মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৯ পি.এম
পাবনা বেড়ায় গভীর রাতে একটি নকল দুধ তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ নকল দুধ এবং ক্ষতিকর উপকরণ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার পেঁচাকোলা ঘাট এলাকার উত্তম ঘোষ ও পলি ঘোষ দম্পতির বাড়িতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় পলি ঘোষকে (৩৫) নকল দুধ তৈরির অভিযোগে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরেন মায়িশা খান। এ সময় স্থানীয় থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন।
আভিযানিক দলের তথ্যমতে, উত্তম ঘোষ ও তার স্ত্রী পলি ঘোষ দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের বাড়িতে কেমিক্যাল এবং ক্ষতিকারক উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল ও নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসন সেখানে উপস্থিত হয়। পরে উত্তম ঘোষের ঘর থেকে বড় আকৃতির ডেগে বিপুল পরিমাণ কৃত্রিম নকল দুধ জব্দ করা হয়। একইসাথে নকল দুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত পাম ওয়েল, ব্লিচিং পাউডার, কেমিক্যাল জেল, খাবার সোডা, গরম ছানার পানি, এক ডেগ ক্রিম, ফ্যাট তোলা দুধ এবং ব্লেন্ডার মেশিন উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলাকালে মূল হোতা উত্তম ঘোষকে পাওয়া না গেলেও তার স্ত্রী পলি ঘোষকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পলি ঘোষ স্বীকার করেন যে, তিনি এবং তার স্বামী নিয়মিতভাবে এসব ক্ষতিকর উপকরণ মিশিয়ে নকল দুধ তৈরি ও বাজারজাত করে আসছিলেন। পরবর্তীতে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, জব্দকৃত আলামত এবং স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পলি ঘোষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরেন মায়িশা খান জানান, জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে নকল দুধ তৈরি হচ্ছিল। অভিযুক্ত নারী তার অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তার ঘরে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ও বৃদ্ধ শ্বাশুড়ির মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে কারাদণ্ড না দিয়ে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তবে জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এবং নকল দুধ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিগার সুলতানা জ্যোতির ওয়ানডে অধিনায়কত্ব নিয়ে চলমান জল্পনার অবসান ঘটিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন জ্যোতি।
টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব থেকে জ্যোতির সরে দাঁড়ানোর পর তাঁর ওয়ানডে অধিনায়কত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে, বিসিবি অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছিল মাঝপথে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণে। এই পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ওয়ানডে অধিনায়ক পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়।
সোমবার বিসিবি কার্যালয়ে নারী ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এবং নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু। বৈঠকের পর রফিকুল জ্যোতির নেতৃত্ব নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানান।
তিনি বলেন, "বৈঠকেই জ্যোতিকে জানানো হয়েছে, তিনি অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন এবং অধিনায়ক হিসেবেই অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবেন।" ২০২১ সাল থেকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন জ্যোতি।
অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশের তিনটি ওয়ানডে খেলার কথা রয়েছে। ওই সিরিজে জ্যোতির নেতৃত্বেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
এদিকে, সিনিয়র কোচ সারওয়ার ইমরানের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়েও কথা বলেছেন রফিকুল। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক জিততে না পারার পর অধিনায়কত্ব ও কোচিং পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিসিবির সমালোচনা করে মন্তব্য করেছিলেন ইমরান।
রফিকুল জানান, ইমরানের বিরুদ্ধে এখনো কোনো শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়নি। তবে তাঁর মন্তব্যকে বোর্ড অনভিপ্রেত এবং আচরণবিধির সীমা অতিক্রম করার মতো বলে মনে করছে।
রফিকুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ইমরান বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় তাঁর এ ধরনের মন্তব্য করা উচিত হয়নি। তিনি বলেন, "ইমরান একজন সিনিয়র কোচ এবং বোর্ড তাঁর কাছ থেকে এমন মন্তব্য আশা করেনি।" ইতোমধ্যে তিনি গণমাধ্যমে বলেছেন, কোচটি ভুল করেছেন এবং সেটি গুরুতর ভুল।
