ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চণ্ডীগড়ে তৈরি হচ্ছে ‘দ্য সালমান টাওয়ার্স’


চণ্ডীগড়ে তৈরি হচ্ছে ‘দ্য সালমান টাওয়ার্স’

বলিউডের ‘ভাইজান’খ্যাত অভিনেতা সালমান খানকে কেন্দ্র করে চণ্ডীগড়ে একটি বৃহৎ আবাসন প্রকল্প নির্মাণ হতে যাচ্ছে। এই বহুতল প্রকল্পের সম্ভাব্য নাম হিসেবে ‘দ্য সালমান টাওয়ার্স’ আলোচনায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে সালমান খানের উপস্থিতি নিশ্চিত বলে জানা গেছে।

প্রকল্পটির জন্য প্রাথমিকভাবে তিনটি নাম নিবন্ধিত করা হয়েছে, সেগুলি হলো ‘এসকে টাওয়ার্স’, ‘দ্য সালমান টাওয়ার্স’ এবং ‘সালমান খান টাওয়ার্স’। তবে আলোচনা চলছে যে ‘দ্য সালমান টাওয়ার্স’ নামটি চূড়ান্ত হতে পারে। যদিও এখনো কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি, প্রয়োজন হলে সম্পূর্ণ ভিন্ন নামও নির্বাচিত হতে পারে সংশ্লিষ্টদের দ্বারা।

এটি শুধুমাত্র একটি বহুতল ভবন নয়, বরং বৃহৎ পরিসরে গড়ে উঠবে প্রকল্পটি। এতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দুটি আবাসন সংস্থা, একটি স্থানীয় এবং অন্যটি আন্তর্জাতিক।

আরও পড়ুন: নেপালের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হবে বাংলাদেশের ‘এ ফাদার’স স্কাই’

বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির নাম, নকশা এবং বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হতে পারে। সালমানের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা আরও আকর্ষণ সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, সালমান খান দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে মুম্বাইয়ের বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাস করছেন। ১৯৭৪ সাল থেকে গ্যালাক্সিই খান পরিবারের ঠিকানা হয়ে রয়েছে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সালমানের ব্যক্তিজীবন ও ক্যারিয়ার।

हालांकि, সম্প্রতি সালমানের পরিবারের নতুন আবাসন নিয়ে খবর এসেছে। বান্দ্রার চিমবাই এলাকায় সমুদ্রের দিকে মুখ করা একটি নতুন ছয়তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমতি পেয়েছে খান পরিবার। এই সম্পত্তিটি সালমানের মা সালমা খানের নামে রয়েছে।

নতুন ভবন নির্মাণের পর সালমান এবং তার পরিবার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে সেখানে বসবাস করবেন কিনা, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: সাত বছরেই ১২ ভাষায় দক্ষ গজনি অভিনেত্রীর মেয়ে, ঘরে নেই টিভি-মোবাইল!

কাজের দিক থেকে সালমান খানকে সর্বশেষ ‘সিকান্দার’ সিনেমায় দেখা গেছে। ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। মুক্তির পর সিনেমাটি বিভিন্ন স্থানে ফাঁস হওয়ার খবরও সামনে এসেছে।

বর্তমানে নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন সালমান। অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত এই সিনেমায় তার সঙ্গে অভিনয় করছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। সিনেমাটির নাম প্রথমে ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ রাখা হয়েছিল, পরে পরিবর্তন করে ‘মাতৃভূমি’ নামকরণ করা হয়। ২০২৬ সালে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এখনো নির্দিষ্ট মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

এ ছাড়া পরিচালক বংশী পৈদিপল্লীর একটি সিনেমাতেও অভিনয় করছেন সালমান খান। এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে নয়নতারাকে। দিল রাজু প্রযোজিত সিনেমাটি ২০২৭ সালে মুক্তি পেতে পারে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: জাফর পানাহির ৫ বছরের কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন ঘণ্টায় কাঁচা পেঁপে পেকে হলুদ, ঢাকার বাজারে কৃত্রিম পাকা নিয়ে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


তিন ঘণ্টায় কাঁচা পেঁপে পেকে হলুদ, ঢাকার বাজারে কৃত্রিম পাকা নিয়ে অভিযোগ

গাছ থেকে সংগ্রহ করার পর মাত্র তিন-চার ঘণ্টার মধ্যে কাঁচা শক্ত সবুজ পেঁপে হয়ে যাচ্ছে টকটকে হলুদ পাকা ফল।

