ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সূত্রাপুরে পারিবারিক ঝগড়ায় ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, ৫ দগ্ধ


সূত্রাপুরে পারিবারিক ঝগড়ায় ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, ৫ দগ্ধ

রাজধানীর সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে পারিবারিক কলহের কারণে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে, যখন তারা নিজেদের টিনশেড বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—সিদ্দিক মেম্বার (৬০), তার ছেলে সৌদি প্রবাসী মো. ইমন (২৫), দুই ভাগ্নে মো. রাজিব (৩৫) ও মো. দুলু ওরফে আরিফ (৩৬) এবং ভাতিজি তানিয়া (১৭)। রাজিব ও দুলু পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান, আর তানিয়া স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: সাইদুলের মহৎ উদ্যোগে অভিভূত সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রশংসা করলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের কল্যাণে

দগ্ধ সিদ্দিকের মেয়ে সুলতানা জানান, তিন দিন আগে ময়লা পানি ফেলা, ঝাড়ু দেওয়া এবং চুলায় রান্না করা নিয়ে তার ছোট বোন সাথী ও মামাতো ভাবি সোনিয়ার মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।

শুক্রবার তার ভাই ইমন সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন। ওই ঘটনার পর শনিবার বিকালে রাগের মাথায় ইমন ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। এতে ইমনসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ, ইমনের ৯০ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, দুলুর ৮ শতাংশ এবং তানিয়ার ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরও পড়ুন: লেক দূষণমুক্ত করতে রাজউকের কারিগরি কমিটির সভা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডায়ানা মৃত্যুর তিন দশক পর ব্রিটিশ রাজপরিবারে নতুন নজিরবিহীন দ্বন্দ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


ডায়ানা মৃত্যুর তিন দশক পর ব্রিটিশ রাজপরিবারে নতুন নজিরবিহীন দ্বন্দ্ব

প্রিন্সেস অফ ওয়েলস, ডায়ানার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও, তাঁর স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে যে ক্ষত এখনও শুকায়নি, তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ডায়ানার ভাই আর্ল স্পেন্সারের লেখা নতুন একটি স্মৃতিকথা প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে ব্রিটিশ রাজপরিবার এবং স্পেন্সার পরিবারের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

‘সওয়ান সং: ডায়ানা, মাই সিস্টার’ (Swan Song: Diana, My Sister) শিরোনামের এই নতুন বইটিতে আর্ল স্পেন্সার রাজপরিবারের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লসের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন। বইটির তথ্য অনুযায়ী, ডায়ানার মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রিন্স চার্লস নাকি ফোনে স্পেন্সারকে বলেছিলেন, "আমরা খুব দ্রুতই তাঁকে ভুলে যাব।" এছাড়াও, বোন হারানোর খবরের পর চার্লসের কণ্ঠস্বরকে "অত্যধিক আনন্দিত" বা লটারি বিজয়ীর মতো শোনার দাবি করেছেন তিনি।

সাধারণত রাজপরিবারের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানানো হয় না, তবে এবার নীরবতা ভেঙেছে বাকিংহাম প্যালেস। রাজপ্রাসাদের পক্ষ থেকে আর্ল স্পেন্সারের এই দাবি ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে নাকচ করা হয়েছে। বাকিংহাম প্যালেসের এক বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, স্বজন হারানোর গভীর শোক অনেক সময় মানুষের স্মৃতি ও বিচারবুদ্ধিকে প্রভাবিত করে।

১৯৯৭ সালের গ্রীষ্মে প্যারিসে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক গাড়ি দুর্ঘটনায় ডায়ানার মৃত্যুর পর রাজপরিবারের প্রতি জনরোষ চরম আকার ধারণ করেছিল। ডায়ানার শেষকৃত্যে আর্ল স্পেন্সারের দেওয়া বিস্ফোরক ভাষণ ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের ভেতরের পরিবেশ স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

রাজপরিবারের বিশেষজ্ঞ ও ইতিহাসবিদদের মতে, আগামী বছর প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর ৩০ তম বার্ষিকী সামনে রেখে এই স্মৃতিকথার প্রকাশ রাজপরিবারের তিন দশকের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তবে সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপ (YouGov) অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষ এই ইস্যুতে বিভক্ত—৩১ শতাংশ আর্ল স্পেন্সারকে বিশ্বাস করছেন, ৩৬ শতাংশ রাজপরিবারের পক্ষ নিচ্ছেন এবং ৩৩ শতাংশ অনিশ্চিত।

সব মিলিয়ে, ডায়ানার স্মৃতির ট্রমা যে কেবল তাঁর দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারির জীবনেই প্রভাব ফেলেনি, বরং পুরো রাজপরিবার এবং স্পেন্সার পরিবার আজও সেই অতীতের ছায়া থেকে বের হতে পারেনি—এই নতুন বই তারই প্রমাণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং কর্নার গুরুত্বপূর্ণ: চসিক মেয়র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং কর্নার গুরুত্বপূর্ণ: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী ব্রিজ এলাকা এবং কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দুটি ব্রেস্টফিডিং কর্নার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জনসমাগমের জন্য পরিচিত এই স্থানগুলোতে শিশুদের নিয়ে আসা মায়েদের নিরাপদ ও নিরিবিলি পরিবেশে বুকের দুধ পান করানোর সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে এই কর্নার দুটি স্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নগরের কর্ণফুলী ব্রিজ এলাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে ব্রেস্টফিডিং কর্নার দুটি উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় এই কর্নার দুটি স্থাপন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্টফিডিং কর্নার থাকা অত্যন্ত জরুরি। অনেক মা জনসমক্ষে শিশুকে বুকের দুধ পান করাতে অস্বস্তি অনুভব করেন। আবার কোথাও উপযুক্ত ও নিরিবিলি স্থান না থাকার কারণে প্রয়োজনের সময় শিশুকে দুধ পান করানো সম্ভব হয় না। এসব বিষয় মাথায় রেখেই কর্নারগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

