ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হারুন-অর-রশীদ শিল্পকলার মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন


হারুন-অর-রশীদ শিল্পকলার মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহা. হারুন-অর-রশীদ। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। একই দিনে তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পরিদর্শন করেছেন বলে জানা যায়।

মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত মোহা. হারুন-অর-রশীদকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আদেশে আরও জানানো হয়েছে যে, নিয়মিত মহাপরিচালক দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত হারুন-অর-রশীদ এই দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে একাডেমির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যয়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন করবেন তিনি।

আরও পড়ুন: মিথিলার নতুন গান ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ প্রকাশ

এর আগে, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন নামে পরিচিত শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার নিয়োগের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পদটি আবারও শূন্য হয়ে পড়ে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন লিয়াকত আলী লাকী। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে এ দায়িত্বে ছিলেন।

এরপর, ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নাট্যনির্দেশক ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ জামিল আহমেদকে দুই বছরের জন্য মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি পদত্যাগ করেন। পরে ৪ মার্চ ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবে মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওয়ারেছ হোসেনকে সরিয়ে প্রায় ছয় মাস পর ২০২৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল ফয়েজকে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি প্রায় এক সপ্তাহ দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এবার মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহা. হারুন-অর-রশীদ।

আরও পড়ুন: ঢাকায় আসছেন বিলাল আব্বাস, দেখা করবেন যেভাবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজা পুনর্গঠনে ২.৪৫ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজা পুনর্গঠনে ২.৪৫ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা ঘোষণা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অব পিস বুধবার গাজার জন্য ছয় মাস মেয়াদি ২.৪৫ বিলিয়ন ডলারের পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

প্রতিবেদন অনুসারে, পরিকল্পনায় মোট ৬৬টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ, ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, হাসপাতাল মেরামত, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং একটি বহুজাতিক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের জন্য অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

এই পরিকল্পনার আওতায়, ছয় মাসের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে মোট ২.৪৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় যুদ্ধের কারণে প্রায় ৩৫.২ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। পুরো গাজা পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারে আগামী ১০ বছরে প্রায় ৭১.৪ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় গাজার সীমান্ত পারাপারের পথ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা মেরামতের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ২৫ হাজার বহনযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ কিট স্থাপন এবং পুনর্গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিচে থাকা সুড়ঙ্গ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার প্রস্তাবও রয়েছে।

পরিকল্পনা নিয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও হোয়াইট হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এর আগে জুলাইয়ের শেষ দিকে ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে জানিয়েছিল, প্রস্তাবিত গাজা শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্য ২০৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি গাজা পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের স্থগিত থাকা পরিকল্পনার প্রথম বড় অর্থায়ন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শেষ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেন। তবে জুলাইয়ের শেষ দিকে একটি চুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এই উদ্যোগের অগ্রগতি থমকে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস, উভয় পক্ষই চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু শর্ত পূরণ করেনি।

এদিকে বোর্ড অব পিস ও ফিলিস্তিনি সরকার এখন পর্যন্ত প্রস্তাবিত ২.৪৫ বিলিয়ন ডলারের পুরো অর্থ সংগ্রহ করতে পারেনি। তবে তারা আশা করছে, রাজনৈতিক বাধাগুলো দূর হলে বিভিন্ন দাতা দেশ পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দিতে এগিয়ে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৃহকর্মীদের শ্রমের স্বীকৃতি, তবে বৈষম্য ও নিরাপত্তা সংকট রয়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