অভিযোগ উঠেছে যে, কৃত্রিম উপায়ে পাকানো পেঁপে ময়মনসিংহের নান্দাইলের চরাঞ্চল থেকে সরাসরি ঢাকার বিভিন্ন পাইকারি বাজারে চলে যাচ্ছে, যা পরবর্তীতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নান্দাইলের ১৩ নম্বর চর বেতাগৈর ইউনিয়ন, চরশ্রীরামপুর ও আনন্দ বাজারসহ চরাঞ্চলের বিভিন্ন বাগান থেকে কাঁচা পেঁপে পাইকারি দরে কেনা হচ্ছে। পাইকাররা প্রতিকেজি কাঁচা পেঁপে ১০ থেকে ১২ টাকায় কেনেন। পরে সেগুলো একটি নির্দিষ্ট ঘরে বা আড়তে এনে স্তূপ করা হয়। সেখানে শ্রমিকরা একেকটি কাঁচা পেঁপে কাগজে মুড়িয়ে বড় বড় ঝুড়ি ও বস্তায় ভরে ট্রাকে তোলেন।

পাইকাররা জানান, নান্দাইল থেকে ট্রাকে করে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পৌঁছাতে চার-পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে, এবং এই সময়ের মধ্যেই কাঁচা পেঁপে সম্পূর্ণ পেকে টকটকে লাল-হলুদ রং ধারণ করে। তবে অনেকের অভিযোগ, কৃত্রিম উপায়ে পাকানোর পর ১০-১২ টাকা কেজিতে কেনা পেঁপে রাজধানীতে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার চর বেতাগৈর এলাকার বাসিন্দা মো. শাহজাহান নামের এক ব্যবসায়ী জানান, তার নিজের পেঁপে বাগান রয়েছে এবং তিনি অন্য চাষিদের কাছ থেকেও বাগানচুক্তিতে কিনে নেন। সম্প্রতি ১৫০টি পেঁপে গাছের একটি বাগান ফলসহ ৭০ হাজার টাকায় কিনেছেন এই ব্যবসায়ী।

নিজের বাগান থেকে সংগ্রহ করা বা চর থেকে কেনা পেঁপে কারওয়ান বাজারে চড়া দামে বিক্রির কথা স্বীকার করলেও রাসায়নিক ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেন শাহজাহান। তিনি দাবি করেন, কাঁচা পেঁপেতে কোনো ওষুধ বা রাসায়নিক দেওয়া হয় না। পত্রিকার পাতা দিয়ে মোড়ানোর পর ভেতরের গরমে বা তাপে পেঁপেগুলো এমনিতেই পেঁকে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নান্দাইলের চর শ্রীরামপুরের কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, কাগজ দিয়ে মোড়ানোর ঠিক আগ মুহূর্তে পেঁপেগুলোতে এক ধরনের তরল রাসায়নিক স্প্রে মেশিন দিয়ে ছিটানো হয়। এতে ঢাকার বাজারে পৌঁছানোর আগেই কৃত্রিমভাবে পেকে যায় সব পেঁপে। একটি অসাধু চক্র এর সঙ্গে জড়িত বলে তাদের দাবি।

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শামীমা সুলতানা বলেন, রাসায়নিকযুক্ত ফল খাওয়ার ফলে মানুষের লিভার, কিডনি বিকল হয় এবং এতে ক্যানসারের মতো মারাত্মক ব্যাধির ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

নান্দাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈমা সুলতানা বলেন, ‘সব পেঁপেতেই কার্বাইড বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করতে হয় না। গাছে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকা পরিপক্ক পেঁপে এমনিতেই কাগজে মুড়িয়ে রাখলে স্বাভাবিক তাপে পেকে যায়। তবে নান্দাইলের চরাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা কাঁচা পেঁপে প্রাকৃতিকভাবে পাকছে, নাকি কৃত্রিমভাবে পাকানো হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং কোনো নিষিদ্ধ রাসায়নিক প্রয়োগের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন এ কৃষি কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার বুলিং প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসহায়ত্ব: শিরিন সুলতানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


সাইবার বুলিং প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসহায়ত্ব: শিরিন সুলতানা

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সাইবার বুলিং ঠেকাতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে অসহায় হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা। তিনি উল্লেখ করেন, সাইবার হয়রানির ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সংস্থার সহযোগিতা চাওয়া সত্ত্বেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় ‘বাংলাদেশে অধিকার-সম্মানজনক ডিজিটাল শাসন’ বিষয়ক এক সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সিরাক-বাংলাদেশের উদ্যোগে ডিডিআই সাউথ এশিয়া ও অ্যাকাউন্টেবিলিটি ল্যাবের সহযোগিতায় ‘পলিসি ডায়ালগ অন রাইটস-রেসপেক্টিং ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়।

