ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তামিম সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত, হারলেন মিতু ও আমজাদ


তামিম সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত, হারলেন মিতু ও আমজাদ

আজ (৭ জুন) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটগ্রহণ সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলেছিল। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের সংলগ্ন বিসিবি কার্যালয়ের বোর্ড রুমে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

বিকেল চারটায় ভোটগ্রহণের সমাপ্তির পরে ফল গননা শুরু হয় এবং সন্ধ্যায় ছয়টায় তা সম্পন্ন হয়। ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা: মাহবুব শামীম এবং সাকেফ আহমেদ সালাম।

এই ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রার্থী লড়াই করেছিলেন। পরিচালকের পদে নির্বাচিত হয়েছেন ১২ জন। যারা হেরে গেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন বোরহানুল পাপ্পু, আমজাদ হোসেন, ফরজুর মিতু এবং মেজর ইমরোজ আহমেদ।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা

তামিম ইকবাল সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট এসেছে সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ ও ইশরাফিল খসরুর দখলে। মাসুদুজ্জামান ৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং ফয়সাল ইয়াসির ৬৮ ভোট পেয়েছেন। ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম জনপ্রতি ৬৬ ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪ ভোট পেয়েছেন, এবং মির্জা ইয়াসির আব্বাস পেয়েছেন ৬৩ ভোট। রফিকুল ইসলাম ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন।

হেরে যাওয়া চারজন প্রার্থীর প্রাপ্ত মোট ভোট হলো- বোরহানুল পাপ্পু ৪০, আমজাদ হোসেন ৩২, ফরজুর মিতু ২৩ এবং মেজর ইমরোজ আহমেদ ২০ ভোট পেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ শেষ করেছেন।

ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোটার ছিলেন ৭৬ জন। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব?

মরুভূমির দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবের জন্য বালি যেন সবচেয়ে সহজলভ্য একটি জিনিস হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা কিন্তু ঠিক উল্টো।

দেশটি প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বালু বিদেশ থেকে আমদানি করে, যা অনেকের কাছে অবাক করার মতো একটি বিষয়।

এর পেছনে মূল কারণটি প্রাকৃতিক নয়, বরং বৈজ্ঞানিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, মরুভূমিতে থাকা বালুর কণা দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসের ঘর্ষণে ঘষে ঘষে অনেকটা গোল ও মসৃণ হয়ে যায়। এই কারণে সেই বালি নির্মাণকাজে ব্যবহার করা যাবে না।

নির্মাণশিল্পে যে বালু প্রয়োজন, তা মূলত ভিন্ন ধরনের। সেখানে দরকার হয় খসখসে ও কোণাযুক্ত কণা, যা একে অপরের সঙ্গে ভালোভাবে আটকে থাকে। সাধারণত নদী, হ্রদ বা প্রবাহমান পানির নিচে এই ধরনের বালি তৈরি হয়। পানির স্রোত ও পাথরের সঙ্গে ঘর্ষণের কারণে কণাগুলো ভাঙা ও রুক্ষ হয়, যা সিমেন্টের সঙ্গে মিশে শক্ত কাঠামো তৈরি করতে সাহায্য করে।

এই কারণেই সৌদি আরবের মতো মরুভূমিনির্ভর দেশগুলোকে নির্মাণকাজের জন্য বিদেশ থেকে বালির ওপর নির্ভর করতে হয়। ২০২৩ সালে সৌদি আরব অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ডলারের বালি আমদানি করেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার সমান।

দেশটির বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প, বিশেষ করে নতুন শহর 'নিয়োম' গড়ার কাজে বিপুল পরিমাণ নির্মাণসামগ্রীর প্রয়োজন হচ্ছে। এই চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে বিদেশি বালির ওপর নির্ভরতা আরো বাড়ছে।

শুধু সৌদি আরব নয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশও অস্ট্রেলিয়া থেকে বালি আমদানি করছে।

অস্ট্রেলিয়ার নদী ও হিমবাহ অঞ্চলে তৈরি হওয়া বালি এসব দেশের নির্মাণখাতের প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টন বালি নদীখাত থেকে উত্তোলন করা হয়। ১৯৭৬ সালের পর থেকে এই ব্যবহার প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। পানির পর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রাকৃতিক সম্পদ এখন বালি।

গত পাঁচ দশকে বালির বৈশ্বিক চাহিদা বছরে গড়ে প্রায় ৩.২ শতাংশ হারে বেড়েছে। এই বিশাল ব্যবহার এতটাই বেশি যে, যদি সব বালি একত্র করা হতো, তাহলে তা দিয়ে পৃথিবীর চারপাশে ২৭ মিটার উঁচু ও ২৭ মিটার পুরু বিশাল একটি দেয়াল তৈরি করা সম্ভব হতো বলে ধারণা করা হয়।

তবে এই চাহিদার বিপরীতে প্রাকৃতিক সরবরাহ সীমিত। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের হার বেড়ে গেছে। এতে পরিবেশে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হচ্ছে, ভাঙন বাড়ছে এবং কিছু এলাকায় বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি উপকূলীয় ছোট দ্বীপও বিলীন হওয়ার ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।