গৃহকর্মীদের শ্রমের স্বীকৃতি, তবে বৈষম্য ও নিরাপত্তা সংকট রয়ে গেছে

গৃহকর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় আইন ও নীতিগত অগ্রগতি ঘটলেও, সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি এখনও একটি বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। ন্যায্য মজুরি, কর্মঘণ্টা, কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন ও হয়রানি, সীমিত সামাজিক সুরক্ষা এবং শ্রমিক হিসেবে মর্যাদার অভাব এখনো বহু গৃহকর্মীর প্রতিদিনের বাস্তবতা। তাই আইন পরিবর্তন করলেই হবে না; পরিবার, নিয়োগকর্তা এবং সমাজের মানসিকতায় পরিবর্তন না এলে গৃহকর্মীদের অধিকার বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন। কানাডা সরকারের সহায়তায় ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত ‘সুনীতি’ প্রকল্পের সাত বছরের অর্জন, শিক্ষা, নীতিগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় আলোচনা করার জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির বলেন, গৃহকর্মীসহ কোনো খাতের শ্রমিকদের অধিকার সরকারের একার পক্ষে শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। প্রতিটি ঘরে গিয়ে শিশু শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে কি না, তা সরকারের একার পক্ষে মনিটর করাও সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কম মজুরি, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, সামাজিক সুরক্ষার অভাব, কর্মক্ষেত্রে হয়রানি এবং অধিকার সম্পর্কে সীমিত সচেতনতা এখনো গৃহকর্মীদের বড় চ্যালেঞ্জ। শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে। সংশোধিত শ্রম আইনের আলোকে শ্রম বিধিমালা হালনাগাদের কাজও অনেক দূর এগিয়েছে, যা চলতি বছরের মধ্যেই একটি রূপ পাবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, সবকিছু পরিবর্তন করলাম, কিন্তু মানসিকতা পরিবর্তন না করলে হবে না। তিনি প্রশ্ন করেন, "আমার গৃহকর্মীকে আমি কেন আমার সহকর্মী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারি না?" কর্মজীবী মায়েদের জন্য কর্মস্থল ও আবাসিক ভবনে দিবাযত্ন কেন্দ্র নিশ্চিত করার পাশাপাশি গৃহকর্মীদের সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

শ্রম সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন, ২০২৬ সালের সংশোধিত শ্রম আইনে গৃহকর্মীদের স্বীকৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও তা এখনো আংশিক। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সুনীতি’ প্রকল্পের বড় অর্জন হলো গৃহকর্মীদের সংগঠিত করা এবং তাদের নিজস্ব নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা।

তিনি বলেন, নারী গৃহকর্মীদের কোনো কিছুই পূর্ণভাবে আমরা পাইনি। ২০২৬ সালে আমরা যে আইনটি পেয়েছি, সেটিও আংশিক স্বীকৃতি। দীর্ঘ একটি যাত্রা আমরা অতিক্রম করে এসেছি, সামনেও একটি দীর্ঘযাত্রা রয়ে গেছে।

কানাডা সরকারের অ্যাক্টিং হেড অব করপোরেশন জেন পালমার বলেন, ‘সুনীতি’ প্রকল্প গৃহকর্মীদের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং সমষ্টিগতভাবে সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এই প্রকল্পের কাজ বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বাংলাদেশ কার্যালয়ের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নিরান রামজুথান বলেন, গৃহকর্মীদের অদৃশ্য ও অনানুষ্ঠানিক অবস্থান থেকে আইনি সুরক্ষার কাঠামোয় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে।

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, গৃহকর্মীদের নিয়ে সমাজের প্রচলিত মানসিকতায় এখনো কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। একইসঙ্গে শিশুরা যেন ভবিষ্যতে গৃহকর্মে না আসে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের ইন্টেরিম কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিল পান্ত বলেন, আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি গৃহকর্মীদের অধিকার ও মর্যাদার প্রতি সামাজিক সম্মান নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে গৃহকর্মীদের জাতীয় ফোরামের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা বক্তব্য দেন। প্রকল্পের যাত্রা, অর্জন, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাংলাদেশে অক্সফ্যামের কর্মসূচি পরিচালক মাহমুদা সুলতানা।

