ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুদানের কর্দোফান অঞ্চলে র-ক্ত-ক্ষ-য়ী সংঘাত, যোগাযোগের মূল পথ রক্ষা চ্যালেঞ্জে


সুদানের কর্দোফান অঞ্চলে র-ক্ত-ক্ষ-য়ী সংঘাত, যোগাযোগের মূল পথ রক্ষা চ্যালেঞ্জে

আফ্রিকার দেশ সুদানে সরকারি বাহিনী (এসএএফ) এবং আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) মধ্যে চলমান গৃহযুদ্ধ এখন চতুর্থ বছরে প্রবেশ করেছে। এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল 'কর্দোফান'।

কর্দোফান পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের সেনা-নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের আরএসএফ-নিয়ন্ত্রিত দারফুর অঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করছে। ফলে, এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া দুই পক্ষের জন্য এটি একটি জীবন-মরণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আল জাজিরা এবং সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'অ্যাকলেড' (ACLED)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের এপ্রিলে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সুদানে রেকর্ড হওয়া মোট সংঘাতের প্রায় ২০ শতাংশই ঘটেছে কর্দোফান অঞ্চলে। এই অঞ্চলে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম— তিনটি রাজ্য রয়েছে, যেখানে এ পর্যন্ত প্রায় ২,৮৭৬টি হামলা এবং ১২,৩১৪ জনেরও বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগ বৃদ্ধি

দারফুরের শেষ প্রধান শহর এল-ফাশারের পতনের পর কর্দোফানে সামরিক তৎপরতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে ড্রোন হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। উত্তর কর্দোফানের রাজধানী এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র 'এল-ওবেইদ'-এ এখন আরএসএফের নজর রয়েছে। শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জন্য রাজধানী খার্তুমের দিকে এগোনোর পথ উন্মুক্ত হবে। অন্যদিকে, সুদানের সামরিক বাহিনী সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ড্রোন হামলার মাধ্যমে আরএসএফকে পিছু হঠানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্যমতে, বর্তমানে এল-ওবেইদে প্রায় ৫ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন, যার মধ্যে ৮৩ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত নাগরিক রয়েছে। পুরো অঞ্চলজুড়ে নতুন করে মানবিক সংকট এবং পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংঘাতের ভয়াবহতার মাঝেও প্রায় ৫০ লাখের বেশি মানুষ সামরিক বাহিনীর পুনর্বিন্যস্ত এলাকায় ফিরে এলেও, কর্দোফানে নতুন করে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই অঞ্চলে দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।

আরও পড়ুন: জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় ৪২ লাখ টাকার সৌরবাতি প্রকল্প নষ্ট হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় ৪২ লাখ টাকার সৌরবাতি প্রকল্প নষ্ট হচ্ছে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় গ্রামীণ জনপদকে আলোকিত করার উদ্দেশ্যে দুই অর্থবছরে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে সৌরবাতি স্থাপন করা হয়েছিল। একসময় এসব বাতির আলোয় আলোকিত হতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক, হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। কিন্তু কয়েক বছর পর অধিকাংশ বাতি নষ্ট হয়ে গেছে। খুঁটি ও সৌরপ্যানেল থাকলেও রাতে বাতি জ্বলছে না। ফলে সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত আলোকায়ন প্রকল্পের সুফল এখন অনেক এলাকাতেই মিলছে না। এর ফলে আলোর নিচেই অন্ধকার অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৭০টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। প্রতিটি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৬ হাজার ৪৯০ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ১৯টি সৌরপ্যানেল স্থাপন করা হয়। এসব সৌরপ্যানেল স্থাপনে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৯২ হাজার ৫২৬ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বাতিগুলো স্থাপনের পর শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজার এলাকার রাতের পরিবেশ বদলে যায়। সন্ধ্যার পর বাতি জ্বলার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের চলাচলে স্বস্তি আসে। কিন্তু অনেক বাতি কয়েক মাসের মধ্যেই নষ্ট হতে শুরু করে। কোথাও ব্যাটারি, কোথাও প্যানেল কিংবা বাতির অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে পড়ে থাকলেও সেগুলো মেরামত বা প্রতিস্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারে ২৮–৩০ হাজার টাকায় পাওয়া সৌরবাতি প্রকল্পে ৫৬ হাজার টাকা দরে দেখানো হয়েছে। নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে বাতিগুলো দ্রুত নষ্ট হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক সড়কের পাশে এখনো সৌরবাতির খুঁটি দাঁড়িয়ে আছে। খুঁটির ওপরে সৌরপ্যানেল, আর নিচে বাতি ও ব্যাটারি থাকলেও রাতে অধিকাংশ বাতিই জ্বলে না। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে স্থাপন করা এসব অবকাঠামো এখন অনেকটা অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এতে গ্রামীণ জনপদকে আলোকিত করার যে উদ্দেশ্যে প্রকল্পগুলো নেওয়া হয়েছিল, অনেক এলাকাতেই তা পূরণ হচ্ছে না।

