ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনিয়ম না মানলেই ‘স্বৈরাচার’! বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে মানববন্ধন, বাধার অভিযোগ


অনিয়ম না মানলেই ‘স্বৈরাচার’! বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে মানববন্ধন, বাধার অভিযোগ

বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঠিকাদারি কাজে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ছাত্রদল ও ছাত্র ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা। তবে কর্মসূচি চলাকালে একদল ঠিকাদার ও তাঁদের অনুসারীরা বাধা দিয়ে মানববন্ধন পণ্ড করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন আয়োজকেরা।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামকে আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাইদুল ইসলাম সাকিব অভিযোগ করেন, শহিদুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ৯ নম্বর সদস্য। তাঁর দাবি, নির্বাহী প্রকৌশলী দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগপন্থী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। সম্প্রতি বরিশালের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কথিত ‘গুপ্ত মিছিলেও’ তিনি অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ করেন সাকিব।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধিকাংশ ঠিকাদারি কাজ একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি বলয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মোমেন সিকদার নামের এক ঠিকাদারকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজে কমিশন নেওয়া এবং পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী প্রভাব খাটাচ্ছেন। এমনকি গভীর রাত পর্যন্ত কার্যালয়ে অবস্থান করে কমিশন ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগও করেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

কর্মসূচির একপর্যায়ে মানববন্ধনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে নির্বাহী প্রকৌশলীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের বিরুদ্ধে। আয়োজকদের দাবি, যুবদলের সাবেক নির্বাহী সদস্য ও ঠিকাদার মোমেন সিকদার, ছাত্রদল নেতা সানমুন, নির্বাহী প্রকৌশলীর গাড়িচালক ইব্রাহিম এবং অফিস সহকারী তন্ময় ঘটনাস্থলে এসে মানববন্ধনের ব্যানার কেড়ে নেন এবং অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে মানববন্ধন চলাকালে মোমেন সিকদারকে কর্মসূচির ব্যানার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে এবং ‘এই ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করবেন, চাঁদাবাজি করবেন, সেটা হবে না’—এমন বক্তব্য দিতে দেখা যায়। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা সেখান থেকে সরে যান বলে আয়োজকদের দাবি।

তবে মানববন্ধনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠিকাদার ও যুবদল নেতা মোমেন সিকদার। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যাওয়ার সময় তিনি কয়েকজনকে ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। ব্যানারে নির্বাহী প্রকৌশলীর ছবি দেখে তিনি শুধু সেখানে কেন দাঁড়ানো হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন। মানববন্ধনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি প্রথমে খুদেবার্তার মাধ্যমে সাংবাদিকের পরিচয় জানতে চান। পরিচয় জানিয়ে পুনরায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এর আগে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর কার্যালয়ের সামনে কারা মানববন্ধন করেছেন সে বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

মানববন্ধনে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি সোহেল খান, ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুম্মান স্বাধীন, ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বেল্লাল হোসেন, মো. রাব্বিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে টানা তিন দিন বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন প্রকৌশলী ঠিকাদারদের সঙ্গে সিলেটে ভ্রমণে যান বলে জানা যায়। ওই সময়ে অধিদপ্তরের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি সামনে এলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এ ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলীর কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিও নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলেও এর সত্যতা ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন: কবি রাধারমণ দত্তের গ্রামে গানবাজনা বন্ধের আবেদন জমা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি

নেত্রকোনার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এন আকন্দ কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসায় এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মো. এহসানুল হক নামের ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে আপত্তিকর অবস্থার দৃশ্য ধরা পড়ার পর তাঁকে মাদরাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষক এহসানুল হক প্রায় আট বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির অনার্স শাখায় নন-এমপিও প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, গত ২০ আগস্ট শিক্ষকদের একটি সভা চলাকালে কয়েকজন শিক্ষক সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে একটি কক্ষে এক শিক্ষক ও বোরকা পরা এক নারীকে দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁরা ফুটেজটি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে এহসানুল হককে ডেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। প্রথমে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ফুটেজ দেখানোর পর নিজের ভুল স্বীকার করে সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চান বলে জানান অধ্যক্ষ।

অধ্যক্ষ বলেন, ঘটনার কয়েক দিন পর ২৬ আগস্ট তাঁকে সিসিটিভি ফুটেজের ডাউনলোড করা ভিডিও দেখানো হয়। বিষয়টি জানার পর তিনি অনার্স বিভাগের চেয়ারম্যানকে ডেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত কক্ষের তালা পরিবর্তন করা হয় এবং ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