এই সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। কোথাও পাথর ভেঙে কৃত্রিম বালি তৈরি করা হচ্ছে, আবার পুরনো ভবন ও অবকাঠামো পুনর্ব্যবহার করেও সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে এখনো কার্যকর ও টেকসই সমাধান না আসায় বালির চাহিদা ও সংকট- উভয়ই বিশ্বজুড়ে বাড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় পুলিশ পরিচয় দিয়ে অপহরণের চেষ্টা, ২ জনকে আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


নেত্রকোনায় পুলিশ পরিচয় দিয়ে অপহরণের চেষ্টা, ২ জনকে আটক

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক ব্যক্তিকে অপহরণ করার চেষ্টা চালানোর সময় পুলিশ পরিচয় দিয়েই ২ জন ভুয়া পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা এবং পুলিশে সোপর্দ করেছে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে নেত্রকোনা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা গ্রামের সুজাত মিয়া এবং সিজন মিয়া। তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল এবং এক জোড়া হ্যান্ডকাফ (হ্যান্ডকাপ) জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে সুজাত ও সিজনসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়ন থেকে এক ব্যক্তিকে 'আসামি' হিসেবে তুলে নিয়ে যান। পরে, তারা কলমাকান্দার পোগলা ইউনিয়নের আমবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে, তাদের আচরণ এবং পরিচয় নিয়ে স্থানীয়দের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন খোঁজখবর নিয়ে দুপুরের দিকে ওই দুজনকে আটকে ফেলেন। তারা তাদের হেফাজতে থাকা অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। এ সময় বেগতিক দেখে পুলিশ পরিচয় দেওয়া তাদের অন্যান্য সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা-পুলিশ দ্রুত আমবাড়ী বাজার এলাকায় পৌঁছে জনতার হাতে আটক ২ জন ভুয়া পুলিশ সদস্য এবং অপহৃত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, 'স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে জব্দ করা মোটরসাইকেল ও হ্যান্ডকাফের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পলাশবাড়ীতে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ ও বিদেশি সম্পৃক্ততায় তদন্ত দাবি হেফাজতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


পলাশবাড়ীতে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ ও বিদেশি সম্পৃক্ততায় তদন্ত দাবি হেফাজতের

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এই বিষয়গুলোর স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার মাধ্যমে জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য জবাব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার, গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব সাজিদুর রহমান তাদের দাবি জানান। নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন ও এসব কর্মসূচিতে বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক অংশগ্রহণ জনমনে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র। সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার অনুযায়ী, এ দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ ধর্ম পালন করার সুযোগ দেওয়া হবে, যা জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংবিধানিক ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকল ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথাও তাঁরা উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পলাশবাড়ীর মতো ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বৃহৎ আকারের ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি, প্রকল্পগুলোর অর্থায়নের উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ঘনঘন সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জনমনে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য উত্তর নিশ্চিত করাও জরুরি, বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।

হেফাজত নেতারা বলেন, যদি কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা তার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তার, সামাজিক ভারসাম্য বিনষ্ট বা ভবিষ্যতে কৌশলগত জটিলতার আশঙ্কা সৃষ্টি করে, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাঁরা জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের উদাসীনতার সুযোগ নেই উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বিষয়গুলো নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে জনগণের উদ্বেগ দূর করতে হবে। একই সঙ্গে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না, যাতে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিংবা কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ন্যায়সঙ্গত অধিকার খর্ব হয়।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অক্ষুণ্ন রেখে সব কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং দেশের সার্বভৌম স্বার্থের প্রতি অটল অঙ্গীকারের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা আরও সুসংহত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরিবর্তনশীল ও পরস্পরবিরোধী’ অবস্থান আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরিবর্তনশীল ও পরস্পরবিরোধী’ অবস্থান আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রধান সমস্যা হলো ইরানের, যে ওয়াশিংটনের ‘পরিবর্তনশীল ও পরস্পরবিরোধী অবস্থা’ রয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এমন সমস্যা থাকলেও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বাঘাই বলেন, ‘এই প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার প্রধান সমস্যা হলো, আপনাকে বারবার অবস্থান পরিবর্তন, লক্ষ্য বদলানো, ভিন্ন ভিন্ন বিবৃতি এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার পরস্পরবিরোধী মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয়, যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য করে তোলে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে, কিন্তু মূল বিষয় হলো আমেরিকানদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে, তাদের ইরানের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে। যার মধ্যে আন্তর্জাতিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত।’

‘একই সাথে, যখন তারা আমাদের আটকে রাখা সম্পদ নিয়ে আলোচনা করছে, তখন তারা আমাদের কোনো ছাড়ের ব্যাপারে কিছু জানায়নি,’ বাঘাই বলেছেন।

ইরান অনেক দিন থেকেই বিদেশি ব্যাংকে জব্দকৃত শত শত কোটি ডলারের সম্পদ মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মত হতে হবে বলে দাবি করছে।

এদিকে, সিএনএন রোববার জানিয়েছে যে, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের চিন্তাভাবনা নিয়ে পরিচিত একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠনে সহায়তার জন্য ইরানি সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা করছে।

মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা এবং জব্দকৃত সম্পদের বিষয়ে বলতে গেলে, তাদের কেবল ইরানি সম্পদগুলো মুক্ত করে ইরানিদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে।’

বাঘাই আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক এবং এর পুরো কারণ হলো এই অঞ্চলের প্রতি এবং মূলত যুদ্ধবিরতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বেপরোয়া মনোভাব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%