আব্দুল ওহাব আলিম মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে সৌরবাতি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, ততই এসব বাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এখন বেশিরভাগ সৌরবাতিই আর সচল নেই। ফলে রাত হলে অনেক জায়গা অন্ধকারে ডুবে যায়। তাঁর প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা সৌরবাতিটিও কয়েক দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। নিম্নমানের হওয়ায় বাতিগুলো দ্রুত নষ্ট হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, এ প্রকল্প অনেক আগের। নতুন করে এখনো আলোর প্রকল্প পাইনি। তবে পুরনো বাতি সচল করা যায় কি না, সে বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করব।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রাব্বি বলেন, বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে চায়। এর আগে স্থাপন করা সৌরপ্যানেলের অধিকাংশই এখন নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে কালের সাক্ষী মোগল স্থাপত্য ‘ঘাগড়া লস্কর খানবাড়ি মসজিদ’ দ্রুত ভঙ্গুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


শেরপুরে কালের সাক্ষী মোগল স্থাপত্য ‘ঘাগড়া লস্কর খানবাড়ি মসজিদ’ দ্রুত ভঙ্গুর

মোগল আমলের ‘ঘাগড়া লস্কর খান বাড়ি জামে মসজিদ’ কালের সাক্ষী। সচেতন মহলের মতে, জাতীয় জাদুঘর প্রত্নতত্ব বিভাগের পরিচর্য্যার অভাবে এই প্রাচীন মসজিদটি দ্রুত ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। মসজিদটি বাইরের দিকে বিশাল মনে হলেও, ভেতরে এর আকার বড় নয়। এক গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদের পূর্ব পাশে একটি মাত্র দরজা এবং উত্তর ও দক্ষিণে দুটি জানালা রয়েছে। ইমাম ব্যতীত এখানে ৩০ জন মুসল্লি তিন কাতারে নামাজ আদায় করেন।

বারান্দায় ৫০ জন মুসল্লি নামাজ পড়েন। এর পরিধি দেখে মনে হয়, আড়াই থেকে তিনশ’ বছর পেছনে ফিরে এসেছি। উপস্থিত নামাজে ব্যতীত বোঝা সম্ভব নয়। স্থাপত্যকলার অনুপম নিদর্শন হিসেবে ঐতিহাসিক ‘খানবাড়ি মসজিদটি’ শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘাগড়া লস্কর গ্রামে অবস্থিত। প্রাচীনতম মসজিদের নাম ও কালক্রমে ‘ঘাগড়া লস্কর খানবাড়ি মসজিদ’ নামে পরিচিত। শেরপুর জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে এই মসজিদটি অবস্থিত। গায়ে যে নিদর্শন রয়েছে, তা থেকে অনুমান করা যায়, মোগল সম্রাট আমলে বাঙলার বিদ্রোহের নেতা হিরোঙ্গী খাঁর বিদ্রোহের সময় এটি নির্মিত হয়। দরজায় কষ্টিপাথরে খোদাই করে আরবিতে প্রতিষ্ঠাকাল হিজরি ১২২৮ এবং ইংরেজি ১৮০৮ সাল লেখা রয়েছে।

