ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানি সেনাবাহিনীর আধুনিক সমরাস্ত্রের বিশাল মজুদ: মুখপাত্র


ইরানি সেনাবাহিনীর আধুনিক সমরাস্ত্রের বিশাল মজুদ: মুখপাত্র

ইরানের সেনাবাহিনী নতুনভাবে তৈরি অত্যাধুনিক আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক সমরাস্ত্রের একটি বিশাল মজুদ গড়ে তুলেছে, এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির সেনামুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। তিনি জানান, এসব অস্ত্রের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকরামিনিয়া এ তথ্য প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানায়, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কার্যক্রম একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি।

আকরামিনিয়া উল্লেখ করেন, যুদ্ধকালীন সময়ে দেশীয়ভাবে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন অব্যাহত ছিল। পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো দ্রুত বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অস্ত্রের সক্ষমতা ও কার্যকারিতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: সুদানে ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক প্রাণহানি

ইরানি সেনামুখপাত্র আরও জানান, সাম্প্রতিক সংঘাতের মাধ্যমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী প্রতিপক্ষের সক্ষমতা এবং মোতায়েনের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

এর আগে ইরানি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের পাশাপাশি নতুন সরঞ্জামও বাহিনীতে যুক্ত করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধপ্রস্তুতি বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে আকরামিনিয়া জানিয়েছেন।

তবে ইরানের কাছে আধুনিক অস্ত্রের মজুদের প্রকৃত পরিমাণ বা এসব দাবির সামরিক সক্ষমতার ওপর বাস্তব প্রভাব স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রেস টিভি, গালফ নিউজ

আরও পড়ুন: তুর্কি সংসদে সৌদি ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুজরাটে কিশোরী মেয়েকে যৌন নির্যাতন, বাবার বিরুদ্ধে মা ভিডিও ধারণ করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


গুজরাটে কিশোরী মেয়েকে যৌন নির্যাতন, বাবার বিরুদ্ধে মা ভিডিও ধারণ করলেন

ভারতের গুজরাতের অঞ্জারের নিকট একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। কচ্ছ ইস্ট পুলিশ ১৪ বছরের এক কিশোরীকে নিজ ঘরে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কিশোরীর মা ঘটনার সময় পুরো বিষয়টি নিজের মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

শুক্রবার রাতে অঞ্জার থানায় উপস্থিত হয়ে কিশোরী তার ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিস্তারিত বিবরণ দেন, যার পর পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রমাণ হিসেবে মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে এবং তাতে অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কিশোরীটিকে তার এক বন্ধু বা পরিচিত ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখে তার বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে যান। রাগের মাথায় তিনি মেয়ের ফোনটি ভেঙে দেন, তাকে মারধর করেন এবং স্ত্রীর সামনে ধর্ষণ করেন। এ সময় কিশোরীর মা সাহায্য করার পরিবর্তে পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করেন।

অঞ্জার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এইচ এ জাদেজা বলেছেন, দুই-তিন দিন আগে কিশোরী পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তার বাবা ফোন বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে শুক্রবার কিশোরী আবার একটি ফোন জোগাড় করে '১১২' নম্বরে কল দেন এবং জানিয়ে দেন যে তার ওপর যৌন নির্যাতন হচ্ছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে, মামলা দায়ের করে এবং রাতেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরও জানায়, মূলত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই পরিবারটি গত ছয় বছর ধরে অঞ্জারের কাছে দিনমজুর হিসেবে বসবাস করে আসছে। দম্পতির চার কন্যার মধ্যে নির্যাতিতা কিশোরীটি সবার বড়।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ধর্ষণের ধারা এবং পকসো আইনের অধীনে নাবালিকার ওপর গুরুতর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে হাতি দিয়ে টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


ফরিদপুরে হাতি দিয়ে টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তায় হাতি নিয়ে বিভিন্ন দোকান এবং পথচারীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের একটি ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। ব্যস্ত বাজারে এভাবে টাকা তোলার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং পথচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ এবং কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, দুপুরের সময় এক মাহুত হাতি নিয়ে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তা এলাকায় উপস্থিত হন। এরপর হাতিটিকে বিভিন্ন দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা চাইতে দেখা যায়। হাতি দোকানের সামনে আসলে অনেক পথচারী এবং ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে টাকা দেন।

বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দোকানের সামনে হাতি এসে দাঁড়ালে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অনেকেই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এভাবে প্রতিদিন টাকা তোলা হলে বাজার এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তা একটি অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকা। যেকোনো মুহূর্তে হাতিটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে। হাতি নিয়ে এভাবে টাকা তোলার জন্য কোনো আইনি অনুমোদন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বন বিভাগ এবং প্রশাসনের স্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেছেন তারা।