শিরিন সুলতানা জানান, বিরোধী দলে থাকার সময় এবং বর্তমান সরকারের আমলেও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। তখন তাদের একজন প্রথমে ফোন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে বলেন। কিন্তু পরে তিনি জানান, গুগল ও ফেসবুকের কাছে কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ পাঠালেও অনেক সময় সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায় না। এমনকি তার বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং করা ব্যক্তির অনুসারী বেশি হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে অনাগ্রহী।

ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে নাগরিক সেবা ও সুযোগ-সুবিধার পরিধি যেমন বাড়ছে, তেমনি সাইবার নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে সংলাপে বক্তারা উল্লেখ করেন। নিরাপদ, অধিকারসম্মত ও জবাবদিহিমূলক ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি খাত ও তরুণদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচনায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে অন্যান্য বক্তারা বলেন, একজন নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অধিকার। তবে এ স্বাধীনতার চর্চা যেন অন্যের অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা বা ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষতির কারণ না হয়, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। ডিজিটাল পরিসরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বশীল মতপ্রকাশ, তথ্যের যথার্থতা এবং অন্যের অধিকার ও ক্ষতি থেকে সুরক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানানো হয়।

সংলাপে সংবাদমাধ্যমে তথ্য প্রকাশের বিষয়টিও উঠে আসে। বক্তারা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে কোনো ঘটনার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট তথ্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় না। এতে পাঠকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি কোনো ঘটনা সম্পর্কে একপাক্ষিক ধারণা সৃষ্টি হতে পারে। তাই সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা, প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

সংলাপে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান এবং গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনসহ নীতিনির্ধারক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও তরুণ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার মিজানুর রহমান আকন্দ। নিরাপদ ও অধিকারসম্মত ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নাগরিকের সুরক্ষা, তরুণদের অংশগ্রহণ ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত। মুক্ত আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন সংস্থাটির পরিচালক (প্রোগ্রাম) মো. সেলিম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি

রাজশাহীতে কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মিথ্যা মামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। অতিদ্রুত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা এবং সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে ভুয়া পরিচয়ধারীদের অপতৎপরতা বন্ধের দাবিতে রাজশাহী মহানগরীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর আলুপট্টি মোড়ে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব, রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং রাজশাহী রিভারসিটি প্রেসক্লাবের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চক্রান্ত। বিশেষ করে রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মাসুদ রানা রাব্বানীসহ পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি চক্র বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে। বক্তারা অনতিবিলম্বে নুরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলী, মাজহারুল ইসলাম চপল ও গোলাম মোস্তফা মামুনসহ এই অপপ্রচারকারী চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে ভুয়া সাংবাদিকদের কারণে পেশাদার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি কোনো স্বীকৃত গণমাধ্যমের সঠিক পরিচয় বা দক্ষতা ছাড়াই সাংবাদিকতার লেবেল লাগিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি, সুবিধা আদায় এবং বিভিন্ন স্থানে 'মব' (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) তৈরি করছেন। এসব অপ-সাংবাদিক ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সাংবাদিক সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, প্রকৃত সাংবাদিকদের যাতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
মানববন্ধনে রাজশাহী প্রেসক্লাবের বর্তমান অবস্থা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। বক্তারা দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজশাহী প্রেসক্লাব দখল ও পাল্টা দখলের ঘটনা ঘটে। এর অংশ হিসেবে প্রেসক্লাবের সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও গোলাম মোস্তফা মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
অভিযোগ করে বক্তারা বলেন, গোলাম মোস্তফা মামুন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সক্রিয় সদস্য। একজন পদে থাকা রাজনৈতিক ব্যক্তি কীভাবে একটি পেশাদার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা। তার অনুসারী ১০-১২ জন ব্যক্তিও প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মী কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিক সংগঠনের মাধ্যমে যাচাইয়ের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তাদের আয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের তদন্তের দাবি জানানো হয়।
রাজশাহী অঞ্চলে মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসা করে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সাইবার স্পেসে সক্রিয় অপপ্রচারকারী ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও তারা একই রকম কঠোর পদক্ষেপ নেবেন। পেশাদার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হয়।
রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে এবং রাজশাহী রিভারসিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা রাব্বানীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শামীম, সাংবাদিক ও নেতারা বক্তব্য দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক ঘোষনা পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো মোঃ সোহেল রানা, দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মাসুদ আলী পুলক, গণকণ্ঠ মাল্টি মিডিয়া ইব্রাহিম হোসেন সম্রাট সহ রাজশাহীর বিভিন্ন পত্রিকার দেড় শতাধীক সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে সহজলভ্য সাগর কলা: পুষ্টির উৎস, নাকি অদৃশ্য রাসায়নিক ঝুঁকি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


আমতলীতে সহজলভ্য সাগর কলা: পুষ্টির উৎস, নাকি অদৃশ্য রাসায়নিক ঝুঁকি?

