বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৪২ পি.এম
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ১৪ বছর ৩ মাস বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করেছিল পরিবার। বরযাত্রী কনের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই উপজেলা প্রশাসন সেখানে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করে দিয়েছে।
এ সময় কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের কেরনখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, কনের বাড়িতে বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছিল। আত্মীয়স্বজন ও অতিথিদের দাওয়াত দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বরযাত্রীর অপেক্ষা ছিল মাত্র। এরই মধ্যে বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।
পরে কিশোরীর বয়স যাচাই করে বাল্যবিবাহের সত্যতা পান তিনি।
এরপর বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, কিশোরীর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে কনের বাবা আব্দুল জলিলের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় এবং তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে মেয়েটিকে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, কোথাও বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের বন্দর ও তেলবাহী জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের পরও আন্তর্জাতিক বাজারে দেশটির অপরিশোধিত তেল বিক্রি ও রফতানি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ।
তবে মার্কিন চাপের কারণে তেল সরবরাহের পরিমাণ কমেছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি’র প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পাকনেজাদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে ইরানি অপরিশোধিত তেলের বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। তবে আগের তুলনায় তেল সরবরাহ কমেছে।
তবে রফতানির পরিমাণ, কোন দেশগুলো ইরানি তেল কিনছে কিংবা কীভাবে তেলবাহী জাহাজগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ইরানের তেলমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করা হলে তা ‘শত্রুরা কাজে লাগাতে পারে’।
ইরানের তেল খাত দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সত্ত্বেও তেহরান বিভিন্ন উপায়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বন্দর ও তেল পরিবহনকারী জাহাজের ওপর মার্কিন চাপ আরও বাড়ানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো ইরানের তেল রফতানি কমিয়ে দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করা এবং তেহরানকে বিভিন্ন বিষয়ে ছাড় দিতে বাধ্য করা।
তবে ইরানের বক্তব্য অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপের পরও দেশটির তেল রফতানি পুরোপুরি থামানো সম্ভব হয়নি। তেলমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, সরবরাহ কমেছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানি তেলের প্রবাহ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তথ্য প্রকাশে সতর্ক তেহরান
রফতানির বর্তমান পরিমাণ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করার বিষয়ে পাকনেজাদের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কৌশল ও তেল পরিবহনের পথ গোপন রাখতে চাইছে তেহরান।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্যগুলোর একটি হলো দেশটির তেল বিক্রি থেকে বৈদেশিক আয় কমিয়ে দেওয়া। ফলে ইরান কোন পথে, কী পরিমাণে এবং কোন ক্রেতাদের কাছে তেল বিক্রি করছে—এসব তথ্য প্রকাশ পেলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরকারীরা তা ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইরান।
এ কারণে তেলমন্ত্রী রফতানি কমে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও এর মাত্রা বা সরবরাহ ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব
ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির তেল রফতানিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানি তেলের প্রবাহ কমে গেলে অপরিশোধিত তেলের দাম ও বাজারের অস্থিরতার ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।
তবে পাকনেজাদের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের পর সরবরাহ কমলেও ইরানি অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বিক্রি এখনও বন্ধ হয়নি।
ইরানের তেল রফতানি কতটা কমেছে এবং আগামী দিনগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে সরবরাহ আরও কমে যাবে কি না—তা এখন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে হাতবোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ঘরটির একটি বড় অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এটি মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিকরহাটি এলাকায় বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাশকতা অথবা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ ঝিকরহাটি এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম খান প্রায় সাত বছর ধরে খুলনায় বসবাস করছেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করেন। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ঘর থেকে হঠাৎ করে বিকট শব্দ শোনা যায়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে ধোঁয়া ও পোড়া গন্ধ অনুভব করেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা জানান, হাতবোমা বিস্ফোরণের ফলে পরিত্যক্ত ঘরটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। দিনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অতিরিক্ত গরমে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে গোমস্তাপুর পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুতের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। দিনে-রাতে মিলিয়ে মাত্র ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম ধস নেমেছে। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, রাইস মিল, ওয়েল্ডিং কারখানা, ফটোকপি ও কম্পিউটার কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা অলস সময় কাটাচ্ছেন, ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা।
তীব্র তাপপ্রবাহের সঙ্গে এই রেকর্ড পরিমাণ লোডশেডিংয়ের কারণে এলাকাবাসী চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। বিশেষ করে শিশু এবং বয়োবৃদ্ধরা হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং স্থানীয় ক্লিনিকগুলোতে গরমজনিত রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে, লোডশেডিংয়ের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এবং গরমে পড়ার টেবিলে বসা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকলেও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছেন না।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, "দিনে-রাতে কতবার যে বিদ্যুৎ যায় আর আসে, তার হিসাব নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকের বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গরমে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে, আর বাচ্চাদের পড়ালেখার তো চরম ক্ষতি হচ্ছে।"
বিদ্যুৎ বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, চাহিদার তুলনায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ না পাওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকেই সরবরাহ কম রয়েছে। তবে তাঁরা আশ্বস্ত করেন যে, এ সংকট দ্রুত কাটিয়ে উঠে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে জনজীবনকে দুর্ভোগ মুক্ত করার জন্য গোমস্তাপুরের ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও সৌদি আরব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পারস্পরিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ২৩তম বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকের সময়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি হস্তান্তর করেন। উভয় পক্ষই তাদের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং এই অংশীদারিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর দুই দেশের মধ্যে একাধিক উচ্চ পর্যায়ের সফর হয়েছে, যা বিভিন্ন খাতে সার্বিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি অদূর ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য আরো উচ্চ পর্যায়ের সফরের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক সৌদি আরবের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সম্পর্কগুলোর একটি। তিনি অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে সৌদি প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়ছে এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহী সৌদি আরব।
এ সময়, সৌদি আরবের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মূল্যবান অবদানের প্রশংসা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