ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের সিএইএসের সঙ্গে গবেষণা চুক্তি করল যবিপ্রবির এনএএমই ল্যাব


যুক্তরাষ্ট্রের সিএইএসের সঙ্গে গবেষণা চুক্তি করল যবিপ্রবির এনএএমই ল্যাব

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ন্যানোবায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং (এনএএমই) ল্যাব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্য কানেকটিকাট এগ্রিকালচারাল এক্সপেরিমেন্ট স্টেশন (সিএইএস)-এর সঙ্গে কৃষিতে ন্যানোপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন ও গবেষণায় যৌথভাবে কাজ করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এনএএমই ল্যাবের পরিচালক ও যবিপ্রবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান এবং সিএইএসের পরিচালক ড. জেসন সি. হোয়াইট এই সমঝোতা স্মারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন।

এই পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় ন্যানোপ্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি উদ্ভাবন বিশেষ করে ন্যানো-সার ও ন্যানো-কীটনাশক উদ্ভাবন এবং এর ব্যবহার নিয়ে যৌথ গবেষণা পরিচালিত হবে। পাশাপাশি, যবিপ্রবির এনএএমই ল্যাবের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সিএইএসে গবেষণার সুযোগ পাবেন। এটি যৌথ আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পেও অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

আরও পড়ুন: রামপুরা ব্রিজের ওপর গাড়ির ধাক্কায় যুবক শহীদুল্লাহ নিহত

যৌথ উদ্যোগ সম্পর্কে অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান বলেন, এই চুক্তিটি ন্যানো-কৃষি খাতে গবেষণার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। এটি টেকসই কৃষি সমাধানের পথ প্রসারিত করবে এবং স্থানীয় গবেষকদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে দেবে।

প্রসঙ্গত, সিএইএস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ন্যানোপ্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রগুলোর অন্যতম। ১৮৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। সিএইএসের মূল লক্ষ্য হলো গবেষণা পরিচালনা করা, সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত করা এবং কৃষি, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট ব্যক্তিদের কাছে নতুন গবেষণালব্ধ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই হাতে পিস্তল নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালাল শুটার বাপ্পি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই হাতে পিস্তল নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালাল শুটার বাপ্পি

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের ওপর গুলি করে পালিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা, যার মধ্যে রয়েছে শুটার বাপ্পি। যদিও পুলিশ পাল্টা গুলি চালিয়েছে, কিন্তু কাউকে আটক করতে সফল হয়নি।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরের আনুমানিক ১২টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া শরীফ মার্কেটের পাঁচ তলায় এই গুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রাশেদুজ্জামান।

পুলিশের সূত্র থেকে জানা গেছে, শরীফ মার্কেটের পঞ্চম তলায় অপরাধীরা শরীফ চৌধুরীর ম্যানেজারকে জিম্মি করে রেখেছে, এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশের ১০-১২ জনের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শুটার বাপ্পি দুই হাতে দুই পিস্তল নিয়ে পুলিশের দিকে এলোপাতাড়ি গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে হতাহত সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ছোড়া প্রায় ৭ থেকে ৮ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ৪-৫ রাউন্ড পাল্টা গুলি ছুড়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (দুপুর আড়াইটা) অভিযান চলমান রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।

আশুলিয়া থানার এসআই রাশেদুজ্জামান বিদায়ের সময় বলেন, শুটার বাপ্পী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে এলাকায় জোর পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। বর্তমানে পুরো ভবনটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে অপরাধী শনাক্তে কার্যকর ভূমিকা রাখছে ফুট পেট্রোলিং ও ড্রোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


সুন্দরবনে অপরাধী শনাক্তে কার্যকর ভূমিকা রাখছে ফুট পেট্রোলিং ও ড্রোন

বিশ্ব ঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন রক্ষায় বনরক্ষীদের নজরদারি ও প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে, বনের গভীরে যেসব স্থানে নৌযান অচল হয়ে পড়েছে, সেসব জায়গায় পায়ে হেঁটে অর্থাৎ ফুট পেট্রোলিং এর মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, যেখানে ফুট পেট্রোলিংও সম্ভব হচ্ছে না, সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন উড়িয়ে অপরাধীদের শনাক্ত করা হচ্ছে। সর্বোপরি, নানান ধরনের অভিযান এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে বন অপরাধ দমনে পশ্চিম বিভাগে উল্লেখযোগ্য সফলতার দেখা মিলেছে।

সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এ জেড এম হাছানুর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, জনবল সংকট, উন্নত জলযানের অভাবে এবং আধুনিক সুযোগ সুবিধার অভাব থাকা সত্ত্বেও বনকে নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বনের অতন্দ্র প্রহরীরা।

বন বিভাগ সূত্র জানাচ্ছে, গত ১ বছরে পশ্চিম সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জে নানা সাঁড়াশি অভিযানে ২৯৪টি মামলায় ৩৯৬ জন বন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৫ হাজার ৭১২ মিটার হরিণ ধরার ফাঁদ, ৪৮৭ কেজি হরিণের মাংস, এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ মৎস্য ও কাঁকড়া আহরণের সরঞ্জাম। একই সাথে, বন্যপ্রাণী শিকার বন্ধ করার জন্য জড়িত ১৩৫ জনের একটি বিশেষ তালিকা তৈরি করে তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এর ফলে বন অপরাধ বিগত দিনের তুলনায় অনেক কমতে শুরু করেছে।