অতএব, একদিকে অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে জ্যোতির ওয়ানডে অধিনায়কত্ব নিশ্চিত হলো, অন্যদিকে এশিয়ান গেমসের পর কোচিং ও অধিনায়কত্ব ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনাতেও বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট করল বোর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযানে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আদাবর থানার পুলিশ এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানের সময় আসামিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজার সংলগ্ন মেলার মাঠের পেছনে খালপাড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া চারজন হলেন রাজিব হাওলাদার (৩০), সাগর ওরফে ছোট বিগার (২৪), শাকিব (২৩) ও রাশেদ (২৪)। তাদের মধ্যে রাজিব ও সাগরের পায়ে গুলি লেগেছে। আহত দুজনকে চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আদাবর থানার ২৭ সেপ্টেম্বরের একটি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছিল। ওই মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ১৪৮, ১৪৯, ৪৪৭, ৩৮৫, ৪২৭, ৫০৬ ও ১১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানান, মঙ্গলবার রাত ২টা ৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, মামলার কয়েকজন আসামি নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজারের পেছনে খালপাড় এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে সেখানে অভিযান চালালে ৭-৮ জনকে দেখতে পায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হলে কয়েকজন ধারালো চাপাতি নিয়ে পুলিশের দিকে এগিয়ে এসে হামলার চেষ্টা করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে সঙ্গে থাকা কনস্টেবল মোশরেকুল ইসলামের শটগান দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে দুজন আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়, বাকিরা পালিয়ে যায়। অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে স্টিলের ধারালো চাপাতি, সামুরাই ও কিরিস উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার সাগর ওরফে ছোট বিগারের বিরুদ্ধে আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় মোট আটটি মামলা রয়েছে। রাজিব হাওলাদার মোহাম্মদপুরের আলোচিত বাবু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি বলেও পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেপ্তার শাকিব ও রাশেদের বিরুদ্ধেও পাঁচটি করে মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পর ওই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের শয়নকক্ষের বারান্দায় ঘুমাতে হতো, এমন তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আদালতে জানিয়েছেন যে, প্রথমে মৌখিকভাবে বিয়ে করেন গাজী নজরুল।
মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই দফায় ৮ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গাজী নজরুলকে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, মরিয়ম মাঝে মাঝে বারান্দায় ঘুমাতেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, গাজী নজরুল ইসলাম রিমান্ডে বলেছেন যে, মামলার বাদী (মরিয়মের বাবা) তার আত্মীয় এবং সম্পর্কের দিক থেকে ভাগনে। মরিয়ম আসামির নাতনি। নজরুল ইসলাম ঢাকায় এলেই বাদীর বাসায় রাত্রিযাপন করতেন এবং সংসদের কাজকর্ম পরিচালনা করতেন। এই সম্পর্কের সুবাদে মরিয়মের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে এবং নজরুল ইসলাম মরিয়মকে বিয়ে করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, গত ১৭ জুন নজরুল ইসলাম ধর্মীয় নিয়মে মরিয়মকে বিয়ে করেন। পরে নিজ এলাকায় কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয়। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম এবং মামলার ২ নম্বর আসামি মোছা. মাকছুদা ইসলামের সঙ্গে ন্যাম ভবনে গাজী নজরুল বসবাস করতেন। মোছা. মাকছুদা ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী।
‘প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে ন্যাম ভবনে বসবাসের সময় মরিয়ম মাঝে মাঝে নজরুলের শয়নকক্ষের পাশে ব্যালকনিতে ঘুমাতেন,’ এ কথা উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল ইসলামের কাছ থেকে মামলার ঘটনার বিষয়ে "আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য" পাওয়া গেছে।
২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের (৭৫) দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল, মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে ২২ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। গত বুধবার এ মামলার তৃতীয় আসামি ভুক্তভোগীর মামা ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি–২। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, গোপনে নাশকতাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
মঙ্গলবার সকালে, জিয়া পরিষদের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলানগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উল্লেখ করেন, ‘যারা গোপনে বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করার মানে হচ্ছে রাস্তায় মারামারি করা নয়।’
তিনি আরও বলেন, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সম্পূর্ণ আইনগতভাবে মোকাবেলা করা হবে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হয়েছে এবং জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