গঠন পদ্ধতি ও স্থাপত্য কৌশল শিল্পসমৃদ্ধ ও সুদৃশ্য। ভেতরে দু’টি সুদৃঢ় খিলান রয়েছে। এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান। ভেতরের আয়তন ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৩০ ফুট প্রস্থ। মধ্যস্থলে বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট-বড় দশটি মিনার রয়েছে। এর মধ্যে চার কোণায় চারটি মিনার এবং একটি দরজা রয়েছে। ভেতরে মেহরাব এবং দেয়ালে অঙ্কিত কারুকাজের ফুলদানি ও ফুল রয়েছে। ৫৮ শতক জমির ওপর মসজিদের মূল ভবনটি অবস্থিত। বারান্দা ১৭ শতকে নির্মিত হয়েছে। ৪১ শতকে কবরস্থান রয়েছে। ইমাম হাফেজ মোঃ রহুল আমীন জুম্মাসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ান। দুই যুগ আগে ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও সভাপতির মৃত্যুর পর নতুন করে কমিটি গঠন হয়নি।

স্থানীয় শতবর্ষী ড়াঃ আব্দুল বারী, আলহাজ সরোয়ার্দী দুদু মন্ডলসহ এলাকাবাসী ও ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর তাঁর যোদ্ধারা আত্মগোপনে ছিলেন। আজিমোল্লাহ খাঁন নামে যোদ্ধা এখানে বসবাস করেন এবং তিনিই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। পালিয়ে বসবাসের কারণে তাঁর নাম হয় পলায়ন খাঁন। মসজিদের সামনে স্থাপনের তারিখ ১২২৮ হিজরীতে প্রতিষ্ঠিত। পুনঃসংস্কারের সময় নেম প্লেটে আজিমোল্লাহ খাঁনের দুই পুত্র আফজাল খাঁন ও গোলাপ খাঁনের নাম লেখা রয়েছে।

নির্মাণ শৈলী মনোরম এবং এটি প্রাচীন মুসলিম স্থাপত্যের অনুপম নিদর্শন। উপরে পূর্ণ ছাদ এক গম্বুজে তৈরী। চার কোণে চারটি গম্বুজসহ মোট ১২টি গম্বুজ রয়েছে। গম্বুজগুলো সুনিপুণভাবে নির্মিত। দেয়ালের গাথুনী ৪ ফুট পাশে, চুন ও সুরকি দিয়ে গাথা। ভেতরে সুন্দর কারুকার্যে নকশা রয়েছে। প্রত্মতত্ত্ব বিভাগ কিছু কাজ করেছে। বাইরের চারপাশে দেয়াল রয়েছে এবং সম্মুখে কিছু জায়গা পাকা করা হয়েছে। মসজিদের ইমাম জানান, স্থান সংকুলান না হওয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। ১৯৬৮ সালের পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইনে মসজিদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। মসজিদের হেফাজত ও সংরক্ষণে একজন খাদেম সরকারিভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তবে বর্তমানে তিনি নেই। প্রত্মতত্ত্ব বিভাগ বহুবার পরিদর্শন করেছে এবং দেখতে বিভিন্ন অঞ্চলের দর্শনার্থী আসে। এলাকাবাসী একজন সরকারি খাদেম, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং মসজিদটি সংরক্ষণ ও সংস্কারের দাবি করেছেন।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আল আমীন বলেন, প্রাচীনতম মসজিদটির দেখভাল বা সংস্কারের সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব জাতীয় জাদুঘর প্রত্নতত্ব বিভাগের। পরিচর্যা ও মেরামতের দায়িত্বও তাদের। শেরপুর বা জামালপুরে তাদের অফিস আছে কিনা খোঁজ খবর নিয়ে দেখবেন। ভঙ্গুর অবস্থা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর তাগিদ দেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যকর ওজন কমানোর জন্য পুষ্টিবিদদের ৮ পরামর্শ: ক্র্যাশ ডায়েট নয়, মেনে চলুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


