ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

৭ নভেম্বর সেমিনারে সাংস্কৃতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান গ্রহণের আহ্বান


৭ নভেম্বর সেমিনারে সাংস্কৃতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান গ্রহণের আহ্বান

বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি সেমিনারে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক আধিপত্য থেকে মুক্তি পাওয়ার পাশাপাশি জনগণের কাছে চলচ্চিত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘৭ নভেম্বরের চেতনা ও আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম চলচ্চিত্র আন্দোলন’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ‘বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম চলচ্চিত্র আন্দোলন’-এর আহ্বায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মাহমুদ নিয়াজ চন্দ্রদ্বীপ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান।

আরও পড়ুন: প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে দীঘি বললেন, "নিজের মুখে কিছু না বলা পর্যন্ত সবই গুঞ্জন"

সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বড়ুয়া মনোজিৎ ধীমান এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইমন তারিক।

আলোচকরা উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা মূলত কারো নির্দেশনায় নয়, বরং নিজেদের শর্তে ও সার্বভৌম মর্যাদায় মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। যখন আমাদের জাতীয় চলচ্চিত্র শিল্প বৈশ্বিক পর্যায়ে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরার জন্য সংগ্রাম করছে, তখন সেন্সরশিপের কড়াকড়ি, প্রাতিষ্ঠানিক একচেটিয়াপনা এবং সাংস্কৃতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম চলচ্চিত্র আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য পূর্ণ সৃজনশীল স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক আধিপত্য থেকে মুক্তি এবং জনগণের মাটির কাছাকাছি থাকার অঙ্গীকার বজায় রাখার আহ্বান জানান আলোচকরা।

আরও পড়ুন: মিশিগানে এক মঞ্চে মৌসুমী ও মুন্নী, বন্ধুত্বের ৩০ বছর উদযাপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


দৌলতপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রবীর বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর ফিরোজসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঐ অভ্যুত্থানে বন্দীদশা থেকে মুক্তি পান জেনারেল জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচিত হয়।

বক্তারা আরো বলেন, ৭ নভেম্বর কেবল একটি দিন নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রতীক। এই চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যতে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। নতুন প্রজন্মের মাঝে এ দিবসের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান তারা।

সভায় বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈধ-অবৈধ পথে আসছে স্বর্ণের বার, গন্তব্য কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


বৈধ-অবৈধ পথে আসছে স্বর্ণের বার, গন্তব্য কোথায়?

বিগত কয়েক বছরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার দেশে এসেছে। বর্তমানে এসব স্বর্ণের বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকার বেশি। গত চার অর্থবছরে ২৮ দশমিক ৩৫ মেট্রিক টন ওজনের ২ লাখ ৪৩ হাজার স্বর্ণের বার বৈধ করা হয়েছে। অবৈধভাবে আনার সময় ১৩৩ কেজি ওজনের ১ হাজার ১৪১টি বার জব্দ করা হয়েছে।

দেশের অলংকারের বাজারে এসব স্বর্ণের বার ব্যবহার হয়নি বলে দাবি করেছেন জুয়েলার্স সমিতির নেতারা। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, আসলে এসব স্বর্ণের বারের গন্তব্য কোথায়?

বিদেশ থেকে আনা স্বর্ণের বার শুল্ক দিয়ে বৈধ করতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমসের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা প্রতিটি ফ্লাইট অবতরণের পর যাত্রীদের ভিড়ে তৈরি হয় এই জট। এই দৃশ্যই নির্দেশ করে, প্রতিদিন এই রুট দিয়ে কত পরিমাণ স্বর্ণের বার দেশে আসছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন নূর হোসেন জানিয়েছেন, শ্রমজীবী মানুষেরা এই বিমানবন্দর দিয়ে বেশি যাতায়াত করেন। তাদের বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্যে যান। সেখানে বাংলাদেশের তুলনায় স্বর্ণের দাম কিছুটা কম এবং স্বর্ণের বিশুদ্ধতা বাংলাদেশের তুলনায় বেশি হতে পারে। এ কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্বর্ণের বার আনার প্রতি অনেকের আগ্রহ রয়েছে।