বিষয়টি নজরে আনলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বন কর্মকর্তা শেখ লিটন জানান, হাতি দিয়ে টাকা সংগ্রহের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, "সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলে মাহুত হাতি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়ার ৬৫টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের মাধ্যমে চলছে প্রাথমিক শিক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


কুলাউড়ার ৬৫টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের মাধ্যমে চলছে প্রাথমিক শিক্ষা

কুলাউড়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং ৬৫টি স্কুল চরম জনবল সংকটে ভুগছে। এই সংকটের কারণে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো শিক্ষাক্ষেত্রে মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ৯ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার মধ্যে ২ জন কর্মরত থাকলেও ৭ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। উপজেলা জুড়ে ১৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৫টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে ১০১টি পদও শূন্য রয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ৯ জনের বিপরীতে মাত্র ২ জন কর্মরত আছেন। তারা হলেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ খোরশেদ আলম এবং মো. মাহমুদ হোসাইন। এছাড়াও উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক পদে ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ৪ জনের মধ্যে ৩ জন, হিসাব সহকারী পদে ১ জন এবং অফিস সহায়ক পদে ১ জন পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

ফলে ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বৃহত্তম কুলাউড়া উপজেলার স্কুলগুলো তদারকি করতে হিমশিম খাচ্ছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা এবং ২ সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা। কুলাউড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৯৩টি, এর বিপরীতে ১২৮টি স্কুলে পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। ৬৫টি প্রাথমিক স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের প্রশাসনিকসহ সকল কার্যক্রম চলছে। অপরদিকে কুলাউড়ায় সহকারী শিক্ষকের ৯৮৯টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৮৮৮ জন কর্মরত আছেন, যার ফলে সহকারী শিক্ষক পদে ১০১টি পদ শূন্য রয়েছে।

এদিকে, সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কারণে শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে স্থানীয় অধিকাংশ লোকজন জানান। বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, "বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। শূন্য পদে নিয়োগ ও পদায়ন হলে শিক্ষক সংকট অনেকটাই কমে আসবে।"

মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিছুর রহমান জানান, "সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পুরো জেলায় ৪৪ জনের মধ্যে মাত্র ১১ জন কর্মরত রয়েছেন। তাই কুলাউড়ায় এই সংকট। এছাড়াও সহকারী শিক্ষক পদে পুরো জেলায় নতুন করে ৩৩৩ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই তাদের ট্রেনিং কার্যক্রম শেষ করে বিভিন্ন স্কুলে দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষক পদে যে সংকট রয়েছে সেগুলো পূরণ করতে ইতিমধ্যে শিক্ষকদের মধ্যে প্রমোশন দেওয়ার জন্য আমাদের একটি টিম কাজ করছে। অচিরেই ওই সকল স্কুলে ভারপ্রাপ্তদের চাপ কমিয়ে নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গালমন্দ করায় শতবর্ষী মাকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


গালমন্দ করায় শতবর্ষী মাকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

কাজের অবহেলার কারণে গালমন্দ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে গৃহকর্তার প্রায় শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অপরাধে মো. বাদল ওরফে বাবু (২৫) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হাফিজুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাদল জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার রৌহা গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে। নিহত শতবর্ষী বৃদ্ধার নাম আহাতন, যিনি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা গ্রামের মুদি দোকানদার সেহাব উদ্দিনের মা।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পি পি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, আসামি বাদল ভূঞাপুরের ফলদা বাজারের দোকানদার সেহাব উদ্দিনের দোকান ও বাসায় কাজ করত। ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর সকালে দোকানে কাজের বিষয়ে সেহাব উদ্দিন বাদলকে পাগলের বাচ্চা বলে গালমন্দ করেন। এই কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে বাদল কাজ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ওইদিনই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সেহাব উদ্দিনের বাসায় গিয়ে কাউকে না পেয়ে সিঁড়ির গোড়ায় থাকা বটি দিয়ে সেহাবের বৃদ্ধা মা আহাতন বেওয়াকে গলা কেটে হত্যা করে বাদল। হত্যাকাণ্ডের পর সে মোবাইল ও ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে ইব্রাহিমাবাদ (বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব) রেলস্টেশনে চলে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ইব্রাহিমাবাদ রেলস্টেশন থেকে ঢাকাগামী 'চিত্রা এক্সপ্রেস' ট্রেনের টিকিটসহ বাদলকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাদল জানায়, মালিকের ওপর ক্ষোভের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং আসামির স্বীকারোক্তি পর্যালোচনা করে আদালত বাদলকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%