স্বাস্থ্যকর ওজন কমানোর জন্য পুষ্টিবিদদের ৮ পরামর্শ: ক্র্যাশ ডায়েট নয়, মেনে চলুন

ঢাকার নগরবাসীদের মধ্যে শহুরে যান্ত্রিকতার কারণে ওজন বৃদ্ধির সমস্যা এখন একটি সাধারণ চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যস্ত রুটিন, ডেস্কে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, ফাস্টফুড বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং কাজের অতিরিক্ত চাপ—এসব কারণে শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানো এখন শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য একটি অপরিহার্য শর্ত হয়ে উঠেছে।

অতিরিক্ত ওজন কেন নীরব ঘাতক

ওজন বৃদ্ধি নিয়ে অনেকেই কেবল বাহ্যিক রূপ বা ফিটনেসের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করেন, যা সঠিক নয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের অতিরিক্ত ওজন নীরব ঘাতকের মতো কাজ করে এবং বিভিন্ন জটিল রোগের জন্ম দেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

• রক্তে শর্করা ও রক্তচাপের অনিয়ম: যা ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

• হরমোনজনিত জটিলতা: নারীদের ক্ষেত্রে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) এবং থাইরয়েডের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

• লিভার ও বিপাকীয় সমস্যা: ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং হজম শক্তির অবনতি ঘটে।

• শারীরিক সক্ষমতা হ্রাস: জয়েন্টে তীব্র ব্যথা এবং হৃদরোগের আশঙ্কা তৈরি হয়।

রাতারাতি স্লিম হওয়ার শর্টকাট কেন বিপজ্জনক

দ্রুত মেদ ঝরানোর জন্য অনেকে ইন্টারনেটে খোঁজেন—কিভাবে এক সপ্তাহে কয়েক কেজি ঝরানো সম্ভব, কিংবা প্রতিদিন কেজি ধরে মেদ কমানো আদৌ সম্ভব কিনা। কিন্তু রাতারাতি স্লিম হওয়ার এই প্রবণতা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। পুষ্টিবিদদের মতে, সপ্তাহে আধা কেজি থেকে এক কেজি ওজন কমানোই নিরাপদ।

প্রত্যেক ব্যক্তির শারীরিক গঠন, হরমোনের মাত্রা, বয়স, জীবনধারা এবং ওষুধের ইতিহাস সম্পূর্ণ আলাদা। কোনো ধরনের বৈজ্ঞানিক বা চিকিৎসাগত মূল্যায়ন ছাড়া হঠাৎ করে কোনো কড়া ডায়েট শুরু করলে সাময়িকভাবে ওজন কমলেও তা শরীরের ভেতরে বড় ধরনের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। এর ফলে পুষ্টির ঘাটতি, চুল পড়া, মাসিকের অনিয়ম এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যেসব নারীর PCOS বা থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, ভুল ডায়েট তাদের পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।

নিরাপদে ওজন কমানোর ৮টি কার্যকর কৌশল

• পরিবেশগত ট্রিগার সরান: চোখের সামনে অস্বাস্থ্যকর খাবার বা স্ন্যাকস না রেখে সবসময় ফল বা স্বাস্থ্যকর খাবার দৃশ্যমান রাখুন।

• আবেগ থেকে খাওয়া বন্ধ করুন: মন খারাপ, একঘেয়েমি বা মানসিক চাপ দূর করতে খাবারকে সান্ত্বনা বা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

• ছোট জয়ের সেলিব্রেশন: প্রতি ১ কেজি ওজন কমানো বা ছোট কোনো লক্ষ্য অর্জনে নিজেকে পুরস্কৃত করুন।

• ক্ষমাশীল মনোভাব রাখুন: ডায়েট একদিন একটু এদিক-সেদিক হয়ে গেলে নিজেকে অপরাধী না ভেবে পরের বেলা থেকেই আবার ট্র্যাকে ফিরে আসুন।