অনুষ্ঠানে ‘সুনীতি’ প্রকল্পের সাত বছরের অভিজ্ঞতা, তথ্য-প্রমাণ, নীতিগত বিশ্লেষণ এবং গৃহকর্মীদের জীবনের ১০টি গল্প নিয়ে প্রস্তুত প্রধান প্রকাশনার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পরবর্তী অধিবেশনে প্রকল্পের চূড়ান্ত মূল্যায়নের ফলাফল ও শিক্ষা উপস্থাপন করেন অক্সফ্যাম কানাডার পুষ্পিতা সাহা। অধিবেশন সঞ্চালনা করেন অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের তারেক আজিজ।

মূল্যায়ন প্রতিবেদনে জানানো হয়, গৃহকর্মীদের অধিকার বিষয়ে সচেতনতা ২০১৯ সালে ১২ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মজুরি নিয়ে দর-কষাকষির সক্ষমতা ২৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬১ শতাংশ এবং লিখিত চুক্তির হার ৮ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া ৪১ শতাংশ গৃহকর্মী জানিয়েছেন, তারা আগের তুলনায় বেশি মজুরি পাচ্ছেন। তাদের মাসিক আয় গড়ে ৮৫০ টাকা বেড়েছে বলেও মূল্যায়নে উঠে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বংশাল থেকে নিখোঁজের এক বছর পর কিশোরী উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


বংশাল থেকে নিখোঁজের এক বছর পর কিশোরী উদ্ধার

রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক বছর পর, পুলিশ একটি কিশোরীকে (১৫) উদ্ধার করেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বংশাল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার শাহ আলী থানার একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

আজ বুধবার, ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লালবাগের/বংশালের বাসা থেকে বের হয় ওই কিশোরী। এরপর থেকে সে আর বাড়িতে ফেরেনি।

 

ঘটনার পরদিন কিশোরীর বাবা বংশাল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) দায়ের করেন। পরবর্তীতে, ডিএমপির বংশাল থানা পুলিশ দীর্ঘ সময় ধরে জিডিটি তদন্তের আওতায় রাখে।

বংশাল থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে জানতে পারেন, কিশোরীটি রাজধানীর শাহ আলী থানার এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শাহ আলী এলাকার ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর, উদ্ধার করা কিশোরীকে তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

 

কিশোরীর প্রায় এক বছর নিখোঁজ থাকার এবং আত্মগোপনে থাকার বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল স্পষ্টতা প্রদান করেছেন।

তিনি জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে—কেউ কিশোরীকে অপহরণ করেনি, বরং সে নিজেই স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিল। এতদিন সে মিরপুরে তার এক বন্ধুর সঙ্গে অবস্থান করছিল। নিখোঁজ থাকার সময় মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার না করায় পুলিশ এতদিন তার অবস্থান ট্র্যাক বা শনাক্ত করতে পারেনি। ডিভাইস চালু করার পরপরই প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান চিহ্নিত করে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের ঐক্য ও মর্যাদা রক্ষার আহ্বান কাদের গনি চৌধুরীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


সাংবাদিকদের ঐক্য ও মর্যাদা রক্ষার আহ্বান কাদের গনি চৌধুরীর

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সাংবাদিকতার কাজ হচ্ছে সত্য খুঁজে বের করা এবং সেই সত্যকে রক্ষা করা। তিনি উল্লেখ করেন, "সত্য না থাকলে আস্থা থাকে না, আর আস্থার অভাব হলে গণতন্ত্র থাকে না।"

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এই বক্তব্য দেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে আসা সাংবাদিকদের সঙ্গে স্থানীয় সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, "সাংবাদিকতা সত্যের আরাধনা। এখানে মিথ্যা বা অর্ধসত্যের কোনো স্থান নেই।" তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আপসের সুযোগ নেই এবং সংবাদমাধ্যম দেশের জনগণ ছাড়া কারও কাছে দায়বদ্ধ নয়। তিনি বলেন, "কালোকে কালো আর সাদাকে সাদা বলাই সাংবাদিকতার মূলমন্ত্র।"

কাদের গনি চৌধুরী মন্তব্য করেন, "দাসত্বের সাংবাদিকতা" মানুষ ঘৃণা করে। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে অনেক সাংবাদিককে দাসত্বের সাংবাদিকতা করতে দেখা গেছে। এর ফলে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