সূত্র জানাচ্ছে, বন বিভাগ ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে সুন্দরবনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বনরক্ষীরা বনের গভীরে পায়ে হেঁটে ও জলপথে এই অভিযানে অংশগ্রহণ করবেন। এই ১ বছরে বন অপরাধের দায়ে খুলনা রেঞ্জে মোট ২৯৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৩৯৬ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামি রয়েছে ৬৩ জন। এর মধ্যে অভয়ারণ্যে মাছ ও কাঁকড়া ধরার অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ১০৬টি। বিষ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা ৩৩টি।

খুলনা রেঞ্জের অধীন বনের বিভিন্ন দুর্গম এলাকা থেকে গত ১ বছরে জব্দকৃত সামগ্রীর তালিকায় রয়েছে ২২টি ট্রলার, ৩৪৯টি নৌকা, ৬ হাজার ৯৮৬টি অবৈধ কাঁকড়া ধরার (আটন) ফাঁদ, ৯ হাজার ৮৩৩ মিটার দৌনদড়ি, ২ হাজার ৬১২ কেজি মাছ এবং ১ হাজার ৯৮১ কেজি অবৈধভাবে আহরিত কাঁকড়া।

এছাড়া, সুন্দরবনের নদী ও খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারি চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে দস্যু ও অসাধু চক্রের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৮৭ বোতল মাছ ধরার অবৈধ কীটনাশক, এবং জব্দ করা হয়েছে ২০৩ কেজি মধু। হরিণ সংক্রান্ত মামলা হয়েছে ৩৩টি। অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ৪৮৭ কেজি হরিণের মাংস এবং ৫ হাজার ৭১২ মিটার হরিণ ধরার ফাঁদ।

সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বাসসকে বলেন, স্মার্ট টহল টিম ও বিশেষ টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে এবং ফুট পেট্রোলিং করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তিনি জানান, অপরাধ উদ্ঘাটন করতে গিয়ে জেলেদের আগ্রাসী আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা বন অপরাধ দমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সুন্দরবনের হরিণ শিকার ও বিষ দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করতে সামাজিক আন্দোলনের প্রয়োজন রয়েছে।

জনবল সংকট ও আধুনিক জলযানের অভাবে এই বিশাল সম্পদ পাহারা দিতে ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে বনকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছে। সেই সাথে বন নির্ভর জনগণের বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় বনের উপর চাপ কমছে না। ফলে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিনরাত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।

সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এজেডএম হাছানুর রহমান বাসসকে বলেছেন, বনের গহীনে ফুট পেট্রোলিং ও আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন উড়িয়ে অপরাধীর শনাক্তকরণ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে বন অপরাধ দমনে সফলতা এসেছে। সর্বোপরি, বনরক্ষীরা চরম ঝুঁকি ও কষ্ট মাথায় নিয়ে দুর্গম বনে পায়ে হেঁটে এবং নদীতে নৌযান চালিয়ে নিয়মিত টহল দিয়ে বন অপরাধ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। যে কোনো উপায়ে সুন্দরবনকে নিরাপদ রাখতে বন বিভাগ সদা জাগ্রত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবাসিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপনে বাংলাদেশ-চিলির আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


আবাসিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপনে বাংলাদেশ-চিলির আলোচনা

শুক্রবার ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ ম্যাককেনার মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ ও চিলি উভয় দেশের রাজধানীতে আবাসিক কূটনৈতিক মিশন খোলার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

শুক্রবার ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির (টিএসি) ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ফাঁকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ ম্যাককেনার মধ্যে যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনার ব্যাপারে আলোচনা করেন এবং নীতিগতভাবে দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সম্মত হন।

বৈঠকে চিলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ আমদানি ও চিলির বাজারে তৈরি পোশাক, ওষুধ, বৈদ্যুতিক পণ্য এবং চামড়াজাত পণ্যসহ বাংলাদেশী পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

ড. খলিলুর রহমান নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের সুযোগ চিহ্নিত করতে এবং বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা জোরদার করার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বিনিময়ের পরামর্শ দেন।

এ সময় চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীও শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন পথ অন্বেষণের আগ্রহকে প্রতিফলিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুপ্তছড়া ফেরিঘাটের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে উদ্যোগ: এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হচ্ছে প্রটেকশন ওয়ার্ক, চলবে নিয়মিত ড্রেজিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


গুপ্তছড়া ফেরিঘাটের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে উদ্যোগ: এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হচ্ছে প্রটেকশন ওয়ার্ক, চলবে নিয়মিত ড্রেজিং

গুপ্তছড়া ফেরিঘাটের নাব্যতা সংকট, নদীভাঙন এবং যাত্রীসেবার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল পাশা-এর নির্দেশনায়, শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টায় গুপ্তছড়া ফেরিঘাটে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA) এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (BIWTC)-এর যৌথ উদ্যোগে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আলোচনার বিষয় ছিল ফেরিঘাটের নাব্যতা বজায় রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া, ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় জিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে নদীভাঙন প্রতিরোধ করা এবং প্রয়োজনীয় প্রটেকশন ওয়ার্ক দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সভা শেষে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রটেকশন ওয়ার্ক শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

জরুরি সভায় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ আরশাদ আলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রুবেল আহমেদ ও আরিফুর রহমান, BIWTA চট্টগ্রামের কারিগরি সহকারী (পুর) মো. সবুজ আলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড সন্দ্বীপের কার্য সহকারী রুবেল বর্ধন, BIWTA-এর কনসালট্যান্ট অ্যান্ড ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান, মাননীয় সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী মাস্টার আবুল কাশেম, ফেরি কপোতাক্ষ-এর মাস্টার ইনচার্জ সাইফুল আলম এবং জিও ব্যাগ স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান PDL-এর প্রতিনিধি মো. সাদিকুল ইসলাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গুপ্তছড়া ফেরিঘাটকে নিরাপদ, টেকসই ও সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করবে এবং গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%