• প্রোটিন ও ফাইবারকে অগ্রাধিকার দিন: ডায়েটে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার রাখলে ক্ষুধা বাড়ানোর হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে।

• রঙিন ও প্রাকৃতিক খাবার বেছে নিন: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ রঙিন শাকসবজি, ফল, বাদাম ও সীডস জাতীয় খাবার রাখুন। বাইরের জাঙ্ক ফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।

• খাওয়ার আগে পানি পান: খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

• পর্যাপ্ত ঘুম: দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরের স্ট্রেস হরমোন কমায় এবং ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

প্রযুক্তি আর পুষ্টিবিদের পরামর্শ: সাফল্যের যুগলবন্দি

প্রযুক্তির উন্নতি ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত করেছে। ডিজিটাল ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপের সাহায্যে প্রতিদিনের খাবারের হিসাব রাখা এখন হাতের মুঠোয়, যা নিজের ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে দারুণ সাহায্য করে। এর পাশাপাশি পুষ্টিবিদের নিয়মিত পরামর্শ ও উৎসাহ পেলে ডায়েট চার্ট মেনে চলাও অনেক সহজ হয়ে যায়।

ঢাকায় পার্সোনালাইজড ওজন ব্যবস্থাপনা: SPED

এই আধুনিক ভাবনার আলোকেই ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসে যাত্রা শুরু করেছে SPED ওয়েট লস ক্লিনিক। প্রতিষ্ঠানটি বৈজ্ঞানিক ও পার্সোনালাইজড বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক উপায়ে ওজন ব্যবস্থাপনার সেবা প্রদান করছে। এখানকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—আপনার পছন্দের খাবার বাদ না দিয়েই, ডায়েট চার্টে সেগুলোকে রেখেই ওজন কমানোর সুযোগ রয়েছে। SPED-এর লক্ষ্যমাত্রাগুলো বাস্তবসম্মত ও স্বাস্থ্যকর:

• ২ মাসে ৫ কেজি ওজন কমানো।

• ৪ মাসে ১০ কেজি পর্যন্ত মেদ ঝরানো।

• ৬ মাসে ১৫ কেজি পর্যন্ত ওজন কমিয়ে ফিট থাকা।

অর্থাৎ মাসে গড়ে আড়াই কেজির মতো, যা পুষ্টিবিজ্ঞানের নিরাপদ সীমার মধ্যে পড়ে। পুরো প্রক্রিয়াটি ক্র্যাশ ডায়েট বা ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধনির্ভর নয়, তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও কম। এখানে সার্টিফায়েড ডায়েটিশিয়ানরা প্রতিটি ক্লায়েন্টের শারীরিক গঠন ও স্বাস্থ্যগত ইতিহাস গভীরভাবে মূল্যায়ন করে তবেই পরিকল্পনা সাজান। তাদের কার্যকর ওজন নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রামে আরও যা থাকছে:

• নিয়মিত ফলো-আপ ও পরামর্শ সেশন।

• সহজ ক্যালোরি ট্র্যাকিং অ্যাপের ব্যবহার।

• হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মোটিভেশনাল সাপোর্ট।

• প্রয়োজন সাপেক্ষে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপদ সাপ্লিমেন্টের নির্দেশনা।

প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করেছে। গুগলে ১০০টির বেশি রিভিউতে ৪.৯ স্টার রেটিং এবং ফেসবুকে এক লাখের বেশি ফলোয়ার তাদের প্রতি মানুষের আস্থারই প্রতিফলন।

পাঠকের সাধারণ জিজ্ঞাসা

সপ্তাহে কতটুকু ওজন কমানো নিরাপদ?

সাধারণভাবে সপ্তাহে আধা কেজি থেকে এক কেজি ওজন কমানোকে নিরাপদ ধরা হয়। এর চেয়ে দ্রুত কমালে পেশিক্ষয়, পুষ্টির ঘাটতি এবং ডায়েট ছাড়ার পর ওজন আবার ফিরে আসার ঝুঁকি বাড়ে।

পছন্দের খাবার রেখেও কি ওজন কমানো যায়?