মেয়র আরও জানান, কর্ণফুলী ব্রিজ এলাকা ও কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশাপাশি নগরের বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, বাস স্টেশন, পতেঙ্গাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউল হক পলাশ বলেন, মায়েদের প্রয়োজন বিবেচনায় ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপনের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে ধন্যবাদ। গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে এ সেবা চালুর জন্য স্থান দেওয়ার জন্য চসিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

নতুন ব্রিজ এলাকায় স্থাপিত ব্রেস্টফিডিং কর্নারটি চালুর প্রায় এক মাসের মধ্যে ১৩৫ জন মা সেবা গ্রহণ করেছেন। এতে নগরে এ ধরনের সেবার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক পলাশ, ফুডি এক্সপ্রেস লিমিটেডের সিইও মো. শাহনেওয়াজ মান্নানসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে আইন অনুযায়ী শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা ‘আমার ভাই মরলো কেন? প্রশাসন জবাব দে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই’, ‘অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’—এ ধরনের স্লোগান দেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

কুবি শিক্ষার্থীরা চারটি আল্টিমেটাম প্রদান করেন। প্রথমত, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসম্মুখে উপস্থাপন করতে হবে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কুমিল্লা পুলিশ প্রশাসন, সদর দক্ষিণ থানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বশীলদের স্বীকার করতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থীদের জরুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করতে হবে। চতুর্থত, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কুমিল্লা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় মহাসড়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

কুবি শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, ‘আমরা ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি। এই ১২ ঘণ্টার মধ্যে এসপিকে আমাদের কাছে এসে জানাতে হবে, তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে আমরা মহাসড়ক অবরোধ করব। এটা শুধু একটি ঘটনার বিষয় নয়; সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা দেখব, প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবস্থান অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অবাক করার বিষয় হলো, ঘটনার পর সিসিটিভির ফুটেজ বের করা এবং একজনকে আটক করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরই ভূমিকা রাখতে হয়েছে। ফরেনসিক টিমও দীর্ঘ সময় পর ঘটনাস্থলে এসেছে। সকালে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরও যদি গাড়ির অভাবে ফরেনসিক টিম আসতে না পারে, তাহলে প্রশাসনের দায়িত্ব কী—এ প্রশ্ন থেকেই যায়।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এখন আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না প্রশাসন। আমি তো এটাই বুঝতে পারছি না। অপ্রতিম আমাদের ছোট ভাই। ওকে আমি নিজের চোখে দেখেছি—রাস্তার মধ্যে খেলতে দেখেছি, ওর মায়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছি। আজ অপ্রতিম নেই, এটা আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না।

‘ওর মা আমাদের মাতৃতুল্য। তিনি আমাদের যেভাবে আদর করেন, তার নিজের সন্তানকে তিনি কতটা আদর করতেন, সেটা ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে। এরকম লাখো লাখো মা প্রতিদিন নিজের সন্তানকে হারাচ্ছেন। কিন্তু আমাদের অথর্ব প্রশাসন কী করছে? বসে বসে আঙুল চুষছে তারা। এদের ধিক্কার। ধিক্কার, ধিক্কার।’

উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে অপ্রতিমের লাশ সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই পাহাড়ের একটি টিলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কোটবাড়ির বাসা থেকে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়। পরে তার মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সামাজিক বনায়ন এলাকায় শনাক্ত হয়। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেখানে তাকে খুঁজতে বের হলে স্থানীয় এক ব্যক্তি পাহাড়ের পাশে একটি শিশুর মরদেহ পড়ে থাকার তথ্য দেন। পরে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অপ্রতিমের লাশ শনাক্ত করেন। পুলিশ জানিয়েছে, তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনা তদন্ত করছে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশসহ ৮ দেশের জন্য বরফ ধস ও বন্যার সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


বাংলাদেশসহ ৮ দেশের জন্য বরফ ধস ও বন্যার সতর্কবার্তা

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ঘটে যাওয়া আকস্মিক বরফ ধস এবং ভয়াবহ বন্যা শুধুমাত্র একটি স্থানীয় দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি পুরো পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর একটি মারাত্মক বিপর্যয়ের চিহ্ন।

বাংলাদেশসহ আটটি দেশের জন্য এই ঘটনা একটি গুরুতর সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ হিমালয় পর্বতমালার ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীলতা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলতে শুরু করেছে, যা এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিকে ক্রমশ জটিল করে তুলছে।

যখন পাহাড়ের চূড়ায় বরফ ধস বা পাহাড়ি ঢল শুরু হয়, তখন নদীর পানি মুহূর্তের মধ্যে সমতলের দিকে নেমে আসে। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা অববাহিকার শেষ প্রান্তে অবস্থান করার কারণে যেকোনো উজান ঢলের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশে এসে পড়ে। জলবায়ুর এই পরিবর্তনের ফলে আগামী দিনে আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন এবং অসময়ে পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন কেবল নিজেদের দেশের সীমানায় বসে বিপর্যয় মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন এবং পাকিস্তানসহ এই অঞ্চলের আটটি দেশকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। পাহাড়ি আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং নদীগুলোর গতিপ্রকৃতি নজরদারিতে যৌথ ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক সময়ে দুর্যোগের পূর্বাভাস পৌঁছাতে পারলে হাজার হাজার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%