বরগুনার আমতলী উপজেলা শহরের চায়ের দোকান, মুদি দোকান, ফলের আড়ত থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার ছোট-বড় প্রায় সব বাজারেই সহজলভ্য সাগর কলা। স্বল্পমূল্য, সহজপ্রাপ্যতা ও পুষ্টিগুণের কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের খাদ্যতালিকায় রয়েছে এ ফল।

নাশতা, আপ্যায়ন কিংবা তাৎক্ষণিক ক্ষুধা নিবারণে প্রতিদিনই অনেক মানুষ কলা কিনছেন। তবে বাজারে আসা এসব কলা কোথায় উৎপাদিত, কী ধরনের সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়েছে, ফসল তোলার আগে নির্ধারিত অপেক্ষাকাল মানা হয়েছে কি না এবং দ্রুত পাকানোর ক্ষেত্রে অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এসব তথ্য অধিকাংশ ভোক্তারই অজানা।
এ কারণে প্রশ্ন উঠছে—আমতলীর বাজারে বিক্রি হওয়া সাগর কলা কতটা নিরাপদ?


কলা জাতভেদে আকার, আকৃতি ও ওজনে ভিন্ন হতে পারে। উৎপাদন পদ্ধতি, মাটির উর্বরতা, সেচ, আবহাওয়া ও কৃষি ব্যবস্থাপনাও ফলনের ওপর প্রভাব ফেলে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে রাসায়নিক ব্যবহারের ঝুঁকি নেই। অনুমোদিত বালাইনাশক মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ, ফসল সংগ্রহের আগে নির্ধারিত অপেক্ষাকাল না মানা কিংবা অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফলের মধ্যে ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ থাকার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর নিরাপদ কৃষি ব্যবস্থাপনার নীতিতেও সঠিক মাত্রায় অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং ফসল সংগ্রহের আগে নির্ধারিত সময় মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ক্যালসিয়াম কার্বাইড পানির সংস্পর্শে এলে অ্যাসিটিলিন গ্যাস উৎপন্ন করে। অনিয়ন্ত্রিতভাবে ফল পাকানোর কাজে এ ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার খাদ্যনিরাপত্তার উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

বিশেষ করে শিল্পমানের ক্যালসিয়াম কার্বাইডে আর্সেনিক ও ফসফরাসজাত ক্ষতিকর অমিশ্রণ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ফল পাকানোর ক্ষেত্রে অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কতা জরুরি।

আমতলী উপজেলা শহরে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ কলা আসে। স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতারা সাধারণত সরবরাহ কারীর কাছ থেকে কলা সংগ্রহ করেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোক্তা জানতে পারেন না
কলা কোন এলাকা থেকে এসেছে;
উৎপাদনে কী ধরনের বালাইনাশক ব্যবহার হয়েছে;
শেষবার কখন বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়েছিল;

ফসল সংগ্রহের আগে নির্ধারিত অপেক্ষাকাল মানা হয়েছিল কি না;
কলা প্রাকৃতিকভাবে নাকি নিয়ন্ত্রিত অনুমোদিত পদ্ধতিতে পাকানো হয়েছে;
কিংবা অননুমোদিত কোনো রাসায়নিক ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে কি না।
ফলে ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজার পর্যায়ে নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা ও নজরদারি জরুরি।

আমতলীর বাজার থেকে নিয়মিতভাবে কলার নমুনা সংগ্রহ করে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ এবং অননুমোদিত পাকানোর রাসায়নিকের ব্যবহার পরীক্ষা করা গেলে জনমনে থাকা প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর পাওয়া সম্ভব। আর পরীক্ষার ফলাফল জনসম্মুখে প্রকাশ করা হলে ভোক্তার আস্থা বাড়বে, পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ী বা অনিয়মকারী উৎপাদকদের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা: হিমেল পাল, জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) তিনি বলেন, অতিরিক্ত কারবাইড মিশ্রিত ফল খেলে মানুষের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে, মবি,পেট ব্যাথা, ডায়রিয়া, হজমের সমস্যা, মাথা ঘোড়াও দূর্বলতা, গলা বা পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্ট তীব্র অস্বস্তি তা বিষক্রিয়ায় স্বাস্থগত লক্ষ্মণ হতে পারে পাশাপাশি দীর্ঘদিন বেশি মাত্রায় কার্বাইডের সংস্পর্শে স্নায়ুতন্ত্রসহ অন্যানো অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

পুষ্টিকর এই ফলটি যেন মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্যের অংশ হয়—এ জন্য উৎপাদন থেকে বাজারজাত করণ ও পাকানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর সরকারি নজরদারি নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%