এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৩:২৩ পি.এম
ফরিদপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পরিচালিত ‘দারুল আকরাম ইসলামী শিক্ষা পরিচালনা ও সুসংহতকরণ’ প্রকল্প এবং ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার ফরিদপুর জেলা মডেল মসজিদ এবং ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মিলনায়তনে এই সভাটি আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কার্যালয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি উল্লেখ করেন, নৈতিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন করতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মাদ ইয়াছিন মোল্যা।
মতবিনিময় সভায় ‘দারুল আকরাম ইসলামী শিক্ষা পরিচালনা ও সুসংহতকরণ’ প্রকল্প এবং ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’-এর সার্বিক অগ্রগতি, শিক্ষার মানোন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে শিক্ষকদের ভূমিকা, পাঠদানের মান উন্নয়ন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, দুই প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে লিবিয়া হয়ে ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণের কাছ থেকে প্রায় ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং বিদেশে নিয়ে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে একটি কথিত মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের দাবি, চক্রটির প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তারা সর্বস্ব হারিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী মো. তাহসান মোল্লা (পিতা: মৃত জালাল মোল্লা, মাতা: মনিরা বেগম) মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের মধ্য ব্রাক্ষন্দী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দেশে ফিরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর তিনি বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং তিন দিন পর বেনগাজিতে পৌঁছান। সেখানে দীর্ঘদিন আটক রেখে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর দেশে ফিরে ২০২৬ সালের ৭ জুলাই মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, সদর উপজেলার সিদ্দিখোলা এলাকার বাসিন্দা রুবিনা ও একই এলাকার লাইসু নামে দুই নারীর মাধ্যমে তাকে লিবিয়া হয়ে তিন মাসের মধ্যে ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, ইউরোপে স্বামী ও ইতালিতে সন্তান থাকার কথা বলে বিশ্বাস অর্জন করে ওই চক্রটি বিদেশে পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করে।
তাহসান মোল্লা বলেন, “লিবিয়ায় নেওয়ার পর আমাকে নিয়মিত মারধর করা হতো। ভিডিও কলে পরিবারের সঙ্গে কথা বলিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে টাকা আদায় করা হয়। প্রথমে ২৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে জিম্মি করে আরও ১৫ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এখন আমরা নিঃস্ব।”
তাহসানের বড় বোন মোছাম্মৎ সুফিয়া আক্তার বলেন, “আমরা মোট ৪০ লাখ টাকা দিয়েছি। পরিবারের সবকিছু বিক্রি করে এই টাকা জোগাড় করেছি। এখন আমরা নিঃস্ব। আমরা এই প্রতারণার বিচার চাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করব।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রুবিনার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
মাদারীপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, “মানব পাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবৈধ মানব পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যাওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তাই মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি। তাদের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে অনেক তরুণ প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের স্বনামধন্য বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এমইপি গ্রুপ-এর উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইলেকট্রিশিয়ানদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভা শনিবার সকাল ৯ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্লাব সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় অবস্থিত চাঁপাই ফুড ক্লাবে আয়োজন করা হয়।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুস সোবহান, যিনি রাজশাহী ডিভিশনের ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মো. আমিরুল ইসলাম, যিনি এমইপি গ্রুপের পরিবেশক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
অনুষ্ঠানটি তত্ত্বাবধান করেন মো. শহিদ রানা, যিনি রাজশাহী টেরিটোরির টেরিটোরি সেলস ম্যানেজার এবং মো. কামরুজ্জামান, যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এর ফিল্ড অফিসার।
মতবিনিময় সভায় এমইপি গ্রুপের বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পণ্যের গুণগত মান, নিরাপদ ব্যবহার, আধুনিক প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রিশিয়ানদের দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ইলেকট্রিশিয়ানরা তাদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারী ইলেকট্রিশিয়ানদের মাঝে ব্যাগ, বৈদ্যুতিক কাজের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং একটি করে টি-শার্ট বিতরণ করা হয় এবং একটি রেফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ইলেকট্রিশিয়ানদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, পণ্যের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যেই এ ধরনের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, সাবেক হুইপ এবং বরিশাল-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে ‘জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ঐক্য পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে।
গতকাল শুক্রবার রাত ১০টায় নগরীর কাউনিয়া সাধুর বটতলাস্থ সংসদ সদস্যের বাসভবনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়েছিলেন।
দৈনিক ভোরের আকাশের বরিশাল ব্যুরো প্রধান মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও ‘বরিশাল বার্তা’র সম্পাদক-প্রকাশক আলহাজ্ব নুরুল আমিন, আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম শাহীন, উপদেষ্টা ও দৈনিক ডেসটিনির ব্যুরো প্রধান কাজী জাহাঙ্গীর, উপদেষ্টা সাইফুল ইসলাম মাসুম এবং উপদেষ্টা কবির হাওলাদার।
এছাড়াও সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি মো. নুরে আলম, সহ-সভাপতি ও দি কান্ট্রি টুডের স্টাফ রিপোর্টার কাজী ওয়াহিদ মুরাদ, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার মারুফ হোসেন, সহ-সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ সংযোগের স্টাফ রিপোর্টার মিরাজ মল্লিক এবং দৈনিক আজকের তালাশ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মো. শাহাদাতসহ সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা তোড়া প্রদানের পর এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এলাকার উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নানা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।
মতবিনিময়কালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক এবং সংবাদপত্র রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সমাজ ও রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।"
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, "গণমাধ্যম দেশের সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজ থেকে দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্য দূর করতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের কোনো বিকল্প নেই।"
তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও যেকোনো যৌক্তিক প্রয়োজনে পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সেই সাথে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে এলাকার টেকসই উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটিতে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে এবং পানিবন্দি হাজারো মানুষ বিপর্যয়ে পড়েছেন।
টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে উঠেছে। চারপাশে ব্যাপক এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। নদী, ছড়া এবং খাল উপচে মানুষের বসতিতে প্লাবনের অনুরোধে বাড়িঘর, কৃষিজমি ও খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পানির স্রোতে অনেকের ঘরবাড়ি ভেসে গেছে এবং গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির ওপরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ কঠোর দুর্ভোগে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের অনুযায়ী, রাঙামাটির ১০টি উপজেলার মধ্যে ছয়টি উপজেলা নদীপথনির্ভর। এসব উপজেলার বেশিরভাগ মানুষের বসতি নদীতীরবর্তী অঞ্চলে বৃষ্ট season মৌসুমে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলার বাসিন্দারা। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
বাঘাইছড়ি উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩০টি গ্রামের ২,৩৬৬ জন মানুষ পানিবন্দি হয়ে রয়েছেন। তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বিলাইছড়ি উপজেলায় চারটি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৮৩ জন এবং বরকল উপজেলায় তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।
বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় রাঙামাটি জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠন ত্রাণ বিতরণ করছে। এছাড়াও পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশেষ চিকিৎসক দলের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়।
রাঙামাটি জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাঘাইছড়ির বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ৪৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ১,০৪৪টি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের জন্য তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিলাইছড়ির জন্য ২৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ১৮৩ জনকে তিন বেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। বরকলের তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ১৫২ জনের জন্যও খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর জন্য ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