শাহ আমানত বিমানবন্দরের তথ্য অনুযায়ী, গত চার অর্থবছরে ২৮ দশমিক ৩৫ মেট্রিক টন ওজনের ২ লাখ ৪৩ হাজার পিস স্বর্ণের বার বৈধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড ১ লাখ ৭২ হাজার ৫১৪ পিস স্বর্ণের বার বৈধ করা হয়। প্রতিটি বার ১০ ভরি ওজনের হিসাবে এসব স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য ৫ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকার বেশি।

অন্যদিকে, অবৈধভাবে স্বর্ণ পাচারের সময় ১৩৩ কেজি ওজনের ১ হাজার ১৪১টি বার জব্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন বলেছেন, স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের সদস্যরা বাহকদের ব্যবহার করে। অনেক সময় প্রকৃত হোতারা আড়ালেই থেকে যায়। ফলে শেষ পর্যন্ত নিরীহ সাধারণ বাহকরাই আইনের আওতায় আসেন।

সরকার নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ করে বৈধভাবে আনা স্বর্ণের বার নিয়ে যাত্রীরা বিমানবন্দর ছাড়লেও অবৈধ স্বর্ণ জব্দের ঘটনায় নগরীর পতেঙ্গা থানায় মামলা হয়। এসব মামলার তদন্ত করে পুলিশ। কিন্তু নানা জটিলতায় এখন পর্যন্ত বাহক ছাড়া পেছনের কোনো হোতার সন্ধান পায়নি তারা।

সিএমপির উপকমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম বলেছেন, শুধু বাহককে গ্রেফতার করা হয়, পেছনের ব্যক্তিদের ধরা হয় না; এমন অভিযোগ সঠিক নয়। তদন্তে যাদের নাম ও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়।

এদিকে, সারাদেশে বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানে বড় জুয়েলারি শপসহ ছোট-বড় অন্তত ৫০ হাজার স্বর্ণালংকারের দোকান রয়েছে। তবে বিদেশ থেকে আসা বৈধ কিংবা অবৈধ অধিকাংশ স্বর্ণের বারের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের। এতে প্রশ্ন থেকেই যায়, এত স্বর্ণের বার শেষ পর্যন্ত কোথায় যাচ্ছে?

চট্টগ্রাম বাজুসের চেয়ারম্যান নূরুল আবসার চৌধুরী জানিয়েছেন, যারা স্বর্ণের বার আনছেন, তারা মূলত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্যই আনছেন। কিছু স্বর্ণ তারা দোকানদারদের দিয়ে অলংকার তৈরি করিয়ে নেন।

চট্টগ্রাম বাজুসের মহাসচিব প্রণব সাহা বলেছেন, যাত্রীরা ব্যাগেজের মাধ্যমে স্বর্ণ নিয়ে আসেন। সেগুলো আমরা কিনে নিই, এটাই আমাদের কাজ। তবে স্বর্ণের বার কারা আনছেন, কারা ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে আমাদের জানা নেই। বিষয়টি যারা আনেন, যারা ব্যবহার করেন এবং প্রশাসন জানে।

বর্তমানে ১০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি স্বর্ণের বারের দাম ১৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে, প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইশরাক: প্রধানমন্ত্রীর সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলেছি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