পরে ১ সেপ্টেম্বর মো. এহসানুল হক পদত্যাগপত্র জমা দেন। অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এরপর শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি সভা করে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, বিষয়টি মাদরাসার গভর্নিং বডি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

তবে ওই ঘটনায় জড়িত বলে ধারণা করা ছাত্রীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষের ধারণা, তিনি অনার্স অথবা মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে ওই শিক্ষার্থী বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা বলেন, বিষয়টি জানার পর মাদরাসার অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ওই ছাত্রীকে শনাক্ত করতে পারেননি। তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে তদন্ত বা বিচারের মুখোমুখি না করে চাকরি থেকে বিদায় করে দেওয়া দুঃখজনক ও কাম্য নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে বলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এন আকন্দ কামিল মাদরাসায় এমন অভিযোগের ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।

প্রতিবেদকের নোট: অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. এহসানুল হকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের তথ্যের মধ্যে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু

বরিশাল নগরীতে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে অসুস্থ হয়ে জি এম মনির ওরফে মনির হোসেন (৫৫) নামে মহানগর যুবদলের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু।

নিহত জি এম মনির নগরীর ভাটিখানা জোর মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি কাটপট্টি রোড এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন জি এম মনির। পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় কাটপট্টি রোড এলাকায় জি এম মনির অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন বলেন, জি এম মনির দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মসূচিতেও নিয়মিত অংশ নিতেন। মঙ্গলবারও তিনি দক্ষিণ জেলা যুবদলের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে জি এম মনির স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টায় জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করার কথা রয়েছে।
[৮:২৩ PM, ২২/৯/২০২৬] তালাশ বিডি মিডিয়া লি:: শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি
মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি।

নেত্রকোনার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এন আকন্দ কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসায় এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মো. এহসানুল হক নামের ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে আপত্তিকর অবস্থার দৃশ্য ধরা পড়ার পর তাঁকে মাদরাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষক এহসানুল হক প্রায় আট বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির অনার্স শাখায় নন-এমপিও প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, গত ২০ আগস্ট শিক্ষকদের একটি সভা চলাকালে কয়েকজন শিক্ষক সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে একটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রিশালে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


ত্রিশালে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

‎ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সায়েন্সেস (এমসিপিএইচএস)-এর উদ্যোগে সমাজভিত্তিক পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী "বিনামূল্যে রিহ্যাবিলিটেশন হেলথ ক্যাম্প” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎ সকাল ১০টা থেকে উপজেলার কাজির শিমলার দেওয়ানীয়া বাড়ীর বটতলায় অবস্থিত কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সাইন্সেসের কোঅর্ডিনেটর সহকারী অধ্যাপক ডা. এম এ কুদ্দুস (জাহিদ)।
‎
‎এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সায়েন্সসের (ভারপ্রাপ্ত ) অধ্যক্ষ ডাঃ রোকসানা আক্তার। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডা. সাকিব আহমেদ, ডা. আশিকুর রহমান হৃদয়, ডা. তানভীর হাসান, ডা. প্রদীপ মৌলিক
‎পরে বিনামূল্যে প্রায় ২ শতাধিক অসহায় রোগীদেরকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল বিমানবন্দর এলাকায় চাঞ্চল্যকর মুহুরি নুরুজ্জামান হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী নাসিমা ঢাকায় গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


বরিশাল বিমানবন্দর এলাকায় চাঞ্চল্যকর মুহুরি নুরুজ্জামান হত্যা মামলার প্রধান আসামি স্ত্রী নাসিমা ঢাকায় গ্রেপ্তার

বরিশাল বিমানবন্দর থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর আইনজীবী সহকারী (মুহুরি) নুরুজ্জামান হাওলাদার (৫৫) হত্যা মামলার একমাত্র প্রধান আসামি ও নিহতের স্ত্রী নাসিমা বেগমকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঢাকার ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,বিমানবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) সুমন কুমার আইচের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে আসামির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নিহতের ভাই মো. কামরুজ্জামান ছায়েম বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর- ১২, ধারা: ৩০২ পেনাল কোড-১৮৬০।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যবর্তী যে কোনো সময় বিমানবন্দর থানাধীন বিসিসি ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠি কলোনির (বাথিয়া) আহসান হাবিবের ভাড়াবাড়ির (৩য় তলার উত্তর পাশের ফ্ল্যাটের পশ্চিম শয়নকক্ষে) এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী নাসিমা বেগম মুহুরি নুরুজ্জামানকে আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই (নিঃ) মো. বিল্লাল হোসেনের ওপর।

পুলিশ জানিয়েছে,এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%