হ্যাঁ। খাবারের পরিমাণ ও ক্যালোরির হিসাব ঠিক রেখে পুষ্টিবিদ পছন্দের খাবারকেও ডায়েট চার্টে রাখতে পারেন। এতে ডায়েট দীর্ঘদিন মেনে চলা সহজ হয়।

PCOS বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কী করবেন?

হরমোনজনিত সমস্যা থাকলে নিজে নিজে ডায়েট না করে চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শে ব্যক্তিগত পরিকল্পনা নেওয়াই নিরাপদ।

শেষ কথা

আপনার ওজন আপনার হাতে। তবে কখনই নিজে নিজে কড়া ডায়েট শুরু করবেন না, যার সাইড ইফেক্ট হতে পারে ভয়ংকর। তাই আপনার ওজন কমানোর জার্নিতে অবশ্যই একজন নিউট্রিশনিস্টের শরণাপন্ন হবেন।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সঠিক পুষ্টি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন SPED-এ।

লেখক: নিউট্রিশনিস্ট আয়শা সিদ্দিকা, নাহিদা আহমেদ ও তসিবা বিনতে রহমান তোড়া

কনসালটেন্ট, SPED

Website: https://sped.center/

মিরপুর ডিওএইচএস, ঢাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে চান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে চান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, দক্ষ কর্মী পাঠানো সম্ভব না হলে দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্খিত সুফল অর্জন করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, "আমরা বিদেশে কোয়ালিটি সম্পন্ন দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে চাই।"

মন্ত্রী আরও জানান, বিদেশ থেকে আসা চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "ইনশাআল্লাহ আমরা দক্ষ শ্রমিক তৈরী করব।" ওইসব দেশের চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিক পাঠানোর বিষয়েও তিনি জোর দেন।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘চট্টগ্রামের সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি পর্যালোচনা, কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রমমন্ত্রী দুর্ঘটনা ঘটলে শ্রমিকদের ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রস্তুতির কথা জানান। তিনি বলেন, "শ্রমিক দুর্ঘটনা ঘটলে একজন বিচারপতি, একজন আইনজীবী, জেলা প্রশাসনের এবং পুলিশের প্রতিনিধি নিয়ে একটা টিম করে দেয়া হবে।" এই টিম দুর্ঘটনার স্থলে গিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে।

তিনি দুর্ঘটনারোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, "এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের সচেতনতার বিকল্প নেই।" প্রয়োজনে শ্রমিকদের জন্য মাসখানেক ধরে সচেতনতা প্রোগ্রাম চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী বলেন, "কোন শ্রমিক দুর্ঘটনা হলে তাদের কিছু টাকা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন মালিকরা।" তিনি জানান, শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বক্তব্য এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, "এ সমস্যাগুলো একদিনের নয়, দীর্ঘ সময়ের পুঞ্জিভুত সমস্যা।" চট্টগ্রামে শ্রমিক-মালিকের সমস্যাগুলো সমাধানে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে একটি কার্যকর পরিকল্পনা তৈরির কথা জানান।

অনেকগুলো কারখানা বন্ধ হয়ে আছে, সেগুলো চালুর উদ্যোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, "বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় যারা দেশ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়েছে, তাদের কিছু কলকারখানা বন্ধ রয়েছে।"

তিনি বলেন, "এখন ব্যাংকের টাকার জন্য বিভিন্ন মিল কারখানা লে অফ করছে।" শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, "আইনের মাধ্যমে বন্ধ কারখানাগুলোকে সচল করার চেষ্টা করছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "আপনি চাইলেই একটি প্রাইভেট প্রোপার্টির উপর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।"

মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, আবু সুফিয়ান, সাঈদ আল নোমান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং শ্রমিক প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%