান’-এর নতুন নাম হবে ‘বিসিজিএস আশরাফ সিদ্দিকী’। ‘বিসিজিএস জয় বাংলা’র নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘বিসিজিএস অদম্য বাংলা’।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, কোস্টগার্ডকে পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরে কোস্টগার্ড নতুন নামের প্রস্তাব পাঠায়। যাচাই-বাছাইয়ের পর বৃহস্পতিবার চিঠির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে বিষয়টি জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাহাজগুলোর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, নতুন নামকরণ করা চারটি জাহাজের নাম যাঁদের নামে রাখা হয়েছে, তাঁরা সবাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরের বিভিন্ন অভিযানে তাঁরা শহীদ হয়েছিলেন। তাঁদের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে জাহাজগুলোর নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে নিষিদ্ধ আ.লীগ-যুবলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, উদ্ধার ব্যানার ও ফেস্টুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


সিলেটে নিষিদ্ধ আ.লীগ-যুবলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, উদ্ধার ব্যানার ও ফেস্টুন

সিলেট নগরীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের মিছিল করার সময় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের হাতে ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। শুক্রবার সকালে নগরীর জেলরোড থেকে ধোপাদীঘির পাড় পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি ব্যানার, পাঁচটি ফেস্টুন ও ১৫টি লাল ক্যাপ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—শাহেক আহমেদ, মুন্না আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ সেলিম আহমেদ, তানিম ইকবাল, সালেহ আহমেদ, ফাহিম হাসান রনি, জাকের খান, কিবরিয়া আহমেদ, জুনায়েদ আহমেদ, আলী আহমদ ও এসএম নাদিম।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জন জকিগঞ্জের, চারজন কানাইঘাটের এবং দুজন দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি-সিটিএসবি) আফজাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মহানগর পুলিশের সিটিএসবি (গোয়েন্দা বিভাগ) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম এই অভিযান পরিচালনা করেছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%