শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৪ পি.এম
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিলি ববি ব্রাউন আবারও মা হয়েছেন। ২২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী ও তার স্বামী জেক বনজোভির পরিবারে এবার এসেছে এক পুত্রসন্তান। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ তারকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবজাতকের আগমনের খবর ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
মিলি নবজাতকের ছোট্ট হাতের একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘হাই, ছোট্ট বন্ধু!’ ছবিতে অভিনেত্রীর হাতে ‘মম’ লেখা একটি আংটিও দেখা যায়। বিষয়টি ভক্তদের নজর আকর্ষণ করেছে। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে মিলি ও জেক একটি কন্যাসন্তান দত্তক নিয়েছিলেন। এবার পুত্রসন্তানকে পরিবারে স্বাগত জানিয়ে তাদের সংসারে নতুন আনন্দ যোগ হলো।
মিলি ও জেক ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রাখেন। তারা নিজেদের জীবনের সবকিছু প্রকাশ্যে না এনে বিশেষ মুহূর্তগুলোই কেবল ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। তাই দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের খবরটি অনেকটা আকস্মিকভাবেই জানতে পারেন অনুরাগীরা।
মিলি ও জেকের সম্পর্কের শুরু ২০২১ সালে। ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেন তারা। চলতি বছরের জুনে কাইলি কেলসির পডকাস্টে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিলি জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে আরও সন্তান দত্তক নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার। পড়াশোনার সময় থেকেই দত্তক নেওয়ার আইনি ও সামাজিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার আগ্রহ ছিল বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ সিরিজে ‘ইলেভেন’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান মিলি ববি ব্রাউন। পরে ‘এনোলা হোমস’সহ বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ‘এনোলা হোমস ৩’ সিনেমায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে।
মাদকদ্রব্যের চোরাচালান প্রতিরোধে চলমান অভিযান ও নজরদারির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে কাজীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান শুরু হয় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) দ্বারা।
অভিযানের সময় কাজীপুর বর্ডারপাড়া মাঠ এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় আট বোতল ভারতীয় মদ ও চার হাজার পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ ১২ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য মেহেরপুরের গাংনী থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হচ্ছে এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে ঘটাতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা কেউ চিরদিন থাকবো না, এ দেশ থাকবে এবং এ দেশের মানুষ থাকবে; তাই আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) প্রথম অপেন হার্ট সার্জারি দিবস এবং কার্ডিওভাসকুলার সার্জিক্যাল কনফারেন্স অব এনআইসিভিডি-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে রাষ্ট্রের সামগ্রিক আর্থিক সংগতির বিষয়টিকেও বাস্তবসম্মতভাবে বিবেচনা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, দেশে হৃদরোগ ও জন্মগত হৃদরোগের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি সতর্ক করেন যে, এ রোগ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা না গেলে ভবিষ্যতে উৎপাদনশীল কর্মক্ষম জনসংখ্যার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। সরকার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাল্ব এবং স্টেন্ট (রিং)-এর ওপর ট্যাক্স মওকুফ করে হৃদরোগ চিকিৎসার ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী দাবি করেন, দেশে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হওয়ায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশেই কমে এসেছে। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এবং জনকল্যাণে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারের পাশাপাশি এ সকল মানবিক কাজে সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে হৃদরোগের সব ধরনের উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সময়ের অনিয়ম কাটিয়ে বর্তমান সরকার জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার অংশ হিসেবে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে, মন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন।
বিশ্বে ওপেন হার্ট সার্জারির সূচনা ঘটে ১৯৫৩ সালে ডা. জন হেইশাম গিবনের হাত ধরে। এর ধারাবাহিকতায়, ১৯৮১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার এনআইসিভিডিতে কার্ডিও-পালমোনারি বাইপাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়। ঐতিহাসিক এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছর দেশে ১৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের এক সক্রিয় কর্মীকে আটক করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।
আজ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন জসিমউদ্দিন এলাকায় হোন্ডা মোবাইল-৯১ ডিউটি চলাকালীন জসিমউদ্দিন-রাজলক্ষ্মীর মাঝামাঝি প্রিমিয়াম ব্যাংকের গলিতে সন্দেহজনকভাবে ওয়াকিটকি নিয়ে ঘোরাফেরা করার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতের নাম ইকবাল খন্দকার (৪২) পিতা- আব্দুল আজিজ খন্দকার। তার গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার খাগড়াছড়ি সদর থানার কলাবাগান এলাকায়। উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই (নিরস্ত্র) জিল্লুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ তাকে আটক করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইকবাল এলোমেলো তথ্য প্রদান করে। পরে সে তার প্রকৃত নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করে। সে জানায়, তার পিতা স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান। নিজেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে স্বীকার করে সে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ইকবাল নিজ এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ করে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিল। সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায়, গ্রেফতারকৃত ইকবাল খন্দকারের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়িতে একাধিক মামলা রয়েছে। খাগড়াছড়ি সদর থানার এফআইআর নং-৩, তারিখ- ১৫ আগস্ট, ২০২৪; জিআর নং-৮৫, ধারা- ১৪৩/১৪৭/১৪৮/ ৩২৩/৩২৫/ ৩০৭/৩৮৫/৪২৭/৪৪৭/৪৪৮/৪৩৬/৩৭৯/৩৮০/৫০৬/১১৪/৩৪, পেনাল কোড। পানছড়ি থানার এফআইআর নং-১, তারিখ- ৬ অক্টোবর, ২০২৪; জিআর নং-৪১, ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩৮৫/৩৮৬/১১৪/৫০৬/৩৪, পেনাল কোড। এই মামলায় চার্জশিট নং-৩৩, তারিখ- ৩০ নভেম্বর, ২০২৫।
পানছড়ি থানার এফআইআর নং-১, তারিখ- ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪; ধারা- ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬/১১৪, পেনাল কোড। উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি সড়ক দুর্ঘটনা থামিয়ে দিয়েছিল এক তরুণের জীবনযাত্রা। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা আজও সহ্য করছেন পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসী। সময় পেরিয়ে গেলেও সাইদুজ্জামান রাফির স্মৃতি যেন তাদের কাছে এখনো জীবন্ত রয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এই যুবকের স্মরণে শুক্রবার জুমার নামাজের পর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। স্বজন ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাফির আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের পূর্বে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা রাফির কবর জিয়ারত করেন। এরপর শাজুলিয়া দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন। মোনাজাতে রাফির রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য ও শান্তি কামনা করা হয়।
এ সময় মরহুমের বাবা জাকির হোসেন, শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন, আবদুল লতিফ মাস্টার, আবদুল কুদ্দুস খান, জুলহাস উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাফির স্বজনদের কাছে তার চলে যাওয়া শুধুমাত্র একজন মানুষকে হারানো নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার আকস্মিক থেমে যাওয়া। তার স্মৃতিকে ঘিরে এখনো পরিবার ও এলাকাবাসীর মনে রয়েছে নানা স্মৃতি। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলার সাচার বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সাইদুজ্জামান রাফি। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া।
দুই বছর পেরিয়ে গেলেও রাফিকে ভুলতে পারেনি তার পরিবার ও স্বজনরা। তাই তার স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, স্মৃতি আর প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার এক আবেগঘন মিলনমেলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