৫ আগস্ট ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যারা দীর্ঘদিন দলীয় ব্যানারের আড়ালে সাংবাদিকতা করেছেন এবং ক্ষমতার সঙ্গে আঁতাত করে জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছেন, তারা শেষ পর্যন্ত জনগণের রোষানল থেকে বাঁচতে পারেননি। কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, কেউ হত্যা মামলার আসামি হয়ে কারাগারে গেছেন, এবং অনেকে এখনো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

তিনি বলেন, এই বাস্তবতা দেখিয়েছে যে, সাংবাদিকতা দলীয় ব্যানারের ভিত্তিতে টিকে থাকতে পারে না। জনগণের আস্থা হারানো মানে সাংবাদিকতার মৃত্যু। সাংবাদিকতা কোনো মুনাফাভিত্তিক ব্যবসা নয়, এটি একটি সম্মানের পেশা।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতার পথ কখনো সহজ বা মসৃণ ছিল না। বর্তমানে গণমাধ্যমে যে অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে, তা অব্যাহত থাকলে সাংবাদিকেরা আরো বেশি সত্য তুলে ধরতে পারবেন। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, যা ইচ্ছা তা লিখলেই সাংবাদিকতা হয় না। "যা মুখে আসে, তা বলাই বাক্‌স্বাধীনতা নয়।" স্বাধীনতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতার বিষয়টিও মনে রাখতে হবে।

গণমাধ্যমের সংখ্যা দ্রুত বাড়ার প্রসঙ্গে বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, অধিকাংশ গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিকতা নেই। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিবর্তে ব্যবসায়ীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। মোবাইল ফোন হাতে নিয়েই অনেকে সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন। এর ভয়াবহতা থেকে কেউই নিরাপদ নয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করেও সামাজিকভাবে মানুষকে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। কাদের গনি চৌধুরী বলেন, এসব বন্ধে আইনের সঠিক প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। অপসাংবাদিকতা ও হয়রানি রোধে আইনের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে। তবে আইন যেন অপব্যবহার না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি ‘নো ওয়েজবোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করার দাবি জানান। কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হয় না বলেই অসংখ্য ভুঁইফোড় গণমাধ্যম গড়ে উঠছে। এসব গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও ওয়েজবোর্ড বাধ্যতামূলক করা হলে অপসাংবাদিকতা অনেকাংশে কমে আসবে।

তিনি মন্তব্য করেন, এসব গণমাধ্যমের তথাকথিত সাংবাদিকদের একটি অংশ চাঁদাবাজি করছে এবং সাংবাদিকতার পরিচয়কে অপব্যবহার করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে সাংবাদিকতার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি জানান। তিনি বলেন, তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের দাবি জানাচ্ছেন। সরকারি কর্মকর্তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও ছুটি পেলেও সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ ও ছুটির বিষয়টি এখনো যথাযথভাবে নিশ্চিত হয়নি।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে সাগর-রুনিসহ অনেক সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন। কথায় কথায় সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করা হয়। সাংবাদিকেরা জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে কথা বললেও কর্মক্ষেত্রসহ কোথাও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। একই সঙ্গে চাকরির নিশ্চয়তাও নেই।

বিএফইউজের মহাসচিব সাংবাদিক সমাজের বিভাজন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজনের কারণে তারা দুর্বল হচ্ছেন। সরকার ও মালিকেরা এর সুযোগ নেন।

কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে গণমাধ্যমের অনেক সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সাংবাদিকেরা আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— নুরুল আলম রোকন, সাঈদ তারেক, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, আবু রুশদ, ফরিদ আলম, গাউছুল আজম বিপু, কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, আরিফুল ইসলাম মামুন, মঈনুদ্দীন নাসের, মমিনুল ইসলাম মজুমদার, ওয়াহেদ খান, এবিএম সালেহ উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম ও ডা. সারোয়ার ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%