ইশরাক: প্রধানমন্ত্রীর সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলেছি

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের হাতে পিস্তল নিয়ে কয়েকজনকে ধাওয়া করার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গেণ্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় গত ১৭ অক্টোবর বিকালে এই ঘটনা ঘটে বলে তার ফেসবুক পেজের পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক হাতে হ্যান্ড মাইকের মাউথপিস এবং অন্য হাতে পিস্তল নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে তিনি একদল লোককে ধাওয়া করছেন। এ সময় পিস্তলের স্লাইড টেনে সেটি গুলি করার জন্য প্রস্তুত করে লোকগুলোর দিকে তাক করে "অ্যাই দাঁড়া, দাঁড়া" বলে চিৎকার করতে দেখা যায় তাকে। ভিডিওতে সাদা পোশাকের আরও একজনকে অস্ত্র হাতে কয়েকজনকে ধাওয়া করতে দেখা যায়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী থাকার সময় ইশরাকের এই কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি ও সরকারের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পর দিন রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন বলে জানা যায়। গত ২০ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ইশরাকের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেছেন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন ইশরাক হোসেন। সম্প্রতি তিনি যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার নূরে আলম জিকুর মুখোমুখি হন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতামত হলো- আপনাকে যদি রাজনীতিতে কোণঠাসা বা দুর্বল করা যায়, তবে জামায়াত ও এনসিপি লাভবান হবে; আর আওয়ামী লীগ মাঠে ফিরলে তারা সুবিধা পাবে। এই বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, "দেখুন, বিশ্লেষক বা বিশেষজ্ঞরা তাদের নিজস্ব বিচার-বিবেচনা ও বিশেষ জ্ঞান থেকেই এমন মন্তব্য বা বিশ্লেষণ করে থাকেন। সেটিকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই; তারা নিশ্চয়ই কোনো ভিত্তি ছাড়া কথা বলেন না। তবে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই- আমাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার যে প্রয়াসই চলুক না কেন, তা কোনোভাবেই সফলতা পাবে না। প্রধানমন্ত্রী আমার সব কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে পূর্ণ সচেতন ও অবগত। দলে হাজার হাজার নেতাকর্মী থাকা সত্ত্বেও তিনি সব সময় আমাকে বিশেষ স্নেহ ও আস্থার চোখে দেখেছেন। তাই দলের ভেতর কিংবা বাইরে-যে যেখান থেকেই আমাকে দুর্বল বা প্রতিবন্ধকতায় ফেলার চেষ্টা করুক না কেন, তা মোকাবিলা করার জন্য আমার পূর্ণ রাজনৈতিক ও মানসিক প্রস্তুতি রয়েছে।"

রাজনীতিতে নিজের বড় ভুলের বিষয়ে তিনি বলেন, "মানুষ হিসাবে সবারই ছোটখাটো ভুলত্রুটি হতে পারে। তবে সম্প্রতি একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে আলোচনা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমি স্পষ্ট করতে চাই- সেখানে আমি বিন্দুমাত্র কোনো ভুল করিনি। এটি আমি প্রধানমন্ত্রীর সামনেও মাথা উঁচু করে বলে এসেছি। এলাকা থেকে মাদক নির্মূলের অংশ হিসাবে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে আত্মরক্ষার্থে আমার লাইসেন্স করা অস্ত্রটি কিছু সময়ের জন্য প্রদর্শন করেছিলাম, যা পরে আবার যথাযথভাবে সুরক্ষিত (কনসিলড) অবস্থায় রাখা হয়। এখানে এক সেকেন্ডের জন্যও আমি কোনো অন্যায় বা ভুল করিনি এবং আমৃত্যু আমি এ অবস্থানেই অটল থাকব। তবে অতীতের সামগ্রিক রাজনীতিতে পরিস্থিতি বা বক্তব্যের কারণে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে থাকতে পারে; কারণ ভুলের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।"

তিনি আরও বলেন, "আমি কোনো অন্ধ পরামর্শ বা কাছের মানুষের কথায় রাজনীতি করি না। আমি অনেকের মতামত শুনি, যা ইতিবাচক ও কৌশলগতভাবে কার্যকর মনে হয় তা গ্রহণ করি। কিন্তু দিনশেষে সিদ্ধান্ত আমার নিজের। কারণ যে কোনো কাজের চূড়ান্ত দায়দায়িত্ব ও পরিণতি আমার ওপরই বর্তায় এবং আমি সেই দায়ভার নিতে সর্বদা প্রস্তুত। কারও অসৎ প্ররোচনা বা ভুল পরামর্শে আমি কখনো পরিচালিত হইনি; বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি সিদ্ধান্তই ছিল নিজস্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ জিয়ার লক্ষ্য-আদর্শে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:১২ পি.এম


শহীদ জিয়ার লক্ষ্য-আদর্শে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ চলছে, এমনটি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।

তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীতের ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থান থেকে উত্তরণের জন্য প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা, যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম প্রণয়ন এবং দক্ষ, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, দেশ, জাতি ও বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুনভাবে পুনর্গঠনে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সমৃদ্ধ ও আদর্শিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পাশাপাশি আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বিগত সময়ে জুলুম, নির্যাতন ও গুমের শিকার ব্যক্তিদের এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এর আগে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। সকাল ১০টায় জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে উপাচার্য আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

পরে সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে নেতৃত্ব দেন উপাচার্য। এতে উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, হলসমূহের প্রভোস্ট ও হাউজ টিউটর, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। র‍্যালিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) কর্তৃক স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরস্থল প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপাচার্য। এ সময় উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, বিভাগ, পরিষদ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সুশৃঙ্